সাধারণ বা বদ্ধ অস্থিভঙ্গ । সাধারণ বা বদ্ধ অস্থিভঙ্গের সংজ্ঞা, লক্ষণ ও চিকৎসা । Simple fracture

অস্থি ভেঙ্গে যদি মাংসের ভিতরেই থেকে যায় এবং বাইরে বের হয়ে আসে না তাকে সাধারণ অস্থিভঙ্গ বলে। অস্থি বেঁকে গেলে তাকে গ্রিনস্টিক অস্থিভঙ্গ (greenstick fracture) বলে। এক্ষেত্রে ভাঙ্গা অংশ ব্যান্ডেজ করে দিতে হয়। তবে অপারেশনের প্রয়োজন হয় না। ইহা সপ্তাহের মধ্যে নিরাময় হয়।

 

সাধারণ অস্থিভঙ্গের লক্ষণ

১। আঘাত প্রাপ্ত স্থান ফুলে যায়।

২। আঘাত প্রাপ্ত অঙ্গ নড়াচড়া করলে ব্যথা লাগে।

৩। আহত স্থানে সূঁচ ফুটানোর মতো ব্যথা অনুভূত হয়।

৪। প্রচন্ড ব্যথা হয়।

৫। সামান্য ভারী জিনিস তুলতে পারে না।

৬। হাত পা অসাড় হয়ে আসে।

৭। হাত বা পায়ের সন্ধির আকার পরিবর্তন হয়।

৮। রোগী অজ্ঞান হতে পারে।

 

সাধারণ অস্থিভঙ্গের প্রাথমিক চিকিৎসা

১। অস্থিভঙ্গের সঠিক স্থান মাত্রা চিহ্নিত করতে হবে।

২। ভাঙ্গা অঙ্গটি খুব সাবধানে সোজা করে রাখতে হবে।

৩। ভাঙ্গা অংশ টানাটানি করা যাবে না।

৪। দেহের উপরের অংশে ভাঙ্গলে রোগীকে শোয়াতে হবে এবং নিচের অংশ ভাঙ্গলে রোগীকে বসিয়ে দিতে হবে।

৫। ক্ষত স্থান পরিষ্কার রাখা।

৬। বরফ চাপা দেওয়া যেতে পারে।

৭। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ঢোলাঢেলা কাপড় পড়া।

৮। ভাঙ্গা অংশ স্পিন্ট বা বন্ধফলক দিয়ে বেঁধে দিতে হবে। 

৯। রক্ত প্রবাহ পরীক্ষা করতে হবে।

১০। ভাঙ্গা অঙ্গটি ১০ ইঞ্চি উঁচুতে রাখতে হবে।

১১। রোগীকে ব্যথানাশক ওষুধ খেতে হবে। 

১২। চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সাধারণ অস্থিভঙ্গের প্রাথমিক চিকিৎসা

১। অস্থিভঙ্গের সঠিক স্থান মাত্রা চিহ্নিত করতে হবে।

২। ভাঙ্গা অঙ্গটি খুব সাবধানে সোজা করে রাখতে হবে।

৩। ভাঙ্গা অংশ টানাটানি করা যাবে না।

৪। দেহের উপরের অংশে ভাঙ্গলে রোগীকে শোয়াতে হবে এবং নিচের অংশ ভাঙ্গলে রোগীকে বসিয়ে দিতে হবে।

৫। ক্ষত স্থান পরিষ্কার রাখা।

৬। বরফ চাপা দেওয়া যেতে পারে।

৭। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ঢোলাঢেলা কাপড় পড়া।

৮। ভাঙ্গা অংশ স্পিøন্ট বা বন্ধফলক দিয়ে বেঁধে দিতে হবে। 

৯। রক্ত প্রবাহ পরীক্ষা করতে হবে।

১০। ভাঙ্গা অঙ্গটি ১০ ইঞ্চি উঁচুতে রাখতে হবে।

১১। রোগীকে ব্যথানাশক ওষুধ খেতে হবে। 

১২। চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

 

সাধারণ অস্থিভঙ্গের লক্ষণ কী কী

১। আঘাত প্রাপ্ত স্থান ফুলে যায়।

২। আঘাত প্রাপ্ত অঙ্গ নড়াচড়া করলে ব্যথা লাগে।

৩। আহত স্থানে সূঁচ ফুটানোর মতো ব্যথা অনুভূত হয়।

৪। প্রচন্ড ব্যথা হয়।

৫। সামান্য ভারী জিনিস তুলতে পারে না।

৬। হাত পা অসাড় হয়ে আসে।

৭। হাত বা পায়ের সন্ধির আকার পরিবর্তন হয়।

৮। রোগী অজ্ঞান হতে পারে।

সাধারণ বা বদ্ধ অস্থিভঙ্গ কী । Simple fracture কী

অস্থি ভেঙ্গে যদি মাংসের ভিতরেই থেকে যায় এবং বাইরে বের হয়ে আসে না তাকে সাধারণ অস্থিভঙ্গ বলে। অস্থি বেঁকে গেলে তাকে গ্রিনস্টিক অস্থিভঙ্গ (greenstick fracture) বলে। এক্ষেত্রে ভাঙ্গা অংশ ব্যান্ডেজ করে দিতে হয়। তবে অপারেশনের প্রয়োজন হয় না। ইহা সপ্তাহের মধ্যে নিরাময় হয়।

অস্থিভঙ্গ কত প্রকার।

অস্থিভঙ্গ তিন প্রকার।

১। সাধারণ বা বদ্ধ অস্থিভঙ্গ

২। যৌগিক বা মুক্ত অস্থিভঙ্গ

৩। জটিল বা চাপা অস্থিভঙ্গ

অস্থিভঙ্গ কী । Bone fracture কী

বিভিন্ন দুর্ঘটনা বা আঘাতে দেহের কোন অস্থির ফেটে বা ভেঙ্গে যাওয়াকে অস্থিভঙ্গ বলে। চিকিৎসকগণ অস্থিভঙ্গকে FRX বা Fx সংকেত দ্বারা প্রকাশ করেন।

লিভারের শ্রেণীবিভাগ আালোচনা

লিভারকে তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে।

১। প্রথম শ্রেণীর লিভারঃ যে লিভারে ভার বলের মাঝখানে ফ্যালক্রাম থাকে তাকে প্রথম শ্রেণীর লিভার বলে। মানুষের করোটির সাথে মেরুদন্ডের ১ম কশেরুকা যুক্ত হয়ে প্রথম শ্রেণীর লিভার গঠন করে। লিভারের কারণে মাথা সামনে, পিছনে, উপরে এবং নিচে ঘোরানো যায়।

২। দ্বিতীয় শ্রেণীর লিভারঃ যে লিভারে ফ্যালক্রাম বলের মাঝখানে ভার থাকে তাকে দ্বিতীয় শ্রেণীর লিভার বলে। পায়ের আঙ্গুলির উপর ভর দিয়ে গোড়ালি উপরে উঠালে ২য় শ্রেণীর লিভার গঠিত হয়। লিভারের কারণে দ্রæ দৌড়ানো যায়।

৩। তৃতীয় শ্রেণীর লিভারঃ যে লিভারে ফ্যালক্রাম ভারের মাঝখানে বল থাকে তাকে তৃতীয় শ্রেণীর লিভার বলে। হাত দিয়ে কোন বস্তু উপরে উঠালে ৩য় শ্রেণীর লিভার গঠিত হয়। লিভারের কারণে অল্প শক্তিতে অধিক ভার উপরে উঠানো যায়।

লিভারের উপাদান কী কী

লিভারের উপাদান চারটি-
১। রডস বা বার
২। ফ্যালক্রাম বা পিভট – এর উপরে রডস ক্রিয়া করে
৩। ভার বা বস্তু – ইহা শক্তির বিরুদ্ধে সঞ্চালিত হয়
৪। বল – ইহা রডস এর সঞ্চালনে শক্তি যোগায়।

লিভার কী । কঙ্কালের কার্যক্রম এবং রডস ও লিভার তন্ত্র

হাত অথবা পা নড়াচড়ার সময় অস্থি পেশির মধ্যে যে আন্তঃক্রিয়া ঘটে তাকে লিভার বলে। অস্থি নড়াচড়া করতে যে শক্তি প্রয়োগ করা হয় তাকে ফালক্রাম বলে। কঙ্কাল সঞ্চালনের সময় পেশি টান বা বল প্রয়োগ করে। লিভারের যে বিন্দুতে বল প্রয়োগ করা হয় তাকে প্রচেষ্টা বাহু (effort arm) এবং যে বিন্দুতে বল প্রশমিত হয় তাকে প্রতিরোধী বাহু (resistance arm) বলে।