(i) কোষটি পরবর্তী বিভাজনে অংশ গ্রহণ করবে কিনা তা এ পর্যায়ে নির্ধারিত হয়।
(ii) কোষ বিভাজনের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি (ATP) তৈরী হয়।
(iii) DNA অনুলিপন ঘটে।
(iv) RNA সংশ্লেষণ এবং হিস্টোন প্রোটিনের পরিমাণ বৃদ্ধি ঘটে।
(v) এ পর্যায়ে মাইক্রোটিউবিউলস্ তৈরী হয় যা সেন্ট্রোসোম গঠন করে।
(vi) এ দশায় প্রাণীকোষে সেন্ট্রিওল সৃষ্টি হয়।
(vii) ইন্টারফেজ দশা না থাকলে কোষ বিভাজন ঘটবে না। জীবের দেহ গঠিত হবে না। ফলে নতুন জীব সৃষ্টি হবে না।