লাইসোজোমের ভৌত ও রাসায়নিক গঠন

লাইসোজোমের ভৌত গঠন (Physical structure)
লাইসোজোম ক্ষুদ্র গোলাকার বা বৃত্তাকার অঙ্গাণু। বহু সংখ্যক হাইড্রোলাইটিক এনজাইম আবরণী দ্বারা আবৃত হয়ে লাইসোজোম গঠন করে। প্রতিটি লাইসোজোম দুই স্তরবিশিষ্ট আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে। তবে Spherosome বা Oleosome  এর আবরণী এক স্তরবিশিষ্ট। আবরণীটি লিপোপ্রোটিন দ্বারা গঠিত। বৃক্ক কোষের লাইসোজোম সবচেয়ে বড় হয়। এদের ব্যাস ০.২-০.৮ মিলিমাইক্রন। এর ভ্যাকুওল বা গহ্বর তরলে পূর্ণ থাকে। যে সব বস্তু লাইসোজোম হতে এনজাইম বের হতে দেয় না তাদেরকে স্ট্যাবিলাইজার (Stabilizer) বলে। যে সব বস্তু লাইসোজোম হতে এনজাইম বের হতে দেয় তাদেরকে ল্যাবিলাইজার (Labilizer) বলে।

লাইসোজোমের রাসায়নিক গঠন (Chemical structure)
১। লাইসোজোমে ৪০-৫০ ধরনের এনজাইম থাকে। প্রধান এনজাইম হলো- DNA-ase, RNA-ase, ফসফাটেজ, লাইপেজ, এস্টারেজ, স্যাকারেজ, সালফাটেজ, ডেক্সট্রোনেজ, লাইসোজাইম প্রভৃতি
২। এর আবরণী লিপিড ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত
৩। এতে অল্প পরিমাণ শর্করা থাকে

লাইসোজোম কী ? লাইসোজোমের বিস্তৃতি ও উৎপত্তি

লাইসোজোম (Lysosome)
গ্রীক শব্দ Lyso অর্থ হজমকারী এবংsoma অর্থ বস্তু নিয়ে Lysosme শব্দটি গঠিত। এর অর্থ হলো বস্তু হজমকারী। কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত অতি ক্ষুদ্র কোষীয় অঙ্গাণু যা পাচনকারী এনজাইম ধারণ করে ও খাদ্যকে পাচিত করে তাকে লাইসোজোম বলে। একে কোষের পাকস্থলী বলা হয়। ১৯৫৫ সালে বেলজিয়ান কোষবিজ্ঞানী দ্য দু’বে এর নামকরণ করেন লাইসোজোম।

বিস্তৃতিঃ  প্রায় সব প্রাণিকোষে লাইসোজোম থাকে। শ্বেত রক্তকণিকা, যকৃতকোষ, স্নায়ুকোষ, বৃক্ককোষ প্রভৃতিতে লাইসোজোম সবচেয়ে বেশি থাকে। লোহিত রক্তকণিকায় (RBC), ঈস্ট এবং অধিকাংশ উদ্ভিদ কোষে লাইসোজোম থাকে না। সম্প্রতি উদ্ভিদ কোষে লাইসোজোম আবিষ্কৃত হয়েছে। উদ্ভিদ কোষের লাইসোজোমকে Spherosome বা Oleosome বলা হয়। পিঁয়াজের বীজ, ভূট্রা এবং তামাকের কোষে লাইসোসোম পাওয়া যায়।

উৎপত্তিঃ  লাইসোজোম এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম হতে উৎপত্তি লাভ করে।

গলজিবডির গুরুত্ব

গলজিবডির গুরুত্ব
১। গলজিবডি কোষ প্রাচীর গঠন করে।
২। কোষ ঝিল্লি গঠনে সাহায্য করে।
৩। কোষ বিভাজনের সময় কোষ প্লেট তৈরী করে।
৪। প্রোটিনকে শর্করার সাথে যুক্ত করে গ্লাইকল (glycol) উৎপন্ন করে। যে প্রক্রিয়ায় গ্লাইকল উৎপন্ন হয় তাকে গ্লাইকোস্যালেশন বলে।
৫। ইহা শুক্রাণুর অ্যাক্রোজোম সৃষ্টি করে।
৬। লাইসোজোম গঠনে সাহায্য করে।
৭। ইহা প্রোটিন এবং ভিটামিন-সি সঞ্চয় করে।
৮। খাদ্য দ্রব্য জমা রাখে।
৯। এনজাইম ও হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করে।
১০। স্তন্যপায়ীর ক্যান্সার ও টিউমার কোষের গলজিবডি থেকে মেলানিন উৎপন্ন হয়।
১১। কোষের বিপাকীয় দ্রব্য ক্ষরণ করে।
১২। কোষকে ATP উৎপাদনে সাহায্য করে।
১৩। শর্করা থেকে গ্যালাকটোজ, সাইলিক এসিড, পেকটিন প্রভৃতি উৎপন্ন হয়।

উদ্ভিদ কোষে গলজি বডির গ্লাইকোপ্রোটিনের অলিগোস্যাকারাইডে পার্শ্ব শিকল যুক্ত করে। তাই উদ্ভিদ কোষে গলজিবডিকে কার্বোহাইড্রেট ফ্যাক্টরী বলা হয়।

গলজিবডিকে কোষের ট্রাফিক পুলিশ বলা হয় কেন

গলজিবডিকে কোষের ট্রাফিক পুলিশ বলা হয় কেন
গলজিবডি কোষে উৎপন্ন প্রোটিন ও লিপিডকে লিপোপ্রোটিনে পরিনত করে। এরপর লিপোপ্রোটিনকে আবরণী দ্বারা আবদ্ধ করে বাইরে নির্গত করে। একারণে গলজিবডিকে কোষের ট্রাফিক পুলিশ বলা হয়।

রাইবোজোমের গুরুত্ব কী কী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

রাইবোজোমের গুরুত্ব
১। ইহা প্রোটিন সংশ্লেষণ/ট্রান্সলেশন ঘটায়।
২। ইহা সাইটোক্রোম উৎপাদনে সাহায্য করে।
৩। ইহা স্নেহ বিপাকে সাহায্য করে।
৪। গ্লুকোজের ফসফোরাইলেশন ঘটায়।
৫। ইহা পলিপেপটাইডকে প্রোটিওলাইটিক এনজাইমের ক্ষতিকর ক্রিয়া হতে রক্ষা করে।
৬। ইহা mRNA-কে নিউক্লিয়েজ এনজাইমের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে।
৭। প্রোটিন সংশ্লেষণকারী এনজাইম ধারণ করে।
৮। ইহা জেনেটিক কোডের অর্থ নিশ্চিত করে।

[আদি কোষের রাইবোজোম রাসায়নিক ভাবে ভিন্ন ধরণের। তাই টেট্রাসাইক্লিন বা স্ট্রেপ্টোমাইসিন ওষুধ রোগীর দেহে প্রয়োগ করলে ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন সংশ্লেষণ বন্ধ হয়ে যায় এবং ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু রোগীর কোন ক্ষতি হয় না]

ভেদবার্গ একক (Svedberg unit)

ভেদবার্গ একক (Svedberg unit)

সেন্ট্রিফিউজ যন্ত্রে দ্রুত ঘুর্ণনের সময় বিভিন্ন ভর বিশিষ্ট বস্তুর অধঃক্ষেপণের হারকে ভেদবার্গ একক বলে। একে S দ্বারা প্রকাশ করা হয়। সুইডিশ প্রাণরসায়ন বিজ্ঞানী Theodor Svedberg  এর নামের প্রথম অক্ষর S দ্বারা উহা বুঝানো হয়েছে। কলয়েড বস্তুর আলট্রাসেন্ট্রিফিউজ কৌশল আবিষ্কারের জন্য তাঁকে ১৯২৬ সালে রসায়নে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়।

গ্লাইঅক্সিজোম (Glyoxisome)

গ্লাইঅক্সিজোম (Glyoxisome)
যে সব অঙ্গাণু বিটা-অক্সিডেশন প্রক্রিয়া ঘটায় তাদেরকে গ্লাইঅক্সিজোম বলে। ইহা আবরণী বিশিষ্ট অঙ্গাণু। ইহা বীজের লিপিড সঞ্চয়ী কোষে থাকে। বীজের অংকুরোদগমের সময় লিপিডকে ভেঙ্গে চিনিতে পরিনত করে। এতে চারার বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে।

 

        রাইবোজোম কাকে বলে ? এর প্রকারভেদ

রাইবোজোম (Ribosome)

প্রোটিন ও RNA দ্বারা গঠিত আবরণীবিহীন প্রোটিন সংশ্লেষণকারী অতিআণুবীক্ষনিক কণাকে রাইবোজোম বলে। একে প্রোটিন ফ্যাক্টরী বলা হয়। ১৯৫৪ সালে আলবার্ট ক্লড যকৃত কোষ হতে ইহা আবিষ্কার করেন এবং নাম দেন মাইক্রোসোম। পরবর্তীতে ১৯৫৮ সালে রিচার্ড বি. রবার্ট এর নাম দেন রাইবোজোম।

 

প্রকারভেদ (Types)ঃ রাইবোজোম দুই প্রকার।

১। ৭০ S রাইবোজোম ঃ আদিকোষে ৭০ S রাইবোজোম থাকে। এরা ছোট, ব্যাস ১৫০ Å এবং আণবিক ওজন ২.৭ х ১০৬ ডালটন। এর দু’টি সাব ইউনিট হলো ৫০S ও ৩০S । ব্যাকটেরিয়া, মাইটোকন্ড্রিয়া ও ক্লোরোপ্লাস্টে ৭০ঝ থাকে।

২। ৮০ S রাইবোজোম ঃ প্রকৃত কোষে ৮০ S রাইবোজোম থাকে। ৮০ S রাইবোজোমের দু’টি উপএকক ৬০ S ও ৪০ S । এর আণবিক ওজন 40 х 106 ডালটন।

 

ক্লোরোপ্লাস্টের ভৌত ও রাসায়নিক গঠন

ক্লোরোপ্লাস্টের গঠন (Structure of Chloroplast)
১। আবরণীঃ প্রতিটি ক্লোরোপ্লাস্ট দ্বিস্তর বিশিষ্ট একটি আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে। বহিঃআবরণী এবং অন্তঃআবরণী। বাইরের আবরণীকে বহিঃআবরণী এবং ভিতরের আবরণীকে অন্তঃআবরণী বলে। আবরণী দু’টির মাঝখানের দুরত্ব ৬-৮ nm । একে পেরিপ্লাস্টিডাল স্থান বলে। ইহা মসৃন এবং লিপোপ্রোটিন দ্বারা গঠিত। ক্লোরোপ্লাস্টের আবরণীতে ফসফোলিপিডের পরিবর্তে গ্লাইকোসিল গ্লিসারাইড থাকে। ইহা ক্লোরোপ্লাস্টকে নির্দিষ্ট আকৃতি দান করে এবং বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে।
২। প্রকোষ্ঠঃ প্রতিটি ক্লোরোপ্লাস্টে দু’ধরনের প্রকোষ্ঠ থাকে। বহিঃপ্রকোষ্ঠ ও অন্তঃপ্রকোষ্ঠ। বহি ও অন্তঃ আবরণীর মাঝের প্রকোষ্ঠকে বহিঃপ্রকোষ্ঠ এবং অন্তঃআবরণীর মাঝের প্রকোষ্ঠকে অন্তঃপ্রকোষ্ঠ বলে। ইহা বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ দ্বারা পূর্ণ থাকে।
৩। স্ট্রোমাঃ ক্লোরোপ্লাস্টের ভিতরে যে পানিগ্রাহী কলয়েডধর্মী তরল পদার্থ থাকে তাকে স্ট্রোমা (Stroma) বলে। এতে ৭০ S রাইবোজোম, DNA, RNA ও শর্করা তৈরীর এনজাইম থাকে। স্ট্রোমাতে C3 ও C4 চক্র ঘটে।
৪। থাইলাকয়েডঃ স্ট্রোমাতে থলে আকৃতির ত্রিমাত্রিক সজ্জার যে গঠন থাকে তাকে থাইলাকয়েড বলে। এর প্রস্থ ১০০-৩০০ Å । থাইলাকয়েডের প্রকোষ্ঠের ভিতরে ক্লোরোফিল-এ, ক্লোরোফিল-বি, ক্যারোটিনয়েড, জ্যান্থোফিল ও এনজাইম থাকে। এসব উপাদান গুলোকে একত্রে স্ফটিকাকার দানার মতো দেখায়। তখন এদেরকে কোয়ান্টোজোম বলে।
৫। গ্রানামঃ ১০-১০০ টি থাইলাকয়েড পর পর সজ্জিত হয়ে যে স্তুপ গঠন করে তাকে গ্রানাম বলে। গ্রানাম চক্রের ঝিল্লির ভিতরের গায়ে কিছু কোয়ান্টোজোম থাকে। প্রতিটি ক্লোরোপ্লাস্টে ৪০-৬০টি গ্রানা থাকে। প্রতিটি গ্রানামের আকৃতি ০.৩-১.৭০ মাইক্রোন।
৬। স্ট্রোমা ল্যামেলীঃ পাশাপাশি অবস্থিত দু’টি থাইলাকয়েড যে নালিকা দ্বারা যুক্ত থাকে তাকে স্ট্রোমা ল্যামেলী বা ইন্টারগ্রানাল ফ্রেটস বলে। স্ট্রোমা ল্যামেলীতে ক্লোরোফিল থাকে।
৭। ATP সিন্থেসেসঃ থাইলাকয়েডের মেমব্রেনে যে গোলাকার বা ডিম্বাকার বস্তু থাকে তাকে ATP সিন্থেসেস বলে। এতে ATP তৈরীর জন্য এনজাইম থাকে। ইহা কোষের জন্য ATP তৈরী করে।
৮। ফটোসিনথেটিক ইউনিটঃ কয়েকটি ATP সিন্থেসেস মিলে এক একটি ইউনিট গঠন করে। একে ফটোসিনথেটিক ইউনিট বলে। প্রতিটি ইঊনিটে ক্লোরোফিল-এ, ক্লোরোফিল-বি, ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিল এর ৩০০-৪০০টি অণু থাকে। এতে বিভিন্ন ধরণের এনজাইম, ফসফোলিপিড, সালফোলিপিড, মেটাল আয়ন, কুইনোন ইত্যাদি থাকে। ফটোসিনথেটিক ইউনিট আলোক শক্তি শোষণ করে এবং ফটোফসফোরাইলেশন ঘটায়।
৯। DNAঃ ক্লোরোপ্লাস্টে ছোট ও চক্রাকার DNA থাকে। DNA গুলো স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে অধিকারী। একে ক্লোরোপ্লাস্টিক DNA (cpDNA) বলে। প্রতিটি ক্লোরোপ্লাস্টে ২০০টি cpDNA থাকে।
১০। রাইবোজোমঃ ক্লোরোপ্লাস্টে ৭০S রাইবোজোম থাকে।
১১। অজ্ঞাত গুটিকাঃ ক্লোরোপ্লাস্টে কিছু অজ্ঞাত গুটিকা থাকে। এদের প্রকৃতি ও কাজ সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায় নাই।

ক্লোরোপ্লাস্টের রাসায়নিক গঠন (Chemical Structure of Chloroplast)
১। প্রোটিনঃ ক্লোরোপ্লাস্টের শুষ্ক ওজনের প্রায় ৩৫-৫৫% প্রোটিন থাকে। এর মধ্যে অদ্রবনীয় প্রোটিন ৮০% এবং দ্রবনীয় প্রোটিন ২০%।
২। লিপিডঃ ক্লোরোপ্লাস্টে ১০%-২০% লিপিড থাকে। এর মধ্যে ফসফোলিপিডই বেশি।
৩। রঞ্জক পদার্থঃ ইহাতে ৬-১২% রঞ্জক পদার্থ রয়েছে। এর মধ্যে ৭৫% ক্লোরোফিল-এ, ২৫% ক্লোরোফিল-বি, ক্যারোটিন, জ্যান্থোফিল প্রভৃতি।
৪। নিউক্লিক এসিডঃ ক্লোরোপ্লাস্টে ৫% নিউক্লিক এসিড থাকে। নিউক্লিক এসিড হলো DNA ও RNA
৫। খনিজ লবণঃ ইহাতে ৩% খনিজ লবণ থাকে। খনিজ লবণের মধ্যে ম্যাগনেসিয়াম বেশি থাকে। এছাড়া আয়ন ও কপার উল্লেখ যোগ্য।
৬। কার্বোহাইড্রেটঃ ক্লোরোপ্লাস্টে নির্দিষ্ট পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট থাকে না। ইহা সর্বদা পরিবর্তনশীল। স্টার্চ হচ্ছে এর সাধারণ কার্বোহাইড্রেট।

প্লাস্টিডের গুরুত্ব/ভূমিকা

প্লাস্টিডের গুরুত্ব/ভূমিকা
১। লিউকোপ্লাস্ট শ্বেতসার, প্রোটিন ও লিপিড জাতীয় খাদ্য সঞ্চয় করে।
২। ক্লোরোপ্লাস্ট শর্করা জাতীয় খাদ্য উৎপন্ন করে।
৩। ক্লোরোপ্লাস্ট শর্করা জাতীয় খাদ্য সঞ্চয় করে।
৪। ক্রোমোপ্লাস্ট পরাগায়নের জন্য কীটপতঙ্গকে আকৃষ্ট করে।
৫। ক্রোমোপ্লাস্ট ফল ও বীজের বিসরণের জন্য প্রাণীকুলকে আকৃষ্ট করে।
৬। ক্রোমোপ্লাস্টের উচ্চ খাদ্য মূল্য আছে।
৭। বিভিন্ন ধরণের ক্রোমোপ্লাস্ট মানুষসহ প্রাণীদের বিনোদনের উপকরণ।
৮। ঘর সাজানোর কাজে বিভিন্ন ধরণের রঙ্গিন ফুল ব্যবহার হয়।
৯। বিভিন্ন জাতীয় উৎসবে ফুলের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
১০। বিভিন্ন বর্ণের ফুল ধর্মীয় বা পূজার উপকরণ হিসেবে ব্যবহার হয়।