দ্বিপদ নামকরণের প্রয়োজনীয়তা ।। Necessity of binomenclature ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। পরিচিতিঃ প্রতিটি প্রজাতির একটিমাত্র বৈজ্ঞানিক নাম থাকে। পৃথিবীতে এই নামে পরিচিতি লাভ করে।

২। শনাক্তকরণঃ প্রতিটি প্রজাতির একটিমাত্র বৈজ্ঞানিক নাম থাকে। তাই সমগ্র পৃথিবীতে সহজে শনাক্ত করা যায়।।

৩। সর্বজনীনঃ প্রতিটি প্রজাতির একটিমাত্র বৈজ্ঞানিক নাম থাকে। একটি মাত্র নাম থাকায় কোন জটিলতা সৃষ্টি হয় না। তাই ইহা সবার নিকট গ্রহণীয় এবং সর্বজনীন।

৪। নামের ভাষাঃ জীবের বৈজ্ঞানিক ল্যাটিন বা রুপান্তরিত ল্যাটিন ভাষায় করাহয়। ল্যাটিন কোন দেশ বা জাতির ভাষা নয়।

৫। শ্রেণীবিন্যাসকরণঃ বৈজ্ঞানিক নাম শ্রেণীবিন্যাসকরণে সহায়তা করে। অর্থাৎ জীবের শ্রেণীবিন্যাসকরণে বৈজ্ঞানিক নাম প্রয়োজন।

৬। স্থানের নামঃ স্থান বা জায়গার নাম অনুসারে বৈজ্ঞানিক নাম করা হয়। তাই বৈজ্ঞানিক নাম থেকে স্থানের নাম জানা যায়।

৭। আত্মীয়তার সম্পর্কঃ বৈজ্ঞানিক নাম একই গণের প্রজাতিদের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক প্রকাশ করে।

৮। চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যঃ বৈজ্ঞানিক বর্ণনামূলক হওয়ায় জীবের কিছু চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে। 

৯। প্রবর্তকের নামঃ যে বিজ্ঞানী কোন উদ্ভিদ বা প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম প্রদান করবেন সেই বিজ্ঞানীর নাম উদ্ভিদ বা প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নামের শেষে সংক্ষেপে সংযুক্ত করতে হবে। তাই বৈজ্ঞানিক নাম থেকে প্রবর্তকের নাম জানা যায়। যেমনOryza sativa  L.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *