অস্টিয়া (Ostia)ঃ Ostia অর্থ ছিদ্র। পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের দেহের বহির্ভাগে যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে তাকে অস্টিয়া বলে। অস্টিয়ার মধ্য দিয়ে দেহে পানি প্রবেশ করে। যেমন- স্কাইফা (Scypha gelatinosum)।
স্পঞ্জোসিল (spongocoel)ঃ স্পঞ্জোসিলকে প্যারাগ্যাস্ট্রিক গহŸর বলা হয়। পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের দেহগহŸরকে স্পঞ্জোসিল বলে। স্পঞ্জোসিলের মুখছিদ্রকে অসক্যুলাম (osculum) বলে। স্পঞ্জোসিল পানি ধারণ করে এবং অসক্যুলামের মধ্য দিয়ে পানি দেহের বাইরে নির্গত হয়। যেমন- স্পঞ্জিলা (Spongilla lacustris)।
কোয়ানোসাইট (Choanocyte)ঃ পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের দেহে কলসি আকৃতির ফ্ল্যাজেলাযুক্ত যে কোষ থাকে তাকে কোয়ানোসাইট বলে। ইহা নালিতন্ত্রের প্রাচীরের গহŸরে থাকে। ইহা পানির স্রোত নিয়ন্ত্রণ করে।
স্পিকিউল (Spicule)ঃ যে সব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কাঁটা পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের দেহকাঠামো গঠন করে তাকে স্পিকিউল বলে। ইহা চুন বা সিলিকা দ্বারা গঠিত। ইহা কঠিন প্রকৃতির বস্তু। নেপচুন কাপ (Poterion neptuni)।