যে সব মাছের মুখের আকৃতি কুকুরের মুখের মতো তাদেরকে কুকুর মাছ বা ডগ ফিশ বলে। এদের চোয়ালে ধারালো দাঁত থাকে। ডগ ফিশ কন্ড্রিকথিস শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। যেমন- Scoliodon laticaudus।
Category: Biology Second Paper
হেটারোসার্কাল কী ।। Heterocercal ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
মাছের পুচ্ছ পাখনার খন্ড দু’টি সমান না হলে তাকে হেটারোসার্কাল বলে। কন্ড্রিকথিস মাছে হেটারোসার্কাল থাকে। যেমন- Scoliodon laticaudus।
প্ল্যাকয়েড আঁইশ কী । Placoid scale । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
তরুণাস্থিময় মাছের ত্বকে যে আণুবীক্ষণিক আঁইশ থাকে তাকে প্ল্যাকয়েড আঁইশ বলে। ইহা একটি ত্রিকোণাকার প্লেট ত্বক থেকে সৃষ্টি হয়। এতে তিনটি সূ² কাঁটা থাকে। যেমন- Scoliodon laticaudus।
কন্ড্রিকথিস শ্রেণীর কয়েকটি প্রাণী, উদাহরণ ।। Chondrichthyes ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
হাঙ্গর- Scoliodon sorrakowah
থুট্রি হাঙ্গর- Scoliodon laticaudus
হাতুড়ি হাঙ্গর- Eusphyra blochii
করাত মাছ- Pristis pectinata
র্যাটফিশ- Hydrologus collei
গিটার মাছ- Rhinobatos rhinobatos
রাজা- Raja raja
স্টিং রে- Plesiobatis daviesi
ইলেকট্রিক মাছ- Torpedo torpedo
শে^তী স্কেটস- Rostroraja alba
কন্ড্রিকথিস-এর বৈশিষ্ট্য ।। Chondrichthyes ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
১। এদের দেহ চ্যাপ্টা বা মাকু আকৃতির। এরা চোয়ালযুক্ত প্রাণী।
২। এদের অন্তঃকঙ্কাল তরুণাস্থি নির্মিত।
৩। এদের দেহ ত্বক শক্ত ও কঠিন।
৪। দেহ প্ল্যাকয়েড আঁইশ দ্বারা আবৃত।
৫। মাথার দুপাশে ৫-৭ জোড়া ফুলকা রন্ধ্র থাকে।
৬। এদের কানকো থাকে না।
৭। মুখছিদ্র ও নাসারন্ধ্র অঙ্কীয়তলে অবস্থিত। চোয়ালে অসংখ্য সারি বদ্ধ প্ল্যাকয়ডাল দাঁত থাকে।
৮। দেহে বায়ু থলী বা পটকা থাকে না।
৯। পরিপাকতন্ত্রে J আকৃতির পাকস্থলী, সর্পিল কপাটিকা যুক্ত অন্ত্র এবং চর্বিযুক্ত যকৃত থাকে।
১০। এদের হৃৎপিন্ড দুই প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট এবং ভেনাস হার্ট নামে পরিচিত।
১১। পুচ্ছ পাখনা হেটারোসার্কাল ধরনের। অর্থাৎ পুচ্ছ পাখনা দুইটি অসমান অংশে বিভক্ত।
১২। পুরুষ মাছে শ্রোণী পাখনা রুপান্তরিত হয়ে সঙ্গম অঙ্গ ক্লাসপার গঠন করে।
১৩। এরা একলিঙ্গিক প্রাণী। অন্তঃনিষেক ঘটে। প্রত্যক্ষ পরিস্ফুটন। এরা ডিম্বজ, ডিম্বজরায়ুজ বা জরায়ুজ।
[বৈশিষ্ট্য মনে রাখার প্রধান শব্দঃ চ্যাপ্টা, তরুণাস্থি, প্ল্যাকয়েড, ফুলকারন্ধ্র, কানকো, পটকা, হেটারোসার্কাল, ক্লাসপার]
কন্ড্রিকথিস কী। তরুণাস্থিময় মাছ । Chondrichthyes । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
গ্রিক শব্দ chondros অর্থ cartilage বা তরুণাস্থি এবং ichthys অর্থ fish বা মাছ নিয়ে Chondrichthyes শব্দটি গঠিত। তরুণাস্থি বা কোমলাস্থিবিশিষ্ট মাছ কন্ড্রিকথিস শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। এরা সামুদ্রিক এবং মাংসাশী প্রাণী। এদের প্রজাতি সংখ্যা ১,২০৭।
ন্যাথোস্টোমাটা কী । Gnathostomata। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
গ্রিক শব্দ gnathos অর্থ jaw বা চোয়াল এবং stoma অর্থ mouth বা মুখ নিয়ে Gnathostomata শব্দটি গঠিত। চোয়ালযুক্ত মেরুদন্ডীদেরকে Gnathostomata বলা হয়। জীবিত মাছ, উভচর, সরীসৃপ, পাখি, স্তন্যপায়ী এবং বিলুপ্ত প্লাকোডার্ম ন্যাথোস্টোমাটার অন্তর্ভুক্ত। এর প্রজাতি সংখ্যা ৬০,০০০। ন্যাথোস্টোমাটা ৭টি শ্রেণী নিয়ে গঠিত। এগুলো হলো– কন্ড্রিকথিস, অ্যাকটিনোপটোরিজি, সার্কোটেরাইজিয়াই, অ্যাম্ফিবিয়া, রেপটাইলিয়া, অ্যাভিস ও ম্যামালিয়া।
পেট্রোমাইজনটিডা ।। সেফালোস্পিডোমর্ফি ।। পেট্রোমাইজনটিডার বৈশিষ্ট্য । Petromyzontida । ডি. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
গ্রিক শব্দ petros অর্থ stone বা পাথর এবং myzon অর্থ sucking বা চোষন নিয়ে Petromyzontida শব্দটি গঠিত। এরা ল্যামপ্রে (lamprey) নামে পরিচিত। সমুদ্র, মোহনায় এবং মিঠাপানিতে বাস করে। মৃতদেহ বা পচা বস্তুর সাথে লেগে থাকে। ল্যারিংক্স দিয়ে সাকশন পুল তৈরী করে পচা বস্তুকে মুখের ভিতরে টেনে নেয়। বয়স্ক প্রাণীরা জীবিত মাছের রক্ত চুষে খেতে পারে। এদের প্রজাতির সংখ্যা ৪১।
পেট্রোমাইজনটিডার বৈশিষ্ট্য
১। এদের দেহ সরু, লম্বাটে এবং জোড়া পাখনাবিহীন। লম্বা ১৩-১০০ সেমি।
২। এরা দেখতে ইল বা বাইন মাছের মতো।
৩। দেহ সবল প্রকৃতির এবং আঁইশবিহীন।
৪। এদের মেরুদন্ডে নটোকর্ড ও নিউরাল নালি (হবঁৎধষ পধহধষ) থাকে।
৫। মুখে চোষনক্ষম চুঙ্গি এবং কেরাটিন যুক্ত (হর্ণি) দাঁত থাকে।
৬। এদের সাত জোড়া ফুলকারন্ধ্র থাকে।
৭। নাসিকা থলি মুখগহ্বরে উন্মুক্ত নয়।
৮। এরা সামুদ্রিক হলেও ডিম ছাড়ার জন্য মিঠা পানিতে আসে এবং ডিম ছাড়ার কয়েক দিনের মধ্যেই মারা যায়।
৯। এরা ল্যাম্প্রে নামে পরিচিত।
১০। পরিপাকতন্ত্রে পাকস্থলী থাকে না এবং অন্ত্রে সর্পিল কপাটিকা থাকে।১১। বহিঃনিষেক ঘটে। জীবনচক্রে অ্যামোসিট লার্ভা দেখা যায়।
১২। যুগ্ন উপাঙ্গ ও বহিঃকঙ্কাল অনুপস্থিত। পৃষ্ঠীয় পাখনা ও পুচ্ছ পাখনা থাকে।
[বৈশিষ্ট্য মনে রাখার প্রধান শব্দঃ বাইন, আঁইশবিহীন, চুঙ্গি, কেরাটিন, ফুলকারন্ধ্র, ল্যাম্প্রে, অ্যামোসিট]উদাহরণঃ পেট্রোমাইজন (Petromyzon marinus), ল্যাম্পেট্রা (Lampetra tridentatus).
পেট্রোমাইজনটিডার বৈশিষ্ট্য ।। Petromyzontida ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
১। এদের দেহ সরু, লম্বাটে এবং জোড়া পাখনাবিহীন। লম্বা ১৩-১০০ সেমি।
২। এরা দেখতে ইল বা বাইন মাছের মতো।
৩। দেহ সবল প্রকৃতির এবং আঁইশবিহীন।
৪। এদের মেরুদন্ডে নটোকর্ড ও নিউরাল নালি (হবঁৎধষ পধহধষ) থাকে।
৫। মুখে চোষনক্ষম চুঙ্গি এবং কেরাটিন যুক্ত (হর্ণি) দাঁত থাকে।
৬। এদের সাত জোড়া ফুলকারন্ধ্র থাকে।
৭। নাসিকা থলি মুখগহ্বরে উন্মুক্ত নয়।
৮। এরা সামুদ্রিক হলেও ডিম ছাড়ার জন্য মিঠা পানিতে আসে এবং ডিম ছাড়ার কয়েক দিনের মধ্যেই মারা যায়।
৯। এরা ল্যাম্প্রে নামে পরিচিত।
১০। পরিপাকতন্ত্রে পাকস্থলী থাকে না এবং অন্ত্রে সর্পিল কপাটিকা থাকে।১১। বহিঃনিষেক ঘটে। জীবনচক্রে অ্যামোসিট লার্ভা দেখা যায়।
১২। যুগ্ন উপাঙ্গ ও বহিঃকঙ্কাল অনুপস্থিত। পৃষ্ঠীয় পাখনা ও পুচ্ছ পাখনা থাকে।
[বৈশিষ্ট্য মনে রাখার প্রধান শব্দঃ বাইন, আঁইশবিহীন, চুঙ্গি, কেরাটিন, ফুলকারন্ধ্র, ল্যাম্প্রে, অ্যামোসিট]
উদাহরণঃ পেট্রোমাইজন (Petromyzon marinus), ল্যাম্পেট্রা (Lampetra tridentatus).
পেট্রোমাইজনটিডা ।। সেফালোস্পিডোমর্ফি ।। Petromyzontida ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
গ্রিক শব্দ petros অর্থ stone বা পাথর এবং myzon অর্থ sucking বা চোষন নিয়ে Petromyzontida শব্দটি গঠিত। এরা ল্যামপ্রে (lamprey) নামে পরিচিত। সমুদ্র, মোহনায় এবং মিঠাপানিতে বাস করে। মৃতদেহ বা পচা বস্তুর সাথে লেগে থাকে। ল্যারিংক্স দিয়ে সাকশন পুল তৈরী করে পচা বস্তুকে মুখের ভিতরে টেনে নেয়। বয়স্ক প্রাণীরা জীবিত মাছের রক্ত চুষে খেতে পারে। এদের প্রজাতির সংখ্যা ৪১।