১। দেহ ত্বক নগ্ন, গ্রন্থিময়, আঁইশবিহীন, মসৃন ও সিক্ত।
২। লার্ভা দশায় ফুলকা দ্বারা এবং পুর্ণাঙ্গ অবস্থায় ফুসফুস দ্বারা শ্বাস চালায়।
৩। অগ্রপদে ৪টি এবং পশ্চাৎ পদে ৫টি করে নখরবিহীন আঙ্গুল আছে।
৪। এরা শীতল রক্ত বিশিষ্ট এক্টোথার্মিক প্রাণী। অর্থাৎ পরিবেশের তাপমাত্রা উঠা–নামার সাথে এদের দেহের তাপমাত্রা পরিবর্তন হয়।
৫। জীবনের প্রথম পর্যায় পানিতে এবং পুর্ণাঙ্গ পর্যায় স্থলে বসবাস করে। অর্থাৎ এরা দ্বৈত জীবনযাপন করে।
৬। হৃৎপিন্ড তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট। হৃৎপিন্ড দুইটি অলিন্দ, একটি নিলয়, একটি সাইনাস ভেনাস ও একটি কোনাস আর্টেরিওসাস দ্বারা গঠিত।
৭। রেনাল ও হেপাটিক পোর্টালতন্ত্র উন্নত ধরনের।
৮। এদের দেহ মস্তক, গ্রীবা ও দেহকান্ডে বিভক্ত।
৯। মাথার করোটি দুইটি অক্সিপিটাল কন্ডাইল দ্বারা মেরুদন্ডের সাথে যুক্ত থাকে।
১০। স্নায়ুতন্ত্র তিনটি অংশে বিভক্ত। কেন্দ্রী, প্রান্তীয় এবং স্বয়ংক্রিয়। ১০ জোড়া করোটিক স্নায়ু থাকে।
১১। এরা একলিঙ্গিক প্রাণী। এদের বহিঃনিষেক ঘটে।
১২। এদের জীবনচক্রে ট্যাডপোল লার্ভা দশা বিদ্যমান।
[বৈশিষ্ট্য মনে রাখার প্রধান শব্দঃ ত্বক, ফুলকা, ফুসফুস, আঙ্গুল, এক্টোথার্মিক, দ্বৈত জীবন, হৃৎপিন্ড, হেপাটিক পোর্টালতন্ত্র, অক্সিপিটাল কন্ডাইল, স্নায়ুতন্ত্র, ট্যাডপোল]