১। ডিম্বাণু সৃষ্টিঃ Cycas-এর মেগাস্পোরোফিল গুলো একত্রে মুকুট গঠন করে। মেগাস্পোরোফিলের উপরের অংশকে পিনিউল বলে। এর গোড়ায় ২-৪ জোড়া বৃহৎ এবং লাল বর্ণের ডিম্বক থাকে। ডিম্বকসহ মেগাস্পোরোফিলকে সাপের ফণার মতো দেখায়। একে সর্পমণি বলে। ডিম্বকের ভিতরে স্ত্রীরেণু মাতৃকোষ থাকে। স্ত্রীরেণু মাতৃকোষগুলো মায়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে স্ত্রীরেণু (megaspore) উৎপন্ন করে। স্ত্রীরেণু হতে আর্কিগোনিয়া সৃষ্টি হয়। আর্কিগোনিয়ামের ভিতরে ডিম্বাণু উৎপন্ন হয়।
২। নিষেকঃ Cycas-এর পুংরেণু থেকে পরাগনালিকা সৃষ্টি হয়। পরাগনালিকার ভিতরে শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর নিষেক ঘটে। নিষেকের ফলে জাইগোট সৃষ্টি হয়।
৩। বীজ সৃষ্টিঃ জাইগোট থেকে ভ্রুণ সৃষ্টি হয়। ভ্রুণ বিভাজিত হয়ে বীজে পরিনত হয়। ঈুপধং-এর বীজ রসালো, কমলা বা লাল বর্ণের।
৪। নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টিঃ Cycas-এর বীজ অংকুরিত হয়ে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি করে।