লিভারকে তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে।
১। প্রথম শ্রেণীর লিভারঃ যে লিভারে ভার ও বলের মাঝখানে ফ্যালক্রাম থাকে তাকে প্রথম শ্রেণীর লিভার বলে। মানুষের করোটির সাথে মেরুদন্ডের ১ম কশেরুকা যুক্ত হয়ে প্রথম শ্রেণীর লিভার গঠন করে। এ লিভারের কারণে মাথা সামনে, পিছনে, উপরে এবং নিচে ঘোরানো যায়।
২। দ্বিতীয় শ্রেণীর লিভারঃ যে লিভারে ফ্যালক্রাম ও বলের মাঝখানে ভার থাকে তাকে দ্বিতীয় শ্রেণীর লিভার বলে। পায়ের আঙ্গুলির উপর ভর দিয়ে গোড়ালি উপরে উঠালে ২য় শ্রেণীর লিভার গঠিত হয়। এ লিভারের কারণে দ্রæত দৌড়ানো যায়।
৩। তৃতীয় শ্রেণীর লিভারঃ যে লিভারে ফ্যালক্রাম ও ভারের মাঝখানে বল থাকে তাকে তৃতীয় শ্রেণীর লিভার বলে। হাত দিয়ে কোন বস্তু উপরে উঠালে ৩য় শ্রেণীর লিভার গঠিত হয়। এ লিভারের কারণে অল্প শক্তিতে অধিক ভার উপরে উঠানো যায়।