১৯২৬ সালে বিজ্ঞানী স্যায়েরি (Sayre) একটি মতবাদ উপস্থাপন করেন। তার মতে, শে^তসার ও চিনির আন্তঃপরিবর্তন এবং কোষের pH-এর তারতম্যের জন্য পত্ররন্ধ্র উন্মুক্ত ও বন্ধ হয়।
(i) পত্ররন্ধ্র খোলার কৌশলঃ দিনের বেলা রক্ষীকোষে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় CO2 ব্যবহার হয়। এতে রক্ষীকোষে CO2 এর পরিমাণ কমে যায় এবং pH বেড়ে যায়। এ কারণে ফসফোরাইলেজ এনজাইমের প্রভাবে রক্ষীকোষের শ্বেতসার গ্লুকোজ ১-ফসফেটে পরিনত হয়। ফলে রক্ষীকোষের ঘনত্ব বেড়ে যায় এবং অন্তঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় রক্ষীকোষে পানি প্রবেশ করে। রক্ষীকোষ পানি গ্রহণ করে ধনুকের মতো বেঁকে যায় এবং পত্ররন্ধ্র খুলে যায়।
(ii) পত্ররন্ধ্র বন্ধ হওয়ার কৌশলঃ রাতের বেলা রক্ষীকোষে শ্বসন প্রক্রিয়ায় CO2 উৎপন্ন হয়। CO2 পানির সাথে বিক্রিয়া করে কার্বনিক এসিড উৎপন্ন করে। ফলে রক্ষীকোষের pH কমে যায়। এ কারণে ফসফোরাইলেজ এনজাইমের প্রভাবে গ্লুকোজ ১-ফসফেট শে^তসারে পরিনত হয়। এতে রক্ষীকোষের ঘনত্ব কমে যায়। বহিঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় রক্ষীকোষ থেকে পানি বেরিয়ে যায়। রক্ষীকোষ পানি হারিয়ে শিথিল হয়ে যায় এবং পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।
শ্বেতসার→ গ্লুকোজ ১-ফসফেট→শে^তসার