১। পানি ও খনিজ লবণ পরিবহনঃ জাইলেম টিস্যু মাটি থেকে পানি ও খনিজ লবণ উদ্ভিদ দেহে পরিবহন করে। এই টিস্যু উদ্ভিদের সকল অঙ্গে পানি ও খনিজ লবণ পৌছে দেয়। ফলে বিভিন্ন অঙ্গে পানি ও খনিজ লবণের চাহিদা পূরণ হয়।
২। খাদ্য পরিবহনঃ ফ্লোয়েম টিস্যু পাতা থেকে খাদ্য উদ্ভিদ দেহে পরিবহন করে। এই টিস্যু উদ্ভিদের সকল অঙ্গে খাদ্য পৌছে দেয়। ফলে বিভিন্ন অঙ্গ খাদ্য সঞ্চয় করে এবং খাদ্য চাহিদা পূরণ হয়।
৩। সালোকসংশ্লেষণঃ উদ্ভিদের সবুজ পাতা এবং কচি সবুজ কান্ডে সালোকসংশ্লেষণ ঘটে। সালোকসংশ্লেষণে প্রয়োজনীয় পানি সরবরাহ করে জাইলেম। আবার পাতায় উৎপন্ন খাদ্য পরিবহন করে ফ্লোয়েম। কাজেই সালোকসংশ্লেষণে জাইলেম ও ফ্লোয়েমের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
৪। প্রস্বেদনঃ প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়ে পানি বাষ্পাকারে নির্গত হয়। ফলে উদ্ভিদ দেহে পানি প্রবাহ সৃষ্টি হয়। জাইলেম পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
৫। ইমবাইবিশনঃ ইমবাইবিশন হলো উদ্ভিদের পানি পরিশোষণ প্রক্রিয়া। ইমবাইবশন প্রক্রিয়ায় পানি পরিশোষণে জাইলেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৬। অভিস্রবণঃ অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় পানি বেশি ঘনত্ব এলাকা থেকে কম ঘনত্ব এলাকায় প্রবেশ করে। এই প্রক্রিয়ায় জাইলেমের অবদান রয়েছে।
৭। দৃঢ়তা দানঃ জাইলেম ও ফ্লোয়েম উদ্ভিদকে দৃঢ়তা দান করে। ফলে উদ্ভিদ যে কোন প্রতিকূলতায় টিকে থাকতে পারে।
৮। যান্ত্রিক শক্তি প্রদানঃ জাইলেম ও ফ্লোয়েম উদ্ভিদকে যান্ত্রিক শক্তি প্রদান করে। যান্ত্রিক শক্তি উদ্ভিদকে বিভিন্ন কাজে সাহায্য করে।
৯। কাঠ গঠনঃ জাইলেম শব্দের অর্থ হলো কাঠ। জাইলেম উদ্ভিদদেহে কাঠ গঠন করে।
১০। আঁশ গঠনঃ ফ্লোয়েম শব্দের অর্থ হলো বাকল। ফ্লোয়েম উদ্ভিদদেহে আঁশ গঠন করে।