প্ল্যাটিহেলমিনথিস পর্বের বৈশিষ্ট্য ।। Platyhelminthes ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

গ্রীক শব্দ platy অর্থ চ্যাপ্টা এবং helminth অর্থ কৃমি নিয়ে Platyhelminthes শব্দটি গঠিত। এ পর্বের প্রাণিরা চ্যাপ্টাকৃমি বা ফিতাকৃমি নামে পরিচিত। এ পর্বের প্রজাতি সংখ্যা প্রায় ২৯,৪৮৭টি। Platyhelminthes পর্বটির নামকরণ করেন বিজ্ঞানী গগেনবার (Gagenbaur, ১৮৫৯)। গণের কয়েকটি চ্যাপ্টাকৃমি মানুষের সিস্টোসোমাসিস বা শামুক জ্বর (snail fever) রোগ সৃষ্টি করে।

 

প্ল্যাটিহেলমিনথিস পর্বের বৈশিষ্ট্য

১। এরা ট্রিপ্লোব্লাস্টিক প্রাণী। অর্থাৎ দেহে এক্টোডার্ম, এন্ডোডাম ও মেসোডার্ম নামক কোষ স্তর থাকে।

২। দেহ দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম এবং পাতা বা ফিতার মতো চ্যাপ্টা।

৩। এরা অ্যাসিলোমেট। বিভিন্ন অঙ্গের ফাঁকে ফাঁকে প্যারেনকাইমা বা কোলেনকাইমা কোষ থাকে।

৪। দেহ ত্বক নরম, সিলোমবিহীন সিলিয়া বা কিউটিকল যুক্ত।

৫। মুখে চোষক অথবা হুক অথবা প্রোগ্লোটিড থাকে।

৬। রেচনতন্ত্র শিখাকোষ বা ফ্লেম সেল দ্বারা গঠিত।

৭। স্নায়ুতন্ত্র মই সদৃশ এবং গ্যাংলিয়া ও অঙ্কীয় স্নায়ুরজ্জু নিয়ে গঠিত।

৮। এদের এপিডার্মিস বা আবরণী কলা সিনসাইসিয়াল দ্বারা গঠিত।

৯। রক্ত সংবহণতন্ত্র ও শ্বসনতন্ত্র অনুপস্থিত।

১০। পৌষ্টিকতন্ত্র অসম্পুর্ণ, শাখাযুক্ত এবং মুখ, গলবিল ও অন্ত্র দ্বারা গঠিত। পায়ু ছিদ্র থাকে না।

১১। এদের স্বনিষেক ঘটে। জীবনচক্রে রেডিয়া, সারকোরিয়া, স্পোরোসিস্ট, সিস্টিসারকাস প্রভৃতি লার্ভা থাকে।

 

[বৈশিষ্ট্য মনে রাখার প্রধান শব্দঃ ট্রিপ্লোব্লাস্টিক, চ্যাপ্টা, প্যারেনকাইমা, স্বনিষেক, চোষক, হুক, শিখাকোষ, সিনসাইসিয়াল]

নিডারিয়া পর্বের কয়েকটি প্রাণী, উদাহরণ । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

হাইড্রা- Hydra vulgaris
ক্লোরোহাইড্রা- Chlorohydra viridissima
জেলি ফিস- Aurelia aurita
পর্তুগীজ যুদ্ধ মানব- Physalia physalis
অ্যাডামশিয়া- Adamsia palliata
ওবেলিয়া- Obelia geniculata
সমুদ্র পাখা- Gorgonia ventilina
সমুদ্র পালক- Pennatula aculeata
সাগর কুসুম- Metridium senile
ক্যারিডিয়া- Carybdea alata
সায়ানিয়া- Cyanea capillata
চিরোনেক্স- Chironex fleckeri
ব্রেইন কোরাল- Meandrina meandrites
গর্গোনিয়া- Gorgonia verrucosa
লাল প্রবাল- Corallium rubrum
কামানগোলা জেলি- Stomolophus meleagris

নিডারিয়া পর্বের শ্রেণীবিভাগ ।। Classification ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

Cnidaria পর্বকে ৪টি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে।
১। হাইড্রোজোয়াঃ এরা পানিতে বাস করে। জীবনচক্রে পলিপ বা মেডুসা দশা দেখা যায়। মেসোগ্লিয়া কোষবিহীন। এক্টোডার্ম থেকে জননাঙ্গ উৎপন্ন হয়। যেমন- Hydra viridis, Obelia geniculata।
২। স্কাইফোজোয়াঃ এরা কাপ বা ঘন্টা বা ছাতা আকৃতির প্রাণী। জীবনচক্রে মেডুসা দশা প্রধান। এন্ডোডার্ম থেকে জননাঙ্গ উৎপন্ন হয়। মেসোগ্লিয়া বৃহৎ আকৃতির এবং কোষ ও তন্তু দ্বারা গঠিত। যেমন- Aurelia aurita
৩। কুবোজোয়াঃ এরা ঝড়-বৃষ্টির মতো প্রাণী। এদের মেডুসা দশাই প্রধান। যেমন- Metridium
৪। অ্যানথোজোয়াঃ এরা ফুল আকৃতির প্রাণী। জীবনচক্রে পলিপ দশা উপস্থিত। মেসোগ্লিয়া তন্তুময় যোজক কলা দ্বারা গঠিত। এন্ডোডার্ম থেকে জননাঙ্গ উৎপন্ন হয়। যেমন- Metridium senil, Gorgoni verrucosa.

নিডারিয়া পর্বের বৈশিষ্ট্য ।। Cnidaria ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

গ্রীক শব্দ knide অর্থ কাঁটা এবং ল্যাটিন শব্দ area অর্থ সংযুক্ত নিয়ে Cnidaria শব্দটি গঠিত। নিডারিয়ানদের সমুদ্রের ফুল (flower of the sea) বলা হয়। নিডারিয়া পর্বের পূর্ব নাম সিলেনটেরাটা। এ পর্বের প্রাণী সামুদ্রিক বল্লা (Chironex fleckeri) হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত জেলিফিশ (ইহা ৬৭ জন মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে)। এ পর্বের প্রাণীরা সমুদ্রের তলদেশে ট্রপিক্যাল রেইন ফরেস্ট (Rain forest)-এর মতো কলোনী গঠন করে। এরা প্রবাল বা প্রবাল-প্রাচীর গঠন করে। এ পর্বের প্রজাতি সংখ্যা প্রায় ১০,২০৩টি। Cnidaria পর্বের নামকরণ করেন বিজ্ঞানী Leuckart (১৮৪৭)।

নিডারিয়া পর্বের বৈশিষ্ট্য
১। এরা ডিপ্লোব্লাস্টিক প্রাণী। অর্থাৎ এদের কোষে এক্টোডার্ম ও এন্ডোডার্ম নামক দুটি কোষস্তর থাকে।
২। এক্টোডার্ম ও এন্ডোডার্মের মাঝে মেসোগিøয়া নামক একটি অকোষীয় স্তর থাকে।
৩। এদের দেহাকৃতি ফিলামেন্টাস, নালিকা সদৃশ এবং ছাতাকৃতির।
৪। দেহে নিডোব্লাস্ট কোষ থাকে, যা নিমাটোসিস্ট বহন করে।
৫। গ্যাস্ট্রোভাস্কুলার বা সিলেন্টেরন নামক দেহ গহ্বর থাকে। সিলেনন্টেরনকে পরিপাক পরিবহন নালি বলা হয়। ইহা মুখছিদ্র ও পায়ু হিসেবে কাজ করে এবং পরিপাক ও পরিবহনে অংশ নেয়।
৬। কোষীয় ও আঙ্গিক শ্রমবন্টন দেখা যায়।
৭। জীবনচক্রে জনুঃক্রম, মেটাজেনেসিস ও বহুরুপতা দেখা যায় দেখা যায়।
৮। জীবনচক্রে নিশ্চল পলিপ দশা এবং সচল মেডুসা দশা বিদ্যমান।
৯। দেহে অঙ্গতন্ত্র, শ^সনতন্ত্র ও সংবহনতন্ত্র নাই। স্নায়ুতন্ত্র অনুন্নত ধরনের।
১০। এরা বহুকোষী, অরীয় প্রতিসম এবং মস্তকবিহীন।
১১। খাদ্য বস্তু বহিঃকোষীয় ও অন্তঃকোষীয় ভাবে পরিপাক হয়।
১২। সিলিয়াযুক্ত প্লানুলা লার্ভার মাধ্যমে পরিস্ফুরণ ঘটে।
১৩। বিশ প্রজাতির নিডারিয়া স্বাদু পানির। অবশিষ্ট নিডারিয়া সামুদ্রিক।
বৈশিষ্ট্য মনে রাখার প্রধান শব্দঃ ডিপ্লোব্লাস্টিক, মেসোগিøয়া, নিডোব্লাস্ট, সিলেন্টেরন, শ্রমবন্টন, মেটাজেনেসিস, বহুরুপতা, পলিপ, মেডুসা]

অস্টিয়া । Ostia । স্পঞ্জোসিল । spongocoel । কোয়ানোসাইট । Choanocyte । স্পিকিউল । Spicule । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

অস্টিয়া (Ostia)ঃ Ostia অর্থ ছিদ্র। পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের দেহের বহির্ভাগে যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে তাকে অস্টিয়া বলে। অস্টিয়ার মধ্য দিয়ে দেহে পানি প্রবেশ করে। যেমন- স্কাইফা (Scypha gelatinosum)।

স্পঞ্জোসিল (spongocoel)ঃ স্পঞ্জোসিলকে প্যারাগ্যাস্ট্রিক গহŸর বলা হয়। পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের দেহগহŸরকে স্পঞ্জোসিল বলে। স্পঞ্জোসিলের মুখছিদ্রকে অসক্যুলাম (osculum) বলে। স্পঞ্জোসিল পানি ধারণ করে এবং অসক্যুলামের মধ্য দিয়ে পানি দেহের বাইরে নির্গত হয়। যেমন- স্পঞ্জিলা (Spongilla lacustris)।

কোয়ানোসাইট (Choanocyte)ঃ পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের দেহে কলসি আকৃতির ফ্ল্যাজেলাযুক্ত যে কোষ থাকে তাকে কোয়ানোসাইট বলে। ইহা নালিতন্ত্রের প্রাচীরের গহŸরে থাকে। ইহা পানির স্রোত নিয়ন্ত্রণ করে।

স্পিকিউল (Spicule)ঃ যে সব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কাঁটা পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের দেহকাঠামো গঠন করে তাকে স্পিকিউল বলে। ইহা চুন বা সিলিকা দ্বারা গঠিত। ইহা কঠিন প্রকৃতির বস্তু। নেপচুন কাপ (Poterion neptuni)।

পরিফেরা পর্বের উদাহরণ ।। পরিফেরা পর্বের কয়েকটি প্রাণী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

স্কাইফা-Scypha gelatinosum
স্পঞ্জিলা-Spongilla lacustris
বাথ স্পঞ্জ-Spongilla officinalis
মিঠাপানির স্পঞ্জ-Spongilla proliferan
ক্ল্যাথ্রিনা- Clathrina lacunosa
লিউকোসোলেনিয়া-Leucosolenia complicata
ইউপ্লেকটেলা-Euplectella aspergillus
চালিনা-Chalina oculata
হায়ালোনেমা- Hyalonema longissimum
ইউস্পঞ্জিয়া- Euspongia officinalis
চিওনা- Chiona celata
গ্রানসিয়া-Grantia compressa
নেপচুন কাপ- Poterion neptuni

পরিফেরা পর্বের শ্রেণীবিভাগ ।। Porifera Classification ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

Porifera পর্বকে ৩টি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে।
১। ক্যালকারিয়াঃ এরা আকারে ছোট এবং ফ্যাকাশে রঙের। স্পঞ্জিন কম থাকে। এদের কঙ্কাল ক্যালসিয়াম কার্বনেট দ্বারা গঠিত। এরা বেশ ভঙ্গুর প্রকৃতির। যেমন- Sycon gelatinosum।
২। হেক্সাক্টিনেলিডাঃ এরা কাপ বা ফুলদানী আকৃতির স্পঞ্জ। আকারে বড়। এদের স্পিকিউল সিলিকা নির্মিত। এক্সোপিনাকোডার্ম অনুপস্থিত। যেমন- Euplectella aspergillus.
৩ ডেমোস্পঞ্জিঃ এরা দেখতে কাপ বা ফুলদানীর মতো এবং বড়। এদের কোয়ানোসাইট সরু। স্পিকিউল সিলিকা নির্মিত। যেমন- Spongilla locustris.

পরিফেরা ।। পরিফেরা পর্বের বৈশিষ্ট্য ।। Porifera ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

ল্যাটিন শব্দ porous অর্থ ছিদ্র এবং ferro অর্থ বহনকারী নিয়ে Porifera শব্দটি গঠিত। এদেরকে ছিদ্র বহনকারী প্রাণি বলা হয়। এ পর্বের প্রাণীরা স্পঞ্জ নামে পরিচিত। এই পর্বের প্রাণীদেরকে লিভিং পাম্প (living pump) বলা হয়। এ পর্বের প্রজাতি সংখ্যা প্রায় ৮,৬৫৯টি। Robert Grant (১৮৩৬) এ পর্বের নাম দেন Porifera।

পরিফেরা পর্বের বৈশিষ্ট্য

১। এরা সরলতম বহুকোষী প্রাণী এবং চলাচলে অক্ষম।

২। এদের দেহ প্রাচীরে অস্টিয়া নামক অসংখ্য ছিদ্র আছে।

৩। দেহে কোয়ানোসাইট নামক ফ্ল্যাজেলাযুক্ত কোষ আছে।

৪। দেহে স্পঞ্জোসিল বা প্যারাগ্যাস্ট্রিক নামক গহŸর আছে। প্রতিটি স্পঞ্জোসিলে অসক্যুলাম নমক একটি করে ছিদ্র পথ থাকে।

৫। দেহে সুগঠিত কলা, অঙ্গ বা তন্ত্র নাই।

৬। এদের দেহে নালিকা তন্ত্র আছে। ক্যানাল সিস্টেম তিন ধরনের। অ্যাসকন টাইপ, সাইকন টাইপ এবং লিউকন টাইপ। ইহা শ্বসন ও পানি প্রবাহের কাজ করে।

৭। স্পিকিউল  বা স্পঞ্জতন্তু দ্বারা অন্তঃকংকাল গঠিত। স্পিকিউল চুন দ্বারা এবং স্পঞ্জি কোলাজেন প্রোটিন দ্বারা গঠিত।

৮। দেহ প্রাচীরে ৩টি স্তর থাকে। বাইরের দিকে পিনোকোডার্ম, মাঝখানে মেসেনকাইম  এবং ভিতরে কোয়ানোডার্ম।

৯। দেহ প্রাচীরের মাঝখানের মাতৃকায় মেসোহিল নামক জিলাটিনাস প্রোটিন থাকে। এই মাতৃকা অ্যামিবোসাইট এবং কঙ্কাল বস্তু ধারণ করে।

৯। অস্টিয়া পথে পানি স্রোতের মাধ্যমে খাদ্য, অক্সিজেন ও শুক্রাণু প্রবেশ করে।

১০। এরা উভয়লিঙ্গ এবং যৌন ও অযৌন জনন  ঘটে। কুঁড়ি বা গেমিউল দ্বারা অযৌন জনন ঘটে।

১১। জীবনচক্রে অ্যাম্ফিব্লাস্টুলা অথবা প্যারেনকাইমুলা লার্ভা দেখা যায়।

[বৈশিষ্ট্য মুখস্ত রাখার প্রধান শব্দঃ অস্টিয়া, কোয়ানোসাইট, স্পঞ্জোসিল, ক্যানাল সিস্টেম, স্পিকিউল, মেসোহিল অ্যাম্ফিব্লাস্টুলা, প্যারেনকাইমুলা]

নন-কর্ডাটা ।। নন-কর্ডাটার বৈশিষ্ট্য । Non Chordata । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

যে সব প্রাণিদের নটোকর্ড থাকে না তাদেরকে ননকর্ডাটা বলে। পৃথিবীতে ননকর্ডাটার সংখ্যা প্রায় ৯৫৯৭% ননকর্ডাটার বৈশিষ্ট্য হলো

১। নটোকর্ড অনুপস্থিত।

২। স্নায়ুরজ্জু (Nerve cord) গ্রন্থিযুক্ত, অঙ্কীয় নিরেট

৩। হিমোগ্লোবিন রক্তরসে থাকে।

৪। হেপাটিক পোর্টালতন্ত্র  থাকে না।

৫। ত্বক হতে চক্ষু সৃষ্টি হয়েছে।

৬। রক্ত সংবহনতন্ত্র পৃষ্ঠীয়।

৭। ফুলকারন্ধ্র এবং লেজ থাকে না।

৮। প্রকৃত লেজ এবং অন্তঃকঙ্কাল অনুপস্থিত।

৯। উপাঙ্গ থাকলে দুই জোড়ার বেশি থাকে।

১০। পায়ু পশ্চাৎ লেজে থাকে না।

১১। পৌষ্টিকনালির পৃষ্ঠদেশে হৃদযন্ত্র উপস্থিত বা অনুপস্থিত

প্রাণীজগতের শ্রেণীবিন্যাস ।। Classification of Animalia ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

সুইডিশ প্রকৃতিবিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস প্রাণীজগতকে ৩টি দলে ভাগ করেছেন। Primates, Secundates এবং Tertiates| Tertiates কে ৫টি শ্রেণীতে বিভক্ত করেছেন। ভার্মিস, ইনসেক্টা, পিসেস, অ্যাম্ফিবিয়া এবং অ্যাভিস।

Hickman et al. (2017) রচিত ইন্টেগ্র্যাটেড প্রিন্সিপল অফ জুওলোজি (Integrated Principles of Zoology) পুস্তকের বর্ণনায় প্রাণীজগতকে দুইটি পর্বে ভাগ করা হয়েছে। প্রধান পর্ব এবং গৌণ পর্ব।

১। প্রধান পর্ব (Major phyla)ঃ যে সব পর্বের প্রজাতি সংখ্যা ৫০০০ এর বেশি তাকে প্রধান পর্ব বলে। প্রধান পর্ব মোট ৯টি। প্রধান পর্বগুলোর মধ্যে ৮টি নন-কর্ডাটা এবং ১টি কর্ডাটা। প্রধান পর্বগুলো হলো- Porifera, Cnidaria, Platyhelminthes, Nematoda, Mollusca, Annelida, Arthropoda, Echinodermata ও Chordata|

২। গৌণ পর্ব (Minor phyla)ঃ যে সব পর্বের প্রজাতি সংখ্যা ৫০০০ এর কম তাকে গৌণ পর্ব বলে। গৌণ পর্ব হলে- Placozoa, Ctenophora.