গ্রিক শব্দ histos অর্থ কলা এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Histology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় বিভিন্ন ধরনের কলার আকার, আকৃতি, অবস্থান, গঠন, বিভাজন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে কোষবিদ্যা বা সাইটোলজি বলে।
Category: Biology Second Paper Lecture Sheet
কোষবিদ্যা ।। Cytology ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
গ্রিক শব্দ kytos অর্থ ফাঁপা এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Cytology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় কোষের আকার, আকৃতি, গঠন, বিভাজন ও শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে কোষবিদ্যা বা সাইটোলজি বলে।
শারীরস্থানবিদ্যা ।। Anatomy ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
গ্রিক শব্দ ana অর্থ ওপরে এবং temno অর্থ কাটা নিয়ে Anatomy শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবদেহের অন্তর্গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে শারীরস্থানবিদ্যা বা অ্যানাটমি বলে।
অঙ্গসংস্থানবিদ্যা ।। Morphology ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
গ্রিক শব্দ morphe অর্থ আকার এবং logos অর্থ জ্ঞান নিয়ে Morphology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের আকার, আকৃতি ও গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে অঙ্গসংস্থানবিদ্যা বা মরফোলজি বলে। জীবদেহের বাহ্যিক গঠন আলোচনা করাহলে তাকে বহিঃঅঙ্গসংস্থান (External morphology) এবং অন্তর্গঠন আলোচনা করা হলে তাকে অন্তঃঅঙ্গসংস্থান (Internal morphology) বলে।
প্রাণীর সংজ্ঞা ।। Animal
প্রাণী হলো পরভোজী জীব যা স্বাধীনভাবে চলাচলে সক্ষম, অভিযোজনক্ষম, উদ্দীপনায় সাড়াদান করে এবং বিপাক, বৃদ্ধি ও প্রজননে অংশ গ্রহণ করে। Animals are multicellular, motile, eukaryotic organisms in the biological kingdom Animalia.
শ্রেণীবিন্যাসের ভিত্তি ।। দেহের আকার ।। Body of shape ।। ড. সিদ্দিকি পাবলকিশেন্স
(i) আণুবীক্ষনিক প্রাণী (Micro animal)ঃ যে সব প্রাণী অত্যন্ত ক্ষুদ্রাকার ও আণুবীক্ষনিক তাদেরকে Micro animal বলে। যেমন– ম্যালেরিয়ার জীবাণু– Plasmodium vivax, আমাশয় জীবাণু– Entamoeba histolytica
(ii) বৃহৎ প্রাণী (Macro animal)ঃ যে সব প্রাণী আকারে বড় এবং খালি চোখে দেখা যায় তাদেরকে Macro animal বলে। যেমন– গিনিপিগ– Cavia porcellus, ভারতীয় হাতি– Elephas indicus, নীল তিমি– Balaenoptera musculus
শ্রেণীবিন্যাসের ভিত্তি ।। কোষের সংখ্যা ।। Number of Cell ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
কোষের সংখ্যার ভিত্তিতে প্রাণীদেরকে দু’টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
(i) এককোষী প্রাণীঃ এরা আদি কোষী এবং এদের দেহ একটি মাত্র কোষ দ্বারা গঠিত। Protozoa পর্বের প্রাণীরা এককোষী। যেমন- অ্যামিবা- Amoeba proteus, ম্যালেরিয়া পরজীবী- Plasmodium vivax, অ্যান্টামিবা-Entamoeba histolytica,
(ii) বহুকোষী প্রাণীঃ এরা প্রকৃত কোষী এবং এদের দেহ একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত। Metazoa, Porifera ও Chordata পর্বের প্রাণীরা বহুকোষী। যেমন- হাইড্রা- Hydra vulgaris, ইঁলিশ- Tenualosa ilisha, দোয়েল- Copsychus saularis,
শ্রেণীবিন্যাসের ভিত্তি ।। Base of Classification ।। ড. সিদ্দিকি পাবলকিশেন্স
যে সব বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে জীবের শ্রেণীবিন্যাস করা হয় তাকে শ্রেণীবিন্যাসের ভিত্তি বলা হয়। শ্রেণীবিন্যাসের ভিত্তি গুলো নিচে আলোচনা করা হলো।
১। কোষের সংখ্যা
২। দেহের আকার
৩। সংগঠন মাত্রা
৪। জীবন পদ্ধতি
৫। ভ্রুণস্তর
৬। নটোকর্ড
৭। মেরুদন্ড
৮। প্রতিসাম্যতা
৯। খন্ডায়ন
১০। সিলোম
১১। পৌষ্টিক নালি
১২। প্রজননিক বৈশিষ্ট্য
১৩। অঞ্চলায়ন
১৪। প্রান্তিকতা
১৫। তল
১৬। ক্লিভেজ ও ভ্রুণীয় বিকাশ
১৭। উপাঙ্গ
১৮। সংবহনতন্ত্র
উপপ্রজাতি ।। Sub-Species ।। ড. সিদ্দিকি পাবলকিশেন্স
একটি প্রজাতির বিভিন্ন সদস্যদের মধ্যে অঙ্গসংস্থানিক পার্থক্য দেখা গেলে সে সব সদস্যকে ঐ প্রজাতির উপপ্রজাতি বলে। যেমন– খইয়া গোখরা– Naja naja naja, পদ্ম গোখরা– – Naja naja kauthia, উকুন– Pediculus humanus humanus, আফ্রিকান সিংহ– Panthera leo leo
প্রজাতির বৈশিষ্ট্য ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
১। প্রতিটি প্রজাতির বৈশিষ্ট্য স্বতন্ত্র।
২। প্রজাতি হলো একটি জিন ভান্ডারের আঁধার।
৩। সর্বদা পরিবেশের সাথে অভিযোজিত হওয়ার চেষ্টা করে।
৪। এরা পরস্পরের মধ্যে জিনের বিনিময় ঘটায়।
৫। এদের নতুন প্রজাতি সৃষ্টির ক্ষমতা আছে।
৬। একই প্রজাতির সদস্যদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা বেশি বৈশিষ্ট্যের মিল থাকে।
৭। একই প্রজাতির সদস্যরা নিজেদের মধ্যে যৌন মিলনের মাধ্যমে উর্বর সন্তান উৎপাদনে সক্ষম।
৮। এক প্রজাতির জীব অন্য প্রজাতির জীবের সাথে যৌন মিলনের মাধ্যমে উর্বর সন্তান উৎপাদনে অক্ষম। অস্বাভাবিক যৌন জননে ঘোড়া ও গাধার মিলনে খচ্চর এবং বাঘ ও সিংহের মিলনে লাইগার সৃষ্টি হয়।
৯। একই প্রজাতিভুক্ত বিভিন্ন জীবের মধ্যে বৈশিষ্ট্যের পার্থক্য থাকলেও তা হবে continuous বা নিরবচ্ছিন্ন।
১০। একটি প্রজাতিভুক্ত জীবসমুহ একই পূর্বপুরুষ থেকে উদ্ভূত।