১। দৈর্ঘ্য বৃদ্ধিঃ শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু বিভাজনের মাধ্যমে উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি ঘটায়। এতে উদ্ভিদের দৈহিক বৃদ্ধি এবং উচ্চতা বৃদ্ধি পায়।
২। ব্যাস বৃদ্ধিঃ পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যু বিভাজনের মাধ্যমে দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের ব্যাস বৃদ্ধি করে। দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ মোটা হয় এবং যান্ত্রিক শক্তি পায়।
৩। অঙ্গের বৃদ্ধিঃ ভাজক টিস্যু বিভাজিত হয়ে অঙ্গের বৃদ্ধি ঘটায়। ফলে উদ্ভিদের শাখা–প্রশাখা, পাতা, ফুল ও ফলের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
৪। ক্ষত পূরণঃ উদ্ভিদের কোন স্থানে ক্ষত সৃষ্টি হলে ভাজক টিস্যু বিভাজিত হয়ে ক্ষতস্থান পূরণ করে।
৫। স্থায়ী টিস্যু সৃষ্টিঃ ভাজক টিস্যু থেকে স্থায়ী টিস্যু সৃষ্টি হয়। ভাজক টিস্যু বিভাজন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং স্থায়ী টিস্যুতে পরিনত হয়।
৬। বিপাক ক্রিয়াঃ ভাজক টিস্যু উদ্ভিদ দেহে বিপাক ক্রিয়া ঘটায়। যে উদ্ভিদে ভাজক টিস্যুর পরিমাণ বেশি সে উদ্ভিদের বিপাক হারও বেশি। ফলে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়।
৭। ফসলের ফলন বৃদ্ধিঃ ফসলী উদ্ভিদে ভাজক টিস্যু বিভাজিত হয়ে ফুল ও ফল সৃষ্টি করে। এই টিস্যু বিভাজিত হয়ে ফল ও বীজের আকার বৃদ্ধি করে। এ কারণে ফসলের ফলন বৃদ্ধি পায়।