প্রাণীর চোখ, জিহ্বা, গলবিল প্রভৃতি স্থানে থাকে।
ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
01511483701
Educational Website
প্রাণীর চোখ, জিহ্বা, গলবিল প্রভৃতি স্থানে থাকে।
ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
01511483701
ইহা লম্বা ও নলাকার পেশী। এর দৈর্ঘ্য ১–৪ সেমি এবং ব্যাস ১০–৪০ মাইক্রোমিটার। কোষ গুলোকে সুক্ষ্ম তন্তুর মতো মনে হয় বলে একে পেশীতন্তু নামেও আখ্যায়িত করা হয়।
১। সারকোলেমাঃ পেশী কলা সারকোলেমা নামক আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে।
২। সারকোপ্লাজমঃ এর সাইটোপ্লাজমকে সারকোপ্লাজম বলে। সাইকোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে। কারণ এসব কোষে প্রচুর শক্তি প্রয়োজন হয়।
৩। নিউক্লিয়াসঃ প্রতিটি পেশিকোষে একাধিক নিউক্লিয়াস। ইহা কোষের জৈবিক কাজ করে।
৪। মায়োফাইব্রিলঃ কোষের দৈর্ঘ্য বরাবর মায়োফাইব্রিল তন্তু থাকে। মায়োফাইব্রিল তন্তুগুলো অ্যাকটিন ও মায়োসিন ফিলামেন্ট দ্বারা গঠিত। অ্যাকটিন ও মায়োসিন ফিলামেন্ট গুলোকে একত্রে সারকোমিয়ার বলে। মায়োফাইব্রিলে দুই ধরনের রেখা বা ব্যান্ড থাকে। অ্যানাইসোট্রপিক ব্যান্ড (A) এবং আইসোট্রপিক ব্যান্ড (I)। গাঢ় ব্যান্ড গুলোকে অ্যানাইসোট্রপিক বা A ব্যান্ড এবং হালকা ব্যান্ড গুলোকে আইসোট্রপিক বা I ব্যান্ড বলে।
৫। অনুপ্রস্থ রেখাঃ ঐচ্ছিক পেশীতে কতক গুলো অনুপ্রস্থ রেখা দেখা যায়। এ রেখা গুলোর জন্য একে রৈখিক পেশী বা চিহ্নিত পেশী বলা হয়।
৬। ফ্যাসিকুলাসঃ পেশিতন্তু গুলো গুচ্ছবদ্ধ ভাবে অবস্থান করে। প্রতিটি গুচ্ছকে ফ্যাসিকুলাস বলে। প্রতিটি ফ্যাসিকুলাস পেরিমাইসিয়াম দ্বারা আবৃত থাকে। অনেক গুলো ফ্যাসিকুলী মিলিত হয়ে বড় গুচ্ছ গঠন করে। প্রতিটি বড় গুচ্ছ এপিমাইসিয়াম দ্বারা আবৃত থাকে।
যে পেশীর কার্যাবলী প্রাণীর ইচ্ছা অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ঐচ্ছিক পেশী বলে। একে কঙ্কাল বা রৈখিক বা অমসৃন বা চিহ্নিত পেশীও বলা হয়। মানবদেহে ৬৫৬টি ঐচ্ছিক পেশি রয়েছে।
কাজ, অবস্থান ও গঠনের উপর ভিত্তি করে পেশীকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এ গুলো হলো–
১। ঐচ্ছিক বা রৈখিক বা অমসৃণ বা কঙ্কাল পেশি।
২। অনৈচ্ছিক বা অরৈখিক বা মসৃণ বা ভিসেরাল পেশি।
৩। হৃৎপেশি বা কার্ডিয়াক পেশি।
১। ভ্রুণীয় মেসোডার্ম থেকে উৎপত্তি লাভ করে।
২। ইহা সংকোচনে প্রসারণে সক্ষম।
৩। ইহা মায়োফাইব্রিল নামক অসংখ্য তন্তু দ্বারা গঠিত।
৪। ইহা সারকোলেমা নামক আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে।
৫। সারকোলেমার ভিতরে সারকোপ্লাজম থাকে।
৬। এতে ৭৫% পানি থাকে।
৭। প্রতিটি কোষে সুস্পষ্ট নিউক্লিয়াস বিদ্যমান।
৮। অন্তঃকোষীয় ফাঁকা স্থান বিভিন্ন কলা দ্বারা পূর্ণ থাকে।
ভ্রুণীয় মেসোডার্ম থেকে সৃষ্ট যে কলা সংকোচন–প্রসারণে সক্ষম এবং অসংখ্য তন্তু দ্বারা গঠিত হয় তাকে পেশী কলা বলে। মায়োজেনেসিস প্রক্রিয়ায় পেশিকলা সৃষ্টি হয়। দেহের মোট ওজনের ৪০% পেশি। এর কোষ সরু ও লম্বা বলে ফাইবার বা তন্তু নামে পরিচিত।
1. Cartilage resists the tension and stress of various organs.
2. Gives shape to various organs.
3. Joints help join two or more bones together.
4. Protects bones from frictional injuries.
5. Helps tendons and ligaments attach to bones.
6. A glycoprotein called lubricin in cartilage acts as a lubricant.
7. Forms the embryonic skeleton of vertebrates and the endoskeleton of fishes such as chondrichthys.
Cartilage is divided into 4 parts based on structure. These are-
This cartilage matrix contains a large amount of calcium carbonate. Its matrix is rock solid. It resides in the head of the humerus and femur.
The matrix of this cartilage is opaque and colorless. It has white fibers. The fibers are unbranched and arranged parallel and in clusters. It is covered by the perichondrium. It contains cavities called lacunae. Inside the lacunae are chondrocytes or chondroblasts. It lies between the joints and vertebrae.