ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য ।। ফানজাই ।। Fungi ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(i) এরা বর্ণহীন, পরজীবী বা মৃতজীবী।

(ii) এরা এককোষী বা বহুকোষ এবং মাইসেলিয়াল।

(iii) এদের কোষ প্রাচীর কাইটিন নির্মিত।

(iv) পরিবহন কলা নাই এবং ভ্রুণ সৃষ্টি হয় না।

(v) এদের সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন।

(vi) কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে।

(vii) এদের ক্রোমাটিন বডিতে DNA, RNA ও প্রোটিন থাকে।

(viii) এদের জননাঙ্গ এককোষী এবং বন্ধ্যা আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে না।

(ix) এদের পরিবহন কলা বা ভাস্কুলার বান্ডল থাকে না। অর্থাৎ এরা অভাস্কুলার।

(x) এদের কোষ বিভাজন অ্যামাইটোসিস, মাইটোসিস ও মিয়োসিস প্রকৃতির।

(xi) যৌন জনন আইসোগ্যামাস, অ্যানাইসোগ্যামাস ও ঊগ্যামাস ধরনের।

(xii) এদের জীবন ধারণের জন্য সূর্যালোক অপরিহার্য না।

(xiii) এদের সঞ্চিত খাদ্য গøাইকোজেন ও তেল বিন্দু।

(xiv) এদের কোষ প্রাচীর প্রধানত কাইটিন নির্মিত।

(xv) এরা হ্যাপ্লয়েড স্পোরের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে।

(xvi) এদের অভিযোজন ক্ষমতা তীব্র (৫-৫০ডিগ্রী সে)।

প্রোটকটিস্টার বৈশিষ্ট্য ।। শৈবালের বৈশিষ্ট্য ।। Protoctista ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(i) এরা এককোষী বা বহুকোষী এবং একক বা কলোনিয়াল।

(ii) এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস আছে।

(iii) ক্রোমাটিন বডিতে DNA, RNA ও প্রোটিন আছে।

(iv) কোষে প্লাস্টিড, মাইটোকন্ড্রিয়া, এন্ড্রোপ্লাজমিক জালিকা, লাইসোজোম প্রভৃতি থাকে।

(v) কোষ বিভাজন ঘটে মাইটোসিস ও মিয়োসিস  প্রক্রিয়ায়।

(vi) এরা অধিকাংশই জলজ।

(vii) এদের পুষ্টি ভক্ষণ বা শোষণ বা ফটোসিনথেটিক পদ্ধতিতে ঘটে।

(viii) এদের জীবনচক্রে বহুকোষী ভ্রুণ সৃষ্টি হয় না।

(ix) এরা সবুজ, স্বভোজী ও স্বাবলম্বী। অর্র্থাৎ ফটোসিনেথেটিক পিগমেন্ট থাকে।

(x) শৈবাল প্রধানত গ্যামিটোফাইটিক উদ্ভিদ।

(xi) এদের কোষ প্রাচীর সেলুলোজ ও পেকটিন নির্মিত।

(xii) এদের সঞ্চিত খাদ্য শর্করা।

(xiii) এদের জননাঙ্গ এককোষী এবং বন্ধ্যা আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে না (ব্যতিক্রম- Chara)।

(xiv) এদের পরিবহন কলা বা ভাস্কুলার থাকে না। অর্থাৎ এরা অভাস্কুলার।

(xv) যৌন জনন আইসোগ্যামাস, অ্যানাইসোগ্যামাস ও ঊগ্যামাস।

(xvi) এদের জীবন ধারণের জন্য সূর্যালোক অপরিহার্য।

(xvii) প্রোটকটিস্টা ৭টি পর্ব নিয়ে গঠিত।

উদাহরণঃ Spirogyra hyalina, Amoeba proteus, Ulothrix, Chlamydomonas

মনেরা জগতের বৈশিষ্ট্য ।। Monera ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(i) এরা এককোষী, ফিলামেন্টাস, কলোনিয়াল বা মাইসেলিয়্যাল।

(ii) কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস নাই।

(iii) ক্রোমাটিন বডিতে DNA আছে, কিন্তু প্রোটিন নাই।

(iv) কোষে প্লাস্টিড, মাইটোকন্ড্রিয়া, এন্ড্রোপ্লাজমিক জালিকা, লাইসোজোম প্রভৃতি থাকে না।

(v) কোষ প্রাচীর পলিস্যাকারাইড ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত।

(vi) কোষ বিভাজন ঘটে অ্যামাইটোসিস প্রক্রিয়ায়।

(vii) প্রধানত শোষণ পদ্ধতিতে খাদ্য গ্রহণ করে। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে এরা ফটোসিনথেটিক বা কেমোসিনথেটিক।

(viii) মনেরা ১৫টি পর্ব নিয়ে গঠিত।

উদাহরণঃ Nostoc linka, Anabaena, Spirulina, Esherichia coli, Bacillus albus.

জীবজগতে রাজ্যের ক্রমসংখ্যা বৃদ্ধির ইতিহাস ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। দুই রাজ্য শ্রেণীবিন্যাসঃ জীববিজ্ঞানের জনক গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল জীবজগতকে দুইটি রাজ্যে বিভক্ত করেন। উদ্ভিদ রাজ্য এবং প্রাণী রাজ্য। থিয়োফ্রাস্টাস থেকে ক্যারোলাস লিনিয়াস পর্যন্ত এই দুই রাজ্যে বিভক্ত ছিল। ১৯৭২ সালে Altman এবং Dittmar উদ্ভিদ রাজ্যে ব্যাকটেরিয়া অন্তর্ভুক্ত করে।

২। তিন রাজ্য শ্রেণীবিন্যাসঃ বিজ্ঞানী কুরটিস (১৯৬৮), স্ট্যানিয়ার (১৯৭০) এবং ড্যাডসন (১৯৭১) জীবজগতের  তৃতীয় রাজ্য Protista প্রস্তাব করেন। গ্রিক শব্দ protistos অর্থ সর্বপ্রথম থেকে Protista নামকরণ করা হয়েছে। ব্যাকটেরিয়া, প্রোটিস্টা এবং স্পঞ্জ Protista রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রস্তাবিত তিনটি রাজ্য হলো- Protista, Plantae ওI Animalia।

৩। চার রাজ্য শ্রেণীবিন্যাসঃ ১৯৫৬ সালে বিজ্ঞানী Copeland প্রোটিস্টা থেকে ব্যাকটেরিয়া পৃথক করে Monera রাজ্য প্রস্তাব করেন। প্রস্তাবিত চারটি রাজ্য হলো- Monera, Protista, Plantae ও Animalia।

৪। পঞ্চ রাজ্য শ্রেণীবিন্যাসঃ ১৯৬৯ সালে বিজ্ঞানী Whittaker প্ল্যান্টি থেকে ছত্রাক পৃথক করে Fungi রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৪ সালে মারগিউলিস Fungi রাজ্য স্বীকৃতি দেন। প্রস্তাবিত পাঁচটি রাজ্য হলো- Monera, Protista, Fungi, Plantae ও Animalia|

৫। ষষ্ঠ রাজ্য শ্রেণীবিন্যাসঃ ১৯৭০ দশকের শেষদিকে মনেরা রাজ্যকে পৃথক দুইটি রাজ্যে ভাগ করা হয়। আর্কিব্যাকটেরিয়া (Archaebacteria) এবং ইউব্যাকটেরিয়া (Eubacteria)। ষষ্ঠ রাজ্য শ্রেণীবিন্যাসে জীবজগতকে তিনটি অধিরাজ্যে (Domain) বিভক্ত করা হয়েছে। আর্কিয়া (Archaea), ব্যাকটেরিয়া (Bacteria) এবং ইউক্যারিয়া (Eukarya)। ডোমেইন আর্কিয়া-এর রাজ্য Archaebacteria, ব্যাকটেরিয়া-এর রাজ্য Eubacteria এবং ইউক্যারিয়া-এর রাজ্য Protista, Fungi, Plantae ও Animalia।

টটোনিম ।। Tautonym ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

জীবের বৈজ্ঞানিক নামের গণ ও প্রজাতি অংশের নাম একই হতে পারে। একে টটোনিম বলে। যেমন- কাতলা (Catla catla), গোখরা (Naja naja)।

ত্রিপদ নামকরণ ।। Tripad nomenclature ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

আন্তর্জাতিক নিয়মানুযায়ী গণ, প্রজাতি উপপ্রজাতি নামের তিনটি পদ ব্যবহার করে প্রাণীদের যে নামকরণ করা হয় তাকে ত্রিপদ নামকরণ বলে। জার্মান বিজ্ঞানী Hermann Schlegel (১৮৮৪) ত্রিপদ নামকরণ প্রবর্তন করেন। যেমন–  খইয়া গোখরা (Naja naja naja), পদ্ম গোখরা (Naja naja kauthia), উকুন (Pediculus humanus humanus), আফ্রিকান সিংহ (Panthera leo leo).

সমনাম ।। Homonym ।। প্রতিনাম ।। Synonym ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

সমনাম (Homonym)

দুই বা ততোধিক ট্যাক্সার বৈজ্ঞানিক নামের বানান একই রকম হলে নামগুলোকে পরস্পরের সমনাম বা হোমোনিম বলে। অগ্রাধিকার আইন অনুযায়ী যে সমনামটি সর্বপ্রথম সঠিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে তাকে সিনিয়র হোমোনিম বলে। অন্য নামগুলোকে জুনিয়র হোমোনিম হিসেবে ঘোষিত পরিত্যাক্ত হয়।

 

প্রতিনাম (Synonym)

একটি ট্যাক্সন দুই বা ততোধিক নামে পরিচিতি হলে তাকে প্রতিনাম বা সিনোনিম বলে। অগ্রাধিকার আইন অনুযায়ী সিনোনিম সমস্যা সমাধান করা হয়।

অগ্রাধিকার আইন ।। Law of Priority ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

কোনো ট্যাক্সনের একাধিক নাম থাকলে যে নামটি নামকরণের আন্তর্জাতিক কোডের নিয়ম-কানুন মেনে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছে তা বৈধভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার আইন বলে। If it happens, scientific name of a species is given many in the same or different countries, according to the principles or priority, the first scientist who submits the documents to the ICBN first will be accepted.

অগ্রাধিকার আইনের কার্যকারিতার ফলে নামকরণের রীতিনীতি সুদৃঢ় ও পরিচ্ছন্ন হয়। বাতিল হয়ে যাওয়া নামগুলো সমনাম বা প্রতিনাম হিসেবে ব্যবহার হয়। এতে নামটি সর্বজন কর্তৃক স্বীকৃত ও গৃহীত হয়। অগ্রাধিকার আইন প্রযোজ্য হবে-

১। পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর নামকরণের পূর্বে যদি প্রাণীর দেহের কোনো অংশের নামকরণ করা হয়।

২। কোনো প্রজাতির বিভিন্ন জনু, দৈহিক গঠন, পরিবর্তনশীল দশা কিংবা যৌন অবস্থাকে বিভিন্ন নামে নামকরণ করা হয়।

৩। ১৯৩১ সালের পূর্বে যদি কোনো জীবিত প্রাণীর নামকরণ করা হয়।

দ্বিপদ নামকরণের প্রয়োজনীয়তা ।। Necessity of binomenclature ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। পরিচিতিঃ প্রতিটি প্রজাতির একটিমাত্র বৈজ্ঞানিক নাম থাকে। পৃথিবীতে এই নামে পরিচিতি লাভ করে।

২। শনাক্তকরণঃ প্রতিটি প্রজাতির একটিমাত্র বৈজ্ঞানিক নাম থাকে। তাই সমগ্র পৃথিবীতে সহজে শনাক্ত করা যায়।।

৩। সর্বজনীনঃ প্রতিটি প্রজাতির একটিমাত্র বৈজ্ঞানিক নাম থাকে। একটি মাত্র নাম থাকায় কোন জটিলতা সৃষ্টি হয় না। তাই ইহা সবার নিকট গ্রহণীয় এবং সর্বজনীন।

৪। নামের ভাষাঃ জীবের বৈজ্ঞানিক ল্যাটিন বা রুপান্তরিত ল্যাটিন ভাষায় করাহয়। ল্যাটিন কোন দেশ বা জাতির ভাষা নয়।

৫। শ্রেণীবিন্যাসকরণঃ বৈজ্ঞানিক নাম শ্রেণীবিন্যাসকরণে সহায়তা করে। অর্থাৎ জীবের শ্রেণীবিন্যাসকরণে বৈজ্ঞানিক নাম প্রয়োজন।

৬। স্থানের নামঃ স্থান বা জায়গার নাম অনুসারে বৈজ্ঞানিক নাম করা হয়। তাই বৈজ্ঞানিক নাম থেকে স্থানের নাম জানা যায়।

৭। আত্মীয়তার সম্পর্কঃ বৈজ্ঞানিক নাম একই গণের প্রজাতিদের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক প্রকাশ করে।

৮। চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যঃ বৈজ্ঞানিক বর্ণনামূলক হওয়ায় জীবের কিছু চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে। 

৯। প্রবর্তকের নামঃ যে বিজ্ঞানী কোন উদ্ভিদ বা প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম প্রদান করবেন সেই বিজ্ঞানীর নাম উদ্ভিদ বা প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নামের শেষে সংক্ষেপে সংযুক্ত করতে হবে। তাই বৈজ্ঞানিক নাম থেকে প্রবর্তকের নাম জানা যায়। যেমনOryza sativa  L.

জীবের দ্বিপদ নামকরণের নিয়মাবলী ।। Binomial nomenclature ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

ICBN বা ICZN-এর নীতিমালা অনুযায়ী গণ নামের শেষে প্রজাতিক নাম যুক্ত করে দুইটি পদ বা শব্দ দ্বারা একটি নির্দিষ্ট প্রজাতির একটি নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক নাম প্রদান করাকে দ্বিপদ নামকরণ বলে। গ্যাসপার্ড বাউহিন সর্বপ্রথম Pinax নামক গ্রন্থে কিছু উদ্ভিদের দ্বিপদ নাম ব্যবহার করেছিলেন। ১৭৫৩ সালে সুইডিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস জীবের দ্বিপদ নামকরণের প্রক্রিয়া প্রবর্তন করেন। তিনি Species Plantarum নামক গ্রন্থে দ্বিপদ নামকরণ প্রবর্তন করেন। দ্বিপদ নামকরণের নিয়মাবলী উল্লেখ করা হলো।

১। একপদঃ জীবের প্রজাতির উপরের ছয়টি স্তরের নাম হবে একপদী। যেমন- Division.

২। দ্বিপদ নামঃ  জীবের প্রজাতি নাম হবে দ্বিপদী। প্রথমটি গণ নাম এবং দ্বিতীয়টি ঐ গণের প্রজাতিক নাম। জীবের প্রজাতিক নামের অংশটুকু ব্যক্তির নাম, অঞ্চল বা স্থানের নাম, উদ্ভিদের কোন বৈশিষ্ট্য প্রভৃতি থেকে নেওয়া হয়। যেমন- Mangifera  indica.

৩। বহুপদী নামঃ জীবের প্রজাতির নিচের স্তরের নামটি হবে বহুপদী। যেমন- Brassica  oleracea  var.  botrytis.

৪। নামের ভাষাঃ  জীবের বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন অথবা রুপান্তরিত ল্যাটিন বা latinized ভাষায় হতে হবে।

৫। আদ্যক্ষরঃ  জীবের গণ নামের প্রথম অক্ষর বড় হরফে এবং প্রজাতিক নামের প্রথম অক্ষরসহ সকল অক্ষর ছোট হরফে (small letter) লিখতে হবে। যেমন- Oryza  sativa.

৬। ছাপানো অবস্থাঃ জীবের বৈজ্ঞানিক নাম ছাপানোর সময় অবশ্যই ইটালিক বা রোমান বা মোটা অক্ষরে ছাপাতে হবে।

৭। হাতে লেখাঃ জীবের বৈজ্ঞানিক নাম হাতে লিখলে অবশ্যই ইংরেজি অক্ষর ব্যবহার করতে হবে এবং গণ ও প্রজাতিক অংশের নিচে আলাদা আলাদা ভাবে দাগ টানতে হবে। যেমন- Mangifera  indica.

৮। বৈধক্রমঃ  প্রতিটি প্রজাতির একটি বৈধ নাম থাকবে। উহা বৈধ ভাবে প্রকাশিত হতে হবে।

৯। প্রবর্তকের নামঃ  যে বিজ্ঞানী কোন উদ্ভিদ বা প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম প্রদান করবেন সেই বিজ্ঞানীর নাম ঐ উদ্ভিদ বা প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নামের শেষে সংক্ষেপে সংযুক্ত করতে হবে। যেমন- Oryza sativa  L.

১০। টটোনিমঃ কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নামের গণ ও প্রজাতি অংশের একই হতে পারে। যেমন- Catla catla.

১১। টাইপ স্পেসিমেনঃ বৈজ্ঞানিক নামকরণের সময় নমুনা হিসেবে ব্যবহৃত উদ্ভিদ বা প্রাণীকে গবেষণাগারে সংরক্ষণ করতে হবে।

১২। বহু প্রবর্তকের নামঃ  If it happens, scientific name of a species is given many in the same or different countries, according to the principles or priority, the first scientist who submits the documents to the ICBN first will be accepted.