১। ইনসুলিন হরমোন তৈরীতে E. coli. ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার হয়। ইনসুলিন ডায়াবেটিসে ব্যবহার হয়।
২। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং- E. coli ব্যাকটেরিয়ার গুরুত্ব অপরিসীম।
৩। ইন্টারফেরন উৎপাদনে প্লাজমিড DNA ব্যবহার করা হয়।
৪। জিন ক্লোনিং এ প্লাজমিড DNA গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৫। প্লাজমিড DNA ব্যবহার করে আমেরিকায় ট্রান্সজেনিক তুলা গাছ সৃষ্টি করা হয়েছে।
৬। জৈব প্রযুক্তির মাধ্যমে সুপার রাইস সৃষ্টি করা হয়েছে। এই ধানের ভাত খেলে রাতকানা রোগ নিরাময় হয়।
৭। জৈব প্রযুক্তির মাধ্যমে ফ্লেভার সেভার টমেটো সৃষ্টি করা হয়েছে।
৮। রিকম্বিন্যান্ট DNA প্রযুক্তির মাধ্যমে সুস্থ, সবল ও উন্নত ফসলের জাত সৃষ্টি করা হচ্ছে।
৯। বর্তমানে আলু, আপেল, তুলা, গম প্রভৃতি পতঙ্গরোধী উদ্ভিদ উদ্ভাবন করা হয়েছে।
১০। নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী Rhizobium ব্যাকটেরিয়া হতে নিফ জিন পৃথক করে ধান গাছের ক্রোমোজোমে প্রবেশ করানো হয়েছে। এই ধান গাছ নাইট্রোজেন সংবন্ধন করতে পারে এবং ইউরিয়া সার প্রয়োগের প্রয়োজন হয় না।
১১। রিকম্বিন্যান্ট DNA প্রযুক্তি ব্যবহার করে সারা বিশ্বে বীজবিহীন ফল সৃষ্টি করা হচ্ছে।
১২। আগাছানাশক জমিতে প্রয়োগ করলে ফসলী উদ্ভিদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। Streptomyces নামক ব্যাকটেরিয়া হতে Bar gene পৃথক করে টমেটো, আলু, তামাক প্রভৃতি গাছে প্রয়োগ করে ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এসব ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ আগাছানাশক দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।