(i) লোহিত শৈবালে r-ফাইকোইরিথ্রিন রঞ্জক থাকায় লাল বর্ণের দেখায়। এদেরকে সামুদ্রিক মস বলা হয়।
(ii) যে সব লোহিত শৈবাল প্রবাল প্রাচীর গঠন করে তাদেরকে কোরালাইন শৈবাল বলে। এরা ক্যালসিয়াম কার্বোনেট নিঃসরণ করে প্রবাল প্রাচীর গঠন করে।
(iii) লোহিত শৈবাল শে^ত রক্তকণিকা সৃষ্টি করে দেহের অনাক্রম্যতন্ত্রের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
(iv) Porphyra শৈবাল থেকে জাপানে নরি, কোরিয়ায় জিম এবং যুক্তরাজ্যে ল্যাভার তৈরী করা হয়।
(v) এরা বৃহৎ সামুদ্রিক শৈবাল গোষ্ঠি যার প্রজাতি সংখ্যা ৭০০০।