১। গ্লাইকোজেন সঞ্চয়ঃ রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি হলে আইলেট্স অব ল্যাঙ্গাহ্যান্স থেকে সৃষ্টি ইনসুলিন অতিরিক্ত গ্লুকোজকে গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা রাখে। যকৃতে প্রায় ১০০ গ্রাম গ্লাইকোজেন জমা থাকে। দেহের প্রয়োজনে গ্লাইকোজেন আবার গ্লুকোজে পরিবর্তিত হয়ে থাকে।
২। চর্বি সঞ্চয়ঃ মানব দেহে যে সব শর্করা ব্যবহার হয় না এবং গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা থাকে না, যকৃত কোষ সে গুলোকে চর্বিতে রুপান্তরিত করে সঞ্চয় করে।
৩। ভিটামিন সঞ্চয়ঃ যকৃত কোষ মানব দেহে ভিটামিন A, D, E ও K সঞ্চয় করে। এ ছাড়া কিছু পরিমাণ নিকোটিনিক এসিড (B12) এবং ফলিক এসিড সঞ্চয় করে।
৪। রক্ত সঞ্চয়ঃ যকৃতের নালিকা গুলো রক্ত প্রবাহিত করলেও উহা বিপুল পরিমাণ রক্ত সঞ্চয়ের ভান্ডার হিসেবে কাজ করে। যকৃত প্রায় ১৫০০ ঘন সেমি রক্ত সঞ্চয় করে।
৫। পিত্তরস ক্ষরণ ও সঞ্চয়ঃ যকৃত কোষ পিত্তরস ক্ষরণ ও সঞ্চয় করে। যকৃত প্রতিদিন ৪০০-৮০০ মিলি পিত্তরস ক্ষরণ করে।
৬। লৌহ সঞ্চয়ঃ রক্তের হিমোগ্লোবিনে হিম এবং গ্লোবিন থাকে। হিমে ফেরিটিন নামক লৌহ থাকে। যকৃত ফেরিটিন লৌহ সঞ্চয় করে।
৭। খনিজ লবণ সঞ্চয়ঃ যকৃত মানব দেহে জিংক, কপার, কোবাল্ট, মলিবডেনাম, আয়ন, পটাশিয়াম প্রভৃতি খনিজ দ্রব্য সঞ্চয় করে। যকৃতের আয়ন অস্থিমজ্জায় নতুন লোহিত রক্ত কনিকা উৎপন্ন করে।