১। প্লাজমিড হলো চক্রাকার দ্বি-সূত্রক DNA অণু।
২। এর আণবিক ওজন 106-200×106 ডাল্টন।
৩। ইহাতে অল্প পরিমাণ জিন থাকে।
৪। রেস্ট্রিকশন এনজাইম দ্বারা প্লাজমিড এর নির্দিষ্ট অংশ কাটা যায়।
৫। কোন কোন প্লাজমিড বিশেষ ধরনের রাসায়নিক বস্তু সংশ্লেষণ করে। যেমন Colicin, Vibrin.
৬। প্লাজমিডের সংখ্যা প্রতি কোষে ১-১০০০।
৭। অর্ধসংরক্ষণশীল প্রক্রিয়ায় প্লাজমিডের প্রতিলিপন ঘটতে পারে।
৮। এরা ব্যাকটেরিয়ার এককোষ থেকে অন্য কোষে স্থানান্তরিত হতে পারে।
৯। ইহা অন্য প্লাজমিড বা মূল এর সাথে পুনঃসমন্বয় ঘটাতে সক্ষম।
১০। ইহা ব্যাকটেরিয়ার মূল ক্রোমোজোম থেকে ছোট ও ভিন্ন ধরনের।