লালা গ্রন্থি থেকে লালারস নিঃসৃত হয়। লালারসে ৯৫.৫% পানি এবং ০.৫% ইলেকট্রোলাইট ও প্রোটিন থাকে। একজন মানুষ প্রতিদিন ১২০০-১৫০০ মিলি লালারস ক্ষরণ করে। লালারসের ক্ষরণ কম হলে মুখবিবর শুকিয়ে যায়, এই অবস্থাকে জেরোস্টোমিয়া (ঢবৎড়ংঃড়সরধ) বলে।
(i) স্বাদ গ্রহণঃ লালারস জিহŸার স্বাদ গ্রহণে সহায়তা করে। কম লালা নিঃসারী মানুষ ডিসজিউসিয়া (ফুংমবঁংরধ) রোগে ভোগে।
(ii) খাদ্যকে নরম ও পিচ্ছিলকরণঃ লালা রসের মিউসিন খাদ্যকে নরম ও পিচ্ছিল করে।
(iii) জীবাণু ধ্বংসঃ লাইসোজাইম ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু ধ্বংস করে।
(iv) খাদ্য পরিপাকঃ টায়ালিন ও মল্টেজ এনজাইম শর্করা জাতীয় খাদ্য পরিপাক করে।
(v) পানিসাম্যতাঃ দেহে পানিশুন্যতা দেখা দিলে লালারস ক্ষরণ কমে যায় এবং তৃঞ্চা বোধ হয়। পানি পান করলে পানি সমতা রক্ষা পায়।
(vi) বাফার হিসেবেঃ লালারসে বিদ্যমান মিউসিন, বাইকার্বোনেট ও ফসফেট বাফার হিসেবে কাজ করে।
(vii) রেচনঃ ইউরিয়া, ভারি ধাতু, থায়োসায়ানেট, অ্যান্টিবায়োটিক, মরফিন, ইথাইল অ্যালকোহল প্রভৃতি লালার মাধ্যমে দেহ থেকে নিষ্কাশিত হয়।