মাইটোকন্ড্রিয়ার গুরুত্ব / প্রয়োজনীয়তা

মাইটোকন্ড্রিয়ার গুরুত্ব / প্রয়োজনীয়তা

১। শ্বসন প্রক্রিয়াঃ  শ্বসনের ক্রেব্স চক্র ও ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম মাইটোকন্ড্রিয়ায় সম্পন্ন হয়। একে সাইটোপ্লাজমিক শ্বসন বলে।

২। শক্তি উৎপাদনঃ  মাইটোকন্ড্রিয়ায় ATP তৈরী হয়। ATP হলো শক্তির উৎস।

৩। প্রোটিন তৈরীঃ  মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের জন্য প্রোটিন তৈরী করে।

৪। নিউক্লিক এসিড তৈরীঃ  ইহা DNA ও  RNA জঘঅ তৈরী করে।

৫। রক্তকণিকা ও হরমোন উৎপাদনঃ  ইহা রক্তকণিকা ও হরমোন উৎপাদনে সহায়তা করে।

৬। এনজাইম ধারণঃ  ইহা শ্বসনের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম ও কো এনজাইম ধারণ করে।

৭। আয়নের ভারসাম্যঃ  এরা কোষের বিভিন্ন অংশে ক্যালসিয়াম আয়নের সঠিক ঘনত্ব রক্ষা করে।

৮। বিপাকঃ  ইহা নিউরোট্রান্সমিটার ও কোলেস্টেরল বা চর্বি বিপাক করে।

৯। অ্যাপোপটোসিস নিয়ন্ত্রণঃ  মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের পূর্বনির্ধারিত মৃত্যু (apoptosis) নিয়ন্ত্রণ করে।

১০। বংশগতিঃ  মাইটোকন্ড্রিয়া শুক্রাণু ও ডিম্বাণু গঠনে সাহায্য করে।

১১। শক্তি নিয়ন্ত্রণঃ  ইহা কোষে শক্তি সঞ্চয় ও নির্গমণ নিয়ন্ত্রণ করে। ADP কে ATP তে রুপান্তরের মাধ্যমে উচ্চশক্তি বন্ধনী সৃষ্টি করে নিজের দেহে সঞ্চয় করে।

১২। ক্যাটায়ন সঞ্চিতঃ  মাইটোকন্ড্রিয়ায় Ca2+, S2+, Fe2+, Mn2+  ইত্যাদি সঞ্চিত থাকে।

One thought on “মাইটোকন্ড্রিয়ার গুরুত্ব / প্রয়োজনীয়তা”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *