অ্যাম্ফিবিয়া শ্রেণীর কয়েকটি প্রাণী ।। Amphibia ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

কুনো ব্যাঙDuttaphrynus melanostictus

গেছো ব্যাঙChiromantis simus

গেছো ব্যাঙHyla chinensis

সোনা ব্যাঙRana tigrina

উড়ক্কু ব্যাঙRhacophorus reinwardtii

সোনালী ব্যাঙPhyllobates terribilis

স্যালামান্ডারSalamandra maculosa

লাল স্যালামান্ডারPseudotriton ruber

সিলন সিসিলিয়নIchthyophi sglutinosus

ক্রেস্টেট নিউস্টTriturus cristatus

সাইরেনSiren lacertina

নেকচুরাসNecturus maculosus

টুয়াটারাSphenodon guntheri

ক্যামেলিয়নChamaeleo chamaeleon

অ্যাম্ফিবিয়া বিবর্তনের সাক্ষ্য বহন করে ।। Amphibia ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। ত্বক নগ্ন, গ্রন্থিময়, সিক্ত আঁইশবিহীন যা জল স্থল উভয় পরিবেশের জন্য সহায়ক।

২। লার্ভা দশায় ফুলকা এবং পুর্ণাঙ্গ ফুসফুস দ্বারা শ্বসন ঘটায়। একারণে জীবনের প্রথম অবস্থা পানিতে এবং পূর্ণাঙ্গ অবস্থা ডাঙায় অনায়াসে বাস করতে পারে।

৩। জোড়া করোটিক স্নায়ু থাকে যা উদ্দীপনা পরিবহন করে।

৪। হৃৎপিন্ড তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট, দুটি অলিন্দ এবং একটি নিলয়। বিবর্তনের ধারায় নিলয় দ্বিধা বিভক্ত হলে চার প্রকোষ্ঠে পরিনত হবে।

৫। চোখে তিনটি অক্ষিপল্লব থাকে। এতে চোখ সুরক্ষা পায়।

৬। অগ্রপদে ৪টি এবং পশ্চাৎ পদে ৫টি করে আঙ্গুল। আঙ্গুল থাকায় চলাচল সহজ হয়েছে।

৭। শীতল রক্তবিশিষ্ট বা এক্টোথার্মিক প্রাণী। হৃৎপিন্ড চার প্রকোষ্ঠে পরিনত হলে এরা উঞ্চ রক্তবিশিষ্ট বা এন্ডোথার্মিক প্রাণীতে রুপান্তরিত হবে।

৮। জীবনচক্রে ট্যাডপোল লাভা দশা বিদ্যমান। প্রথম পর্যায় পানিতে এবং পুর্ণাঙ্গ পর্যায় স্থলে বসবাস করে। অর্থাৎ দ্বৈত জীবনযাপন করে।

অ্যাম্ফিবিয়ার বৈশিষ্ট্য ।। Amphibia ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। দেহ ত্বক নগ্ন, গ্রন্থিময়, আঁইশবিহীন, মসৃন সিক্ত।

২। লার্ভা দশায় ফুলকা দ্বারা এবং পুর্ণাঙ্গ অবস্থায় ফুসফুস দ্বারা শ্বাস চালায়।

৩। অগ্রপদে ৪টি এবং পশ্চাৎ পদে ৫টি করে নখরবিহীন আঙ্গুল আছে।

৪। এরা শীতল রক্ত বিশিষ্ট এক্টোথার্মিক প্রাণী। অর্থাৎ পরিবেশের তাপমাত্রা উঠানামার সাথে এদের দেহের তাপমাত্রা পরিবর্তন হয়।

৫। জীবনের প্রথম পর্যায় পানিতে এবং পুর্ণাঙ্গ পর্যায় স্থলে বসবাস করে। অর্থাৎ এরা দ্বৈত জীবনযাপন করে।

৬। হৃৎপিন্ড তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট। হৃৎপিন্ড দুইটি অলিন্দ, একটি নিলয়, একটি সাইনাস ভেনাস একটি কোনাস আর্টেরিওসাস দ্বারা গঠিত।

৭। রেনাল হেপাটিক পোর্টালতন্ত্র উন্নত ধরনের।

৮। এদের দেহ মস্তক, গ্রীবা দেহকান্ডে বিভক্ত।

৯। মাথার করোটি দুইটি অক্সিপিটাল কন্ডাইল দ্বারা মেরুদন্ডের সাথে যুক্ত থাকে।

১০। স্নায়ুতন্ত্র তিনটি অংশে বিভক্ত। কেন্দ্রী, প্রান্তীয় এবং স্বয়ংক্রিয়। ১০ জোড়া করোটিক স্নায়ু থাকে।

১১। এরা একলিঙ্গিক প্রাণী। এদের বহিঃনিষেক ঘটে।

১২। এদের জীবনচক্রে ট্যাডপোল লার্ভা দশা বিদ্যমান।

[বৈশিষ্ট্য মনে রাখার প্রধান শব্দঃ ত্বক, ফুলকা, ফুসফুস, আঙ্গুল, এক্টোথার্মিক, দ্বৈত জীবন, হৃৎপিন্ড, হেপাটিক পোর্টালতন্ত্র, অক্সিপিটাল কন্ডাইল, স্নায়ুতন্ত্র, ট্যাডপোল]

অ্যাম্ফিবিয়া কী ।। Amphibia । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

গ্রিক শব্দ amphi অর্থ both বা উভয় এবং bios অর্থ life বা জীবন নিয়ে Amphibia শব্দটি গঠিত। এই শ্রেণীর প্রাণীরাই প্রথম স্থল ভাগ জয় করে। এরা ডাঙা এবং পানিতে বসবাস করে বলে উভচর নামে পরিচিত। বর্তমানে জীবিত উভচর প্রজাতির সংখ্যা ,৭০০। এদের মধ্যে লেজবিশিষ্ট উভচর প্রজাতি ৭১৫টি, পাবিহীন উভচর প্রজাতি ২০০টি এবং চার পাবিশিষ্ট উভচর প্রজাতি ,৭৮৫টি। বাংলাদেশে অ্যাম্ফিবিয়া শ্রেণীর ২টি বর্গ, ৪টি গোত্র, ৪৭টি ব্যাঙ এবং ২টি সিসিলিয়ান উভচর শনাক্ত করা হয়েছে।

মাছ কী ।। Fish ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

শীতল রক্তবিশিষ্ট জলজ মেরুদন্ডী প্রাণী যারা ফুলকার সাহায্যে ^সন সম্পন্ন করে এবঙ পাখনার সাহায্যে চলাচল করে তাদেরকে মাছ বলে। মিক্সিনি, সেফালোস্পিডোমর্ফি, কন্ড্রিকথিস, অ্যাকটিনোপটেরিজি সার্কোপটেরাইজিয়াই শ্রেণীর প্রাণীরা মাছ নামে পরিচিত।

ডাইফিসার্কাল কী ।। Diphycercal ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

মাছের পুচ্ছ পাখনার খন্ড দুটি একীভূত হয়ে অভিন্ন নমনীয় পাখনা গঠন করলে তাকে ডাইফিসার্কাল বলে। সার্কোপটেরাইজিয়াই শ্রেণীর মাছে ডাইফিসার্কাল থাকে। যেমনLatimeria chalumnae

গ্যানয়েড আঁইশ কী ।। Ganoid scale ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

অস্থিময় মাছের দেহে রম্বস আকৃতির পাতলা পাতের মতো যে আঁইশ থাকে তাকে গ্যানয়েড আঁইশ বলে। একে কসময়েড আঁইশও বলা হয়। ইহা কসমিন (cosmine) দ্বারা গঠিত। ইহা গ্যানয়ন নামক এনামেল দ্বারা আবৃত থাকে।

লাং ফিশ কী ।। Lung fish ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

যে সব মাছের পটকা বা বায়ুথলী ফুসফুসে রুপান্তরিত হয়েছে তাদেরকে লাং ফিশ বলে। লাং ফিশ সার্কোপটেরাইজিয়াই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত মাছ। যেমনNeoceratodus forsteri

সার্কোপটেরাইজিয়াই শ্রেণীর কয়েকটি মাছ, উদাহরণ ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

সিলাকান্থLatimeria chalumnae

অস্ট্রেলিয়ান ল্যাং ফিসNeoceratodus forsteri

আফ্রিকান ল্যাং ফিসProtopterus onnectens

দক্ষিণ আমেরিকান লাংফিশLepidosiren paradoxa

 

সার্কোপটেরাইজিয়াই বিবর্তনের সাক্ষ্য বহন করে ।। Sarcopterygii ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। এদের অন্তঃকঙ্কাল অস্থি নির্মিত। তাই দেহকাঠামো উন্নত গঠনের।

২। দেহ গ্যানয়েড বা কসময়েড আঁইশ দ্বারা আবৃত। ইহা বহিঃকঙ্কাল হিসেবে কাজ করে।

৩। দেহে মাংসাল খন্ডক বিশিষ্ট যুগ্ন পাখনা থাকে যা চলাচলের জন্য উপযুক্ত।

৪। এদের পুচ্ছ পাখনা ডাইফিসার্কাল প্রকৃতির। ইহা চলন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে।

৫। এদের চোয়ালের দাঁত থাকে। দাঁত গুলো এনামেল দ্বারা আবৃত থাকে

৬। দেহে বায়ু থলী বা পটকা বিদ্যমান। এতে বায়ু জমা থাকে এবং মাছকে ভেসে থাকতে এবং ^সনে সাহায্য করে।

৭। এরা একলিঙ্গ প্রাণী এবং বহিঃনিষেক বা অন্তঃনিষেক ঘটে