শ্রেণীবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা (Necessity of Taxonomy)

 

 

শ্রেণীবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা (Necessity of Taxonomy)

১। উদ্ভিদ শনাক্তকরণ  – শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে উদ্ভিদ শনাক্ত করা যায়।

২। উদ্ভিদজগত সম্পর্কে জানাপৃথিবীতে পাঁচ লক্ষ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে অল্প সময়ে এবং কম পরিশ্রমে উদ্ভিদজগত সম্পর্কে জানা যায়।

৩। উদ্ভিদ জ্ঞানকে সংক্ষেপে প্রকাশ – শ্রেণীবিন্যাস উদ্ভিদ সম্পর্কিত জ্ঞানকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে

৪। উদ্ভিদের আদিউন্নত নির্ধারণ – আধুনিক শ্রেণীবিন্যাস উদ্ভিদের আদিউন্নত প্রকৃতি নির্ধারণে সাহায্য করে এবং বিবর্তনের ধারা নির্দেশ করে।

৫। জাতিজনি সম্পর্ক নির্ণয়শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে উদ্ভিদ জাতিজনি সম্পর্ক নির্ণয় করা যায়।

৬। নতুন প্রজাতি শনাক্তকরণ – নতুন প্রজাতি শনাক্তকরণ এবং বিভিন্ন ধাপে স্থাপনের জন্য শ্রেণীবিন্যাসের জ্ঞান অপরিহার্য।

৭। ভেষজ উদ্ভিদ শনাক্তকরণভেষজ উদ্ভিদ শনাক্তকরণে শ্রেণীবিন্যাসের জ্ঞান প্রয়োজন।

৮। উন্নত জাত উদ্ভাবনকৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে উন্নত রোগ প্রতিরোধী জাতের ফসল উদ্ভিদ উদ্ভাবন করা হয়। এক্ষেত্রে শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কিত জ্ঞান থাকা অপরিহার্য।

৯। অর্থনৈতিক উদ্ভিদ বাছাইশ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে কৃষিজ, বনজ, ফলজ ভেষজসহ অর্থনৈতিক উদ্ভিদ বাছাই করা যায়।

১০। সার্বজনীন পরিচয়উদ্ভিদের আন্তর্জাতিক সার্বজনীন পরিচিতি প্রদানে শ্রেণীবিন্যাসের জ্ঞান অপরিহার্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *