১। আয়নের ঘনত্বঃ মাটির দ্রবণে আয়নের ঘনত্ব বেশি হলে খনিজ লবণ পরিশোষণের হার বাড়ে। একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত আয়নের ঘনত্ব বাড়লে খনিজ লবণ পরিশোষণের হার বৃদ্ধি পায়।
২। তাপমাত্রাঃ একটি সংকীর্ণ সীমা পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে খনিজ লবণ পরিশোষণের হার বৃদ্ধি পায়। তাপমাত্রা নির্দিষ্ট সীমা থেকে কম বা বেশি হলে পরিশোষণ হার কমে যায়।
৩। আলোঃ পরোক্ষভাবে আলো খনিজ লবণ পরিশোষণের হারকে বৃদ্ধি করে। আলো পত্ররন্ধ্র খোলা-বন্ধ হওয়া এবং প্রস্বেদনের হার নিয়ন্ত্রণ করে। তাই আলো খনিজ লবণ পরিশোষণ নিয়ন্ত্রণ করে।
৪। প্রস্বেদনঃ প্রস্বেদন হার বৃদ্ধি পেলে পরিশোষণ হারও বৃদ্ধি পায়। প্রস্বেদনের হার বাড়লে উদ্ভিদের মূল, কান্ড ও পাতায় পানি পরিবহন বৃদ্ধি পায়। ফলে খনিজ লবণ পরিশোষণের হারও বৃদ্ধি পায়।
৫। অক্সিজেনঃ অক্সিজেন কম হলে শ্বসন কম হয় এবং পরিশোষণ হারও কমে যায়।
৬। শ্বসনিক বস্তুঃ শ্বসনিক বস্তু কম থাকলে শ্বসন হার কমে যায় এবং খনিজ পরিশোষণও কমে যায়।
৭। আয়নের পারস্পরিক ক্রিয়াঃ Ca+ + ও Mg+ + আয়নের উপস্থিতি K+ আয়নের শোষণকে বাধা দেয়।
৮। উদ্ভিদের বৃদ্ধিঃ উদ্ভিদের দৈহিক বৃদ্ধি খনিজ লবণ শোষণ হার বৃদ্ধি করে। তাই বৃহৎ উদ্ভিদ বেশি মাত্রায় এবং ক্ষুদ্র উদ্ভিদ কম মাত্রায় খনিজ লবণ পরিশোষণ করে।
৯। pH ঃ একটি নির্দিষ্ট সীমার বাইরে pH এর পরিবর্তন কোষের ক্ষতি সাধন করে। তাই খনিজ লবণ শোষণে ব্যাঘাত ঘটে।
১০। বৃদ্ধি অঞ্চলঃ উদ্ভিদের বৃদ্ধি অঞ্চল এবং কোষ বিভাজন অঞ্চলে খনিজ লবণ পরিশোষণ বেশি ঘটে।