১। ফসল অধিক ফলনশীল এবং পরিবেশীয় পীড়ন ঠান্ডা, খরা, তাপ, লবণাক্ততা প্রভৃতি সহ্যক্ষম হয়।
২। খাদ্যের গুণগত মান উন্নয়ন হয়। সোনালী ধানের উচ্চমাত্রার বিটা ক্যারোটিন এবং সয়াবিনে ওমেগা-৩ পাওয়া যায়।
৩। প্রাণীদের গুণগত মান বৃদ্ধি পায়।
৪। ফসল জীবাণু, পোকা ও আগাছা প্রতিরোধী হয়।
৫। পরিবেশ বান্ধব এবং পরিবেশ দুষণ মুক্ত হয়।
৬। খাদ্য চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়েছে।
৭। অল্প জায়গায় বেশি পরিমাণে খাদ্য উৎপাদন করা সম্ভব।
৮। ট্রান্সজেনিক খাদ্যশস্য রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে দেয়।
৯। সংরক্ষণের সময়ে ফসলের ক্ষতি কম হয়।
১০। মাটির উর্বরতা বজায় থাকে। তাই অতিরিক্ত খরচ করতে হয় না।