জন্ম-৭ আগস্ট ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন মার্কিন অনাক্রম্য বিজ্ঞানী। প্যাট্রিক এলিসন এবং তাসুকু হনজো ইমিউনতন্ত্রের এক ধরনের প্রোটিন নিয়ে গবেষণা করে প্রমাণ করেন, এই প্রোটিন ক্যান্সার টিউমার গলিয়ে বা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে রোগের উপশম ঘটায়। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০১৮)।
ফ্রাঁকয়েস ব্যারে সিনোসি ।। Francoise Barre Sinoussi ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
জন্ম-৩০ জুলাই ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ। তিনি ফরাসী ভাইরাসবিজ্ঞানী। ১৯৮৩ সালে বিজ্ঞানী ব্যারে সিনোসি এবং লুক মন্ট্যাগনিয়ার আবিষ্কার করেন। এতে এইডস রোগের চিকিৎসা সম্ভব হয়েছে। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০০৮)।
এরিক ওয়াইজহাউস ।। Eric F. Wieschaus ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
জন্ম-৮ জুন ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন আমেরিকান জীববিজ্ঞানী। ওয়াইজ হাউস এবং নাসলেইন ভোলহার্ড ফলের মাছির জিন শনাক্ত ও শ্রেণীবিন্যাস করেন। ভ্রæণীয় পরিস্ফুটনে জিনের নিয়ন্ত্রণ আবিষ্কার করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (১৯৯৫), Genetics Society of America Medal প্রভৃতি।
জেফরি কনর হল ।। Jeffrey Conor Hall ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
জন্ম-৩ মে ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ। তিনি আমেরিকান জেনেটিসিস্ট ও ক্রোনোবায়োলজিস্ট। জেফরি হল, মাইকেল রসব্যাস এবং মাইকেল ইয়াং গ্রহের ২৪ ঘন্টা আবর্তনকালে কোষ ও জীবদেহের সাথে জৈবঘড়ি কিভাবে সামঞ্জসা মেনে চলে সে বিষয়ে জিনগত ও আণবিক ভিত্তি ব্যাখ্যা কর। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো নোবেল (২০১৭), লুইজা গ্রোস হরউইটস পুরস্কার, কানাডা গিয়ার্ডনার পুরস্কার, Massry Prize প্রভৃতি।
ইউশিনোরি ওসুমি ।। Yoshinori Ohsumi ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
জন্ম-৯ ফেব্রুয়ারী ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ। তিনি জাপানী জীবতত্ত্ববিদ। তিনি অটোফেজি প্রক্রিয়ার উপর গবেষণা করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০১৬)।
আয়েন উইলমুট ।। Ian Wilmut ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
জন্ম-৭ জুলাই ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ। তিনি স্কটল্যান্ডের ভ্রুণতত্ত্ববিদ। তিনি ২০০৮ সালে নাইট উপাধি লাভ করেন। ভ্রুণতত্ত্ব ও জিনতত্ত্বের উপর গবেষণা করেছেন। ১৯৯৬ সালে দেহকোষ থেকে ডলি নামক ভেড়ার জন্ম দেন। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল।
মাইকেল রসব্যাস ।। Michael Rosbash ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
জন্ম–৭ মার্চ ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ। তিনি স্কটল্যান্ডের ভ্রুণতত্ত¡বিদ। তিনি আমেরিকান জেনেটিসিস্ট ও ক্রোনোবায়োলজিস্ট। জেফরি হল, মাইকেল রসব্যাস এবং মাইকেল ইয়াং গ্রহের ২৪ ঘন্টা আবর্তনকালে কোষ ও জীবদেহের সাথে জৈবঘড়ি কিভাবে সামঞ্জসা মেনে চলে সে বিষয়ে জিনগত ও আণবিক ভিত্তি ব্যাখ্যা কর। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো নোবেল (২০১৭)।
রালফ এম. স্টেইনম্যান ।। Ralph M. Steinman ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
জন্ম–১৪ জানুয়ারী ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু– ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন কানাডিয়ান জীববিজ্ঞানী। তিনি উল্লেখ করেন, T–কোষ হলো ডেনড্রাইটিক কোষ। অর্জিত ইমিউনিটিতে নির্দিষ্ট ডেনড্রাইটিক কোষের ভূমিকা ব্যাখ্যা করেন। এই আবিষ্কার অ্যালার্জি, অঙ্গ প্রতিস্থাপন, টাইপ–১ ডায়াবেটিস, মস্তিষ্ক ও সুষুষ্মাকান্ডের মালটিপল স্কে¬রোসিস নামক রোগ নিরাময়ে অবদান রাখবে। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০১১) এবং কানাডা গিয়ার্ডনার আন্তর্জাতিক পুরস্কার (২০০৩)।
টিম হান্ট ।। Tim Hunt ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
জন্ম-১৯ ফেব্রæয়ারী ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন ব্রিটিশ রসায়নবিদ। হার্টওয়েল, হান্ট এবং মেক্সিম নার্স আবিষ্কার করেন, নির্দিষ্ট জিন কোষচক্রের কার্যকরীতা নিয়ন্ত্রণ করে। কোষ সৃষ্টি, বৃদ্ধি এবং পরবর্তী বিভাজন কোষচক্রের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। প্রাপ্ত পুরস্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (২০০১), রয়েল মেডেল প্রভৃতি।
ক্রিশ্চিনি নাসলেইন ভোলহার্ড ।। Christiane Nusslein Volhard ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
জন্ম-২০ অক্টোবর ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ। তিনি একজন জার্মান জীববিজ্ঞানী। ওয়াইজ হাউস এবং নাসলেইন ভোলহার্ড ফলের মাছির জিন শনাক্ত ও শ্রেণীবিন্যাস করেন। ভ্রুণীয় পরিস্ফুটনে জিনের নিয়ন্ত্রণ আবিষ্কার করেন। প্রাপ্ত পুরস্কার হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল (১৯৯৫)।