মাছের যে আঁইশ গুলো গোলাকার বা ডিম্বাকার, বৃদ্ধিরেখা যুক্ত এবং কিনারা মসৃন তাকে সাইক্লয়েড আঁইশ বলে। রাসায়নিক ভাবে আঁইশগুলো চুন ও কোলাজেন তন্তু দিয়ে গঠিত। বসন্ত ও গ্রীষ্মকালে আঁইশের অধিক বৃদ্ধি ঘটে। সাইক্লয়েড আঁইশ তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। অংশগুলো হলো-
১। অগ্রক্ষেত্রঃ আঁইশের সামনের অংশকে অগ্রক্ষেত্র বলে। ইহা দেহের ভিতরের অংশ এবং ডার্মিসের পকেটে প্রবিষ্ট থাকে। অগ্রক্ষেত্র তন্তুময় যোজক কলা নির্মিত। অগ্রভাগে যে লম্বালম্বি খাঁজ দেখা যায় তাকে radii বলে।
২। পশ্চাৎক্ষেত্রঃ আঁইশের বাইরের দিকের উন্মুক্ত অংশকে পশ্চাদক্ষেত্র বলে। ইহা ডেন্টিন নির্মিত।
৩। পার্শ্বক্ষেত্রঃ আঁইশের দুপাশের অংশকে পার্শ্বক্ষেত্র বলে।