ভিরিয়ন ।। নিউক্লিওক্যাপসিড ।। নিউক্লিওক্যাপসিড ।। ভিরয়েড ।। প্রিয়ন ।। স্যাটেলাইট

১। ভিরিয়ন (Virion)ঃ নিউক্লিক এসিড ও ক্যাপসিড দ্বারা গঠিত সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পূর্ণ ভাইরাসকে ভিরিয়ন বলে। এতে ২০০০-২১৩০টি ক্যাপসোমিয়ার থাকে।

২। নিউক্লিওক্যাপসিড (Nucleocapsid)ঃ নিউক্লিক এসিড ও ক্যাপসিড দ্বারা গঠিত সংক্রমণ ক্ষমতাবিহীন ভাইরাসকে নিউক্লিওক্যাপসিড বলে।

৩। ভিরয়েড (Viroid)ঃ ক্ষুদ্র RNA দ্বারা গঠিত অতিআণুবীক্ষণিক জীবাণু যা ভাইরাসের মতোই বিস্তার লাভ করে এবং জীবদেহে বিভিন্ন ধরনের রোগ সৃষ্টি করে তাকে ভিরয়েড বলে। ইহা একসূত্রক এবং কয়েকশত নিউক্লিওটাইড দ্বারা গঠিত। ইহা ভাইরাস অপেক্ষা বহুগুণ ক্ষুদ্র। ভিরয়েড উদ্ভিদের বিভিন্ন ধরনের রোগ সৃষ্টি করে। ইহা গোলআলুর স্পিন্ডল টিউবার, নারিকেলের ক্যাডাং ক্যাডাং এবং অ্যাভোক্যাডোর সানবিচ রোগ সৃষ্টি করে। হেপাটাইটিস-ডি এর কারণ হলো ভিরয়েড। থিওডোর ডাইনার এবং রাইনার (১৯৬৭) ইহা আবিষ্কার করেন।

৪। প্রিয়ন (Prions)ঃ শুধু মাত্র প্রোটিন দ্বারা গঠিত এক প্রকার সংক্রামক সত্তা যা ভাইরাস থেকে প্রায় ১০০ গুণ ছোট  এবং পোষক দেহে রোগ সৃষ্টি করে তাকে প্রিয়ন বলে। এরা ভাইরাস থেকে ভিন্ন প্রকৃতির। ইহা মানুষের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের কুরু (Kuru) ও Creutzfeldt রোগ; ভেড়া ও ছাগলের স্ক্র্যাপি (Scrapie) রোগ এবং গরুর ম্যাড কাউ (mad cow)  রোগের জন্য দায়ি। ১৯৮২ সালে Stanley Prusiner সর্বপ্রথম এই রোগ পর্যবেক্ষণ করেন। এই জীবাণু আবিষ্কারের জন্য তাঁকে ১৯৯৭ সালে নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয়।

৫। স্যাটেলাইট (Sateliite)ঃ স্যাটেলাইট হলো নিউক্লিক এসিডের সত্তা যা অন্য ভাইরাসের সাথে প্রতিলিপি সৃষ্টি করতে পারে। স্যাটেলাইট প্রোটিন আবরণী দ্বারা আবৃত হলে তাকে স্যাটেলাইট ভাইরাস বলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *