১। গবেষণাগারের স্বল্পতাঃ বাংলাদেশে বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, বায়োটেকনোলজি প্রতিষ্ঠান, সরকারী ও বেসরকারী ক্লিনিকে জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় এর সংখ্যা অনেক কম। তাই সরকারী, বেসরকারী এবং ব্যক্তিগত ভাবে গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি করা দরকার।
২। দুর্লভ গবেষণা উপকরণঃ জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষণের অধিকাংশ যন্ত্রপাতি এবং উপকরণ বিদেশ থেকে আমদানী করা হয়। তাই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এবং উপকরণ পর্যাপ্ত নয়। অনেক যন্ত্রপাতি অকেজো হয়েছে আছে। দেশীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে এসব যন্ত্রপাতি এবং উপকরণ উৎপাদন করতে হবে।
৩। পরিমিত দক্ষ গবেষকঃ বাংলাদেশে জেনেটিক্স এবং জিনোম সিকোয়েন্সিং গবেষণায় দক্ষ গবেষকের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। অনেক বেসকরকারী বা ব্যক্তিগত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে দক্ষ গবেষক নাই।
৪। ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের অভাবঃ চিকিৎসক এবং গবেষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা দরকার। নিয়মিত প্রশিক্ষণ হলো দক্ষতার উত্তম হাতিয়ার। তাই সরকারী ও বেসরকারী ভাবে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।
৫। দক্ষ সহকারীর অভাবঃ গবেষণা কাজে যে সব সহকারী নিয়োগ দেওয়া হয় তাদের অধিকাংশই অদক্ষ।
৬। আর্থিক সংকটঃ জিনোম সিকোয়েন্সিং গবেষণায় ব্যয় বহুল গবেষণাগার, দক্ষ গবেষক এবং দক্ষ সহকারী প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে প্রচুর অর্থ দরকার হয়। সরবরাহকৃত সরকারী এবং বেসরকারী অর্থ পর্যাপ্ত নয়।