মালভেসী গোত্র ।। মালভেসী গোত্রের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য ।। Malvaceae ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। উদ্ভিদের কচি অংশ রোমশ ও মিউসিলেজ (পিচ্ছিল পদার্থ) যুক্ত।
২। মুক্তপার্শ্বীয় উপপত্র বিদ্যমান। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৩। পুষ্প একক, বৃহৎ এবং উপপত্রযুক্ত। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৪। বৃত্যংশ ৫টি, যুক্ত এবং ভালভেট। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৫। পাপড়ি ৫টি, মুক্ত এবং টুয়েস্টেড। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৬। পুংকেশর অসংখ্য, একগুচ্ছক এবং দললগ্ন।
৭। পরাগধানী একপ্রকোষ্ঠী ও বৃক্কাকার। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৮। পরাগরেণু বৃহৎ এবং কন্টকিত। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৯। গর্ভাশয় অধিগর্ভ, ৫ প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট, গর্ভপত্র ৫টি এবং যুক্ত।
১০। অমরাবিন্যাস অক্ষীয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১১। ফল ক্যাপসিউল বা বেরী। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

মালভেসী ।। মালভেসী গোত্র ।। Malvaceae।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

পৃথিবীতে দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের গোত্রের মধ্যে Winteraceae প্রথম গোত্র এবং Asteraceae হলো সর্বশেষ গোত্র। Malvaceae হলো ১০২তম গোত্র। এই গোত্রে ৮৫টি গণ এবং ১০০০-১৫০০টি প্রজাতি রয়েছে। মালভেসী গোত্রের সবচেয়ে বড় গণ হলো Hibiscus (১৫টি প্রজাতি)। বাংলাদেশে Malvaceae গোত্রের ১৪টি গণ এবং ৪২টি প্রজাতি জন্মে।

দ্বিতীয় গোত্র ।। দ্বিবীজপত্রী গোত্রের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। এদের বীজে দুইটি বীজপত্র থাকে।

২। পাতা বিষমপৃষ্ঠ প্রকৃতির এবং শিরাবিন্যাস জালিকাকার।

৩। পুষ্প টেট্রামেরাস বা পেন্টামেরাস।

৪। মূল প্রধানমূল।

৫। বীজে বীজপত্রের অবস্থান পার্শ্বীয় এবং ভ্রুণমুকুল শীর্ষ।

৬। বীজত্বক ফলত্বক পৃথক থাকে।

৭। পাতার কক্ষে কাক্ষিক মুকুল এবং পত্রমূলে উপপত্র থাকে।

৮। কান্ডের ভাস্কুলার বান্ডল বলয়াকারে অবস্থান করে।

৯। ক্যাম্বিয়াম টিস্যু উপস্থিত এবং সেকেন্ডারী বা গৌণ বৃদ্ধি ঘটে।

১০। পরাগরেণু ট্রাইকলপেট (তিনটি খাঁজযুক্ত)

দ্বিতীয় গোত্র ।। দ্বিবীজপত্রী গোত্র পরিচিতি । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

যে সব আবৃতবীজী উদ্ভিদের বীজে দুইটি বীজপত্র থাকে তাকে দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে। দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের গোত্রকে দ্বিবীজপত্রী গোত্র বলে। . আর্থার ক্রনকুইস্ট (১৯৮১) সকল আবৃতবীজী উদ্ভিদকে ৩৮০টি গোত্রের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এর মধ্যে দ্বিবীজপত্রী গোত্রের সংখ্যা ৩১৫টি। দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের প্রথম গোত্র Winteraceae, ১০২তম গোত্র Malvaceae এবং সর্বশেষ ৩১৫তম গোত্র Asteraceae

পোয়েসী গোত্র ।। শিল্প মূল্যায়নে পোয়েসী গোত্রের ভূমিকা ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। এই গোত্রের উদ্ভিদ থেকে মুল্যবান ওষুধ তৈরী হয়।
২। এই গোত্রের উদ্ভিদ থেকে পাউরুটি, বিস্কুট, অ্যালকোহল, ভিনেগার প্রভৃতি তৈরী করা হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৩। আখের ছোবড়া থেকে কাগজ ও পারটেক্স তৈরী করা হয়।
৪। বাঁশ গৃহসজ্জা ও আসবাবপত্র তৈরীতে ব্যবহার হয়। আমাদের দৈনন্দিন কর্মকান্ডে বাঁশের গুরুত্ব অপরিসীম। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৫। লেমন ঘাস সুগন্ধি তেল ও প্রসাধনী তৈরীতে ব্যবহার হয়।

পোয়েসী গোত্র । খাদ্যের যোগানে পোয়েসী গোত্রের ভূমিকা । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। ধান, গম, ভুট্রা, জোয়ার, যব, চিনা, কাউন প্রভৃতি মানুষের প্রধান খাদ্য যোগান দেয়। এদের মধ্যে ৪টি প্রজাতি ধান, গম, ভূট্রা ও আখ মানুষের ৬৩% শর্করার চাহিদা পুরণ করে। পৃথিবীর ৬০% মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত। ৩৫% মানুষের প্রধান খাদ্য গম। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
২। ধানের চাল থেকে ভাত, চিড়া, মুড়ি, পিঠা, পায়েস প্রভৃতি তৈরী করা হয়।
3। গম থেকে আটা, ময়দা, সুজি প্রভৃতি পাওয়া যায়। রুটি, পাউরুটি, পরোটা, সিঙ্গারা, বিস্কুট প্রভৃতি তৈরীতে ইহা ব্যবহার হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৪। ভূট্রা থেকে পপকন, খই, কর্ণফ্লেক্স প্রভৃতি তৈরী হয়। ইহা হাঁস-মুরগীর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৫। যব বা বার্লি থেকে আটা পাওয়া যায়। যবের ছাতু সহজপ্রাচ্য ও স্বাস্থ্যপ্রদ খাদ্য। ইহা হরলিক্স ও কমপ্ল্যান খাদ্য তৈরীতে ব্যবহার হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৬। আখ থেকে গুড় ও চিনি পাওয়া যায়। এর মলাসেস থেকে ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ায় অ্যালকোহল, ভিনেগার প্রভৃতি তৈরী করা হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

পোয়েসী গোত্র ।। গবাদিপশু পালনে পোয়েসী গোত্রের ভূমিকা ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। হাজার প্রজাতির ঘাস গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া প্রভৃতি গৃহপালিত পশুর প্রধান খাদ্য। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
২। ধানের খড় গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। ধানের কুড়া থেকে হাঁস-মুরগীর খাদ্য তৈরী করা হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৩। গমের খড় গো-খাদ্য ও অন্যান্য প্রাণীর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়।
৪। আখ থেকে পাতা ও মলাসেস পাওয়া যায়। এগুলো পশু খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৫। দুর্বাঘাস এবং অন্যান্য ঘাস পশু খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়।

পোয়েসী গোত্র । ভূমিক্ষয় রোধে পোয়েসী গোত্রের ভূমিকা । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। দুর্বাঘাস, লেমন ঘাস এবং অন্যান্য ঘাস মাটির উপর কার্পেটের মতো জন্মে। তাই বৃষ্টির পানিতে মাটি ধুয়ে যেতে পারে না। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
২। ঝাড়–ঘাস, নলখাগড়া এবং অন্যান্য উদ্ভিদ ঘনসন্নিবিষ্টভাবে জন্মে। তাই পানির প্রবাহ ধীর গতি হয় এবং মাটি ক্ষয় কম হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৩। ধান, গম, যব, বার্লি, কাউন এবং অন্যান্য উদ্ভিদ মাটি সংলগ্ন এবং ঘনভাবে জন্মে। এরা মাটি ক্ষয় রোধ করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৪। আখ, ভূট্রা এবং অন্যান্য উদ্ভিদ ঘন ও শক্ত মূলবিশিষ্ট হয়। তাই মাটি আটকে রাখে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

বিশ্বখাদ্য নিরাপত্তায় পোয়েসী গোত্রের ভূমিকা ।। পোয়েসী গোত্র

১। ধান, গম, ভুট্রা, জোয়ার, যব, চিনা, কাউন প্রভৃতি মানুষের প্রধান খাদ্য যোগান দেয়। এদের মধ্যে ৪টি প্রজাতি ধান, গম, ভূট্রা ও আখ মানুষের ৬৩% শর্করার চাহিদা পুরণ করে। পৃথিবীর ৬০% মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত। ৩৫% মানুষের প্রধান খাদ্য গম।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
২। ধানের চাল থেকে ভাত, চিড়া, মুড়ি, পিঠা, পায়েস প্রভৃতি তৈরী করা হয়। পৃথিবীর অসংখ্য দেশে চিড়া, মুড়ি, পিঠা ও পায়েস জনপ্রিয় খাবার।
৩। গম থেকে আটা, ময়দা, সুজি প্রভৃতি পাওয়া যায়। রুটি, পাউরুটি, পরোটা, সিঙ্গারা, বিস্কুট প্রভৃতি তৈরীতে ইহা ব্যবহার হয়। পৃথিবীর সর্বত্র এসব খাবার সুপরিচিত। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৪। ভূট্রা থেকে পপকন, খই, কর্ণফ্লেক্স প্রভৃতি তৈরী হয়। ইহা হাঁস-মুরগীর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। বিশ্বখাদ্য চাহিদা পূরণে ইহা অনস্বীকার্য। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৫। যব বা বার্লি থেকে আটা পাওয়া যায়। যবের ছাতু সহজপ্রাচ্য ও স্বাস্থ্যপ্রদ খাদ্য। ইহা হরলিক্স ও কমপ্ল্যান খাদ্য তৈরীতে ব্যবহার হয়। এসব খাদ্য বিশ্ব মানের। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৬। আখ থেকে গুড় ও চিনি পাওয়া যায়। এর মলাসেস থেকে ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ায় অ্যালকোহল, ভিনেগার প্রভৃতি তৈরী করা হয়। চিনি এবং গুড় পৃথিবীর সর্বত্র অতি প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৭। অনেক উদ্ভিদের ফল ও বীজ খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। খাদ্য চাহিদা পূরণে ইহা ভূমিকা রাখে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৮। কোন কোন উদ্ভিদের মূল, কান্ড, পাতা, ফুল প্রভৃতি খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। তাই খাদ্য চাহিদা পূরণে এর অবদান রয়েছে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

পোয়েসী গোত্র ।। বিশ্ব অর্থনীতিতে পোয়েসী গোত্রের অবদান । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। খাদ্য নিরাপত্তাঃ পোয়েসী গোত্রের উদ্ভিদ মানুষের ৬৩% শর্করার চাহিদা পুরণ করে। পৃথিবীর ৬০% মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত। ৩৫% মানুষের প্রধান খাদ্য গম। পৃথিবীর প্রতিটি দেশ খাদ্য চাহিদা পূরণের জন্য এই গোত্রের উদ্ভিদ চাষ করে। এতে বিশ^ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। এভাবে বিশ্ব অর্থনীতির দায়ভার বহন করছে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
২। খাদ্য চাহিদা পূরণঃ পোয়েসী গোত্রের ফসল সারা বিশ্বের মানুষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। তাই পৃথিবীর কোথাও খাদ্য অভাব দেখা দিলে যে কোন দেশ খাদ্য সহযোগীতা করে থাকে। এভাবে বিশ্ব অর্থনীতির বিপদের বন্ধু হিসেবে কাজ। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৩। বিশ্ব দুর্যোগ মোকাবেলাঃ বন্যা, খরা, দাবানল, শৈত্য প্রবাহ, সুনামী প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগপূর্ণ এলাকায় খাদ্য চাহিদা পূরণে এই গোত্রের উদ্ভিদ বিশ্ব মানের ভূমিকা রাখে। তাই বিশ্ব অর্থনীতি ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পায়।
৪। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনঃ পোয়েসী গোত্রের উদ্ভিদ ব্যাপক ভাবে আবাদ করে দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানি করা যায়। বিশে^ এই গোত্রের ফসল বা খাদ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এতে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার ভরপুর হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৫। খাদ্য সামগ্রী নিশ্চিতকরণঃ পোয়েসী গোত্রের উদ্ভিদ থেকে প্রস্তুতকৃত খাদ্য সামগ্রী বিশ^বাসীর কাছে পৌছে দেয়া যায়। এতে বিশ্ব ক্ষুধা অনেকাংশে নিবারণ করা সম্ভব। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৬। আমদানী সমতাঃ পোয়েসী গোত্রের ফসল বিক্রি করে অর্থের বিনিময়ে অথবা ফসলের বিনিময়ে পৃথিবীর যে কোন দেশ থেকে প্রয়োজনী উপাদান আমদানী করা যায়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৭। কর্মসংস্থানঃ পোয়েসী গোত্রের ফসল উৎপাদন এবং এই গোত্রের ফসলের শিল্প উৎপাদনের মাধ্যমে দেশে এবং বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব হয়েছে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৮। বিশ্ব শিল্পায়নঃ পোয়েসী গোত্রের বিপুল সংখ্যক উদ্ভিদ বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার হয়। শিল্পায়ন বিশ্ব অর্থনীতির চাকা হিসেবে কাজ করে।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স