কোষ গহ্বরের সংজ্ঞা ও কাজ/গুরুত্ব

কোষ গহ্বর (Cell Vacuole)
কোষের সাইটোপ্লাজমে যে ফাঁকা স্থান থাকে তাকে কোষ গহ্বর বলে। কোষ গহ্বরের পর্দাকে টনোপ্লাস্ট বলে। টনোপ্লাস্ট রাবার জাতীয়। উদ্ভিদ কোষে কয়েকটি ক্ষুদ্র গহ্বর মিলিত হয়ে বড় গহ্বর সৃষ্টি করে। এর সুনির্দিষ্ট আকার বা আকৃতি নাই। ইহা কোষরস দ্বারা পূর্ণ থাকে। কোষরসে পানি, অজৈব লবণ, এসিড, আমিষ, শর্করা, চর্বি, রং প্রভৃতি থাকে।

 

কোষ গহ্বরের কাজ
১। ইহা কোষরস ধারণ করে।
২। ইহা বর্জ্য পদার্থ ধারণ করে।
৩। পানি চাপ রক্ষা করে।
৪। ইহা কোষের pH নিয়ন্ত্রণ করে।
৫। কোষের জন্য ক্ষতিকর বা হুমকিস্বরুপ বস্তুকে পৃথক করে।
৬। উদ্ভিদের পাতা ও ফুল ধারণে সাহায্য করে।
৭। বীজ কোষে প্রোটিন ধারণ করে।

সেন্ট্রিওলের গঠন ও কাজ

সেন্ট্রিওল (Cetriole)
প্রাণীকোষের নিউক্লিয়াসের নিকটে অবস্থিত ক্ষুদ্রাঙ্গ যা মাইক্রোটিউবিউল ধারণ করে এবং কোষ বিভাজনের সময় স্পিন্ডল তন্তু গঠন করে তাকে সেন্ট্রিওল বলে। পাশাপাশি অবস্থিত দু’টি সেন্ট্রিওলের সংযুক্ত অবস্থাকে সেন্ট্রোজম বলে। ১৮৮৭ সালে বিজ্ঞানী Von Benden ইহা আবিষ্কার করেন। ১৮৮৮ সালে বিজ্ঞানী Theodor Bovery এর নামকরণ করেন।

বিস্তারঃ সেন্ট্রিওল প্রাণিকোষে থাকে। অধিকাংশ উদ্ভিদ কোষে ইহা থাকে না। শৈবাল, ছত্রাক, ব্রায়োফাইটা, টেরিডোফাইটা, নগ্নবীজী প্রভৃতি উদ্ভিদ কোষে সেন্ট্রিওল থাকে। প্রতিকোষে একটি সেন্ট্রিওল থাকে।

ভৌত গঠন (Physical structure)
সেন্ট্রিওল হলো নলাকার এবং ক্ষুদ্রাঙ্গাণু। ইহা দেখতে বেলনাকার এবং দুই মুখ খোলা পিপার মতো। এর দৈর্ঘ্য ০.৩-০.৫ µm এবং ব্যাস প্রায় ০.১৫-০.২৫ µm। প্রতিটি সেন্ট্রিওল তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। সিলিন্ডার ওয়াল বা প্রাচীর, ট্রিপলেটস বা ত্রীয় অণুনালিকা এবং লিংকার বা যোজক । সেন্ট্রিওলের কেন্দ্রে একটি নলাকার অক্ষ থাকে। অক্ষের চারিদিকে ৯টি বান্ডল বা অণুনালিকা থাকে। প্রতিটি অণুনালিকায় তিনটি করে উপনালিকা থাকে। অর্থাৎ প্রতিটি সেন্ট্রিওলে ২৭টি উপনালিকা থাকে। অণুনালিকা গুলো চাকার স্পোকের মতো কেন্দ্রীয় অক্ষের সাথে যুক্ত থাকে। বিজ্ঞানী Threadgold (১৯৬৮) উপনালিকা তিনটিকে ভিতরের দিক হতে A, B ও C নামে চিহ্নিত করেন। সেন্ট্রিওল গুলো জোড়ায় জোড়ায় অবস্থান করে। প্রতিজোড়া সেন্ট্রিওলকে ডিপ্লোসোম বলে। সেন্ট্রিওলের চারপাশের গাঢ় তরল পদার্থকে সেন্ট্রোস্ফিয়ার বলে।

 

রাসায়নিক গঠন (Chemical structure)
সেন্ট্রিওলের প্রধানত রাসায়নিক উপাদান হলো প্রোটিন। এছাড়া লিপিড ও ATP থাকে।

 

সেন্ট্রিওলের কাজ
১। সেন্ট্রিওল কোষ বিভাজনে সাহায্য করে
২। কোষ বিভাজনের সময় মাকু তন্তু তৈরী করে
৩। কোষ বিভাজনের সময় অ্যাস্টার-রে সৃষ্টি করে
৪। ক্রোমোজোমের প্রান্তী চলনে সহায়তা করে
৫। ইহা মাইক্রোটিউবিউল সৃষ্টি করে
৬। ইহা শুক্রাণুর লেজ সৃষ্টি করে
৭। সিলিয়া ও ফ্ল্যাজেলার বেসাল বডি গঠন করে

এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের গুরুত্ব

এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের গুরুত্ব
১। কোষের অন্তঃকংকাল হিসেবে কাজ করে।
২। প্রোটোপ্লজমের কাঠামো হিসেবে কাজ করে।
৩। ইহা রাসায়নিক বিক্রিয়ার গতি বৃদ্ধি করে।
৪। কোষের ভিতর বিভিন্ন পদার্থের পরিবহণ পথ হিসেবে কাজ করে।
৫। হাইড্রোক্সাইলেটিং প্রক্রিয়ায় বিষাক্ত পদার্থকে নিস্ক্রিয় করে।
৬। পেশির সংকোচণ-প্রসারণে সাহায্য করে।
৭। সেলুলোজ তৈরীতে অংশ নেয়।
৮। লিপিড, হরমোন ও স্টেরয়েড উৎপন্ন করে।
৯। বিভিন্ন কোষ-অঙ্গাণু সৃষ্টিতে অংশ গ্রহন করে।
১০। ইহা প্রোটিন সংশ্লেষণ করে।
১১। নিউক্লিয়ার মেমব্রেণ তৈরী করে।
১২। গ্লাইকোপ্রোটিন ও ইনসুলিন উৎপাদন করে।
১৩। রাইবোজোম ও গ্লাইঅক্সিজোমের ধারক হিসেবে কাজ করে।

                এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের ভৌত ও রাসায়নিক গঠন

এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের ভৌত গঠন (Physical structure of Endoplasmic Reticulam)
এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের তিন ধরনের গঠন দেখা যায়। এগুলো হলো-
১। ল্যামিলার বা সিস্টারনী (Lamellar or Cisternae) ঃ যে সব এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম লম্বা, নলাকার, শাখাবিহীন ও চাপা তাদেরকে সিস্টারনী বলে। এদের ব্যাস ৪০-৫০ মিলিমাইক্রন।
২। ভেসিকল (Vasicle) ঃ যে সব এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম দেখতে গোলাকার বা ডিম্বাকার এবং আবরণী বেষ্টিত তাকে ভেসিকল বলে। এদের ব্যাস ২৫-৫০ মিলিমাইক্রন।
৩। টিউবিউলস্ (Tubules) ঃ যে সব এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম লম্বা, নলাকার ও শাখাযুক্ত তাদেরকে টিউবিউলস্ বলে। এদের ব্যাস ৫০-১৯০ মিলিমাইক্রন।

রাসায়নিক গঠন (Chemical structure)
এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো প্রোটিন ও লিপিড। এতে প্রোটিন ৬০%-৭০% এবং লিপিড ৩০%-৪০%। এছাড়া এতে ১৫ ধরণের এনজাইম ও কো-এনজাইম থাকে। এনজাইম গুলো হলো- গ্লুকোজ ৬ ফসফেট, NADH ডায়াফোরেজ, ATP-ase, গ্লাইকোসাইল ট্রান্সফারেজ, NADH সাইটোক্রোম রিডাকটেজ ইত্যাদি।

উৎপত্তি ঃ কোষ ঝিল্লি এবং নিউক্লিয়ার ঝিল্লি থেকে এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম সৃষ্টি হয়।

                এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম কী ? এর প্রকারভেদ

এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম (Endoplasmic Reticulam)
গ্রীক শব্দ endo অর্থ ভিতরে, plasmic অর্থ প্লাজমা এবং reticulum অর্থ জালিকা নিয়ে Endoplasmic reticulum শব্দটি গঠিত। Endoplasmic reticulum এর অর্থ হলো অন্তঃপ্লাজমীয় জালিকা। কোষের সাইটোপ্লাজমে শাখা-প্রশাখাযুক্ত জালিকাকার ফাঁপা নালিকাকে এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম বলে। এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের ক্ষুদ্র অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে মাইক্রোসোম গঠন করে। ১৯৪৫ সালে বিজ্ঞানী Keith R. Porter, Albert Claude এবং Ernest F. Fullam সর্বপ্রথম যকৃত কোষে ইহা আবিষ্কার করেন। ১৯৫৩ সালে Keith R. Porter এর নামকরণ করা হয় এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম। প্রায় সকল প্রকৃতকোষে এটি পাওয়া যায়। যকৃত, অগ্ন্যাশয় এবং অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিতে এদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। স্তন্যপায়ীর লোহিত রক্তকণিকা এবং শুক্রাণুতে রেটিকুলাম থাকে না।

 

এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের প্রকারভেদ
১। মসৃন এন্ডোপ্লাজমিক (Smooth endoplasmic reticulum-SER) ঃ যে সব এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের গায়ে রাইবোজোম থাকে না তাদেরকে মসৃন এন্ডোপ্লাজমিক বা SER বলে। এরা লিপিড সংশ্লেষণ করে। পেশির সঙ্কোচনের সময় ইহা ক্যালসিয়াম নির্গত করে।
২। অমসৃন এন্ডোপ্লাজমি রেটিকুলাম (Rough endoplasmic reticulum-RER) ঃ যে সব এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের গায়ে রাইবোজোম থাকে তাদেরকে অমসৃন এন্ডোপ্লাজমি রেটিকুলাম বা RER বলে। এরা প্রোটিন সংশ্লেষণ করে। পেশির সঙ্কোচনের সময় ইহা ক্যালসিয়াম সঞ্চয় করে। অমসৃন রেটিকুলামে গ্লাইঅক্সিজোম নামক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা থাকে। এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা গুলোকে মাইক্রোজোম বলে।

লাইসোজোমকে ‘আত্মঘাতি থলী’ (suicidal bag) বলা হয়

লাইসোজোমকে ‘আত্মঘাতি থলী’ (suicidal bag) বলা হয়
প্রতিকূল পরিবেশে তীব্র খাদ্যাভাব দেখা দেয়। এসময় লাইসোজাইমের প্রাচীর ফেটে যায় এবং এনজাইম বাইরে বেরিয়ে আসে। এই এনজাইম কোষের অন্যান্য ক্ষুদ্রাঙ্গ গুলোকে নষ্ট করে দেয়। এ কাজকে স্ব-গ্রাস বা অটোফেগী বলে। এভাবে সমস্ত কোষও পরিপাক হয়ে যেতে পারে। একে অটোলাইসিস বলে। একারণে লাইসোজোমকে ‘সুইসাইডাল স্কোয়ড’ বা আতœঘাতী থলী বলে।

 লাইসোজোমের কাজ/গুরুত্ব

লাইসোজোমের কাজ/গুরুত্ব
১। লাইসোজোমে ৪০-৫০ ধরণের এনজাইম থাকে। এনজাইমগুলো অম্লীয় পরিবেশে কর্মক্ষম হয়
২। ইহা অন্তঃকোষীয় পরিপাকে সাহায্য করে
৩। বিগলনকারী এনজাইমকে আবদ্ধ করে রাখে যাতে অন্যান্য অঙ্গাণু রক্ষা পায়
৪। পিনোসাইটোসিস ও ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ভক্ষণ করে
৫। তীব্র খাদ্যাভাবের সময় এর প্রাচীর ফেটে যায় এবং এনজাইম বের হয়ে অন্যান্য অঙ্গাণুকে ধ্বংস করে দেয়। একে অটোলাইসিস বলে
৬। Autolysis প্রক্রিয়ায় দেহের অকেজো কোষ গুলোকে ধ্বংস করে। তাই একে suicidal bag বা squad বলা হয়
৭। কোষ বিভাজনে উদ্দীপনা যোগায় এবং নিউক্লিয়ার পর্দা ভাঙ্গতে সাহায্য করে
৮। ইহা হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করে
৯। এরা কোষের জন্য কেরাটিন প্রস্তুত করে
১০। ইহা ক্যানসার সৃষ্টি করতে পারে
১১। রুপান্তরের সময় ইহা দেহের অংশ বিশেষের (ব্যাঙাচির লেজ) অবলুপ্তি ঘটায়

লাইসোজোমের ভৌত ও রাসায়নিক গঠন

লাইসোজোমের ভৌত গঠন (Physical structure)
লাইসোজোম ক্ষুদ্র গোলাকার বা বৃত্তাকার অঙ্গাণু। বহু সংখ্যক হাইড্রোলাইটিক এনজাইম আবরণী দ্বারা আবৃত হয়ে লাইসোজোম গঠন করে। প্রতিটি লাইসোজোম দুই স্তরবিশিষ্ট আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে। তবে Spherosome বা Oleosome  এর আবরণী এক স্তরবিশিষ্ট। আবরণীটি লিপোপ্রোটিন দ্বারা গঠিত। বৃক্ক কোষের লাইসোজোম সবচেয়ে বড় হয়। এদের ব্যাস ০.২-০.৮ মিলিমাইক্রন। এর ভ্যাকুওল বা গহ্বর তরলে পূর্ণ থাকে। যে সব বস্তু লাইসোজোম হতে এনজাইম বের হতে দেয় না তাদেরকে স্ট্যাবিলাইজার (Stabilizer) বলে। যে সব বস্তু লাইসোজোম হতে এনজাইম বের হতে দেয় তাদেরকে ল্যাবিলাইজার (Labilizer) বলে।

লাইসোজোমের রাসায়নিক গঠন (Chemical structure)
১। লাইসোজোমে ৪০-৫০ ধরনের এনজাইম থাকে। প্রধান এনজাইম হলো- DNA-ase, RNA-ase, ফসফাটেজ, লাইপেজ, এস্টারেজ, স্যাকারেজ, সালফাটেজ, ডেক্সট্রোনেজ, লাইসোজাইম প্রভৃতি
২। এর আবরণী লিপিড ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত
৩। এতে অল্প পরিমাণ শর্করা থাকে

লাইসোজোম কী ? লাইসোজোমের বিস্তৃতি ও উৎপত্তি

লাইসোজোম (Lysosome)
গ্রীক শব্দ Lyso অর্থ হজমকারী এবংsoma অর্থ বস্তু নিয়ে Lysosme শব্দটি গঠিত। এর অর্থ হলো বস্তু হজমকারী। কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত অতি ক্ষুদ্র কোষীয় অঙ্গাণু যা পাচনকারী এনজাইম ধারণ করে ও খাদ্যকে পাচিত করে তাকে লাইসোজোম বলে। একে কোষের পাকস্থলী বলা হয়। ১৯৫৫ সালে বেলজিয়ান কোষবিজ্ঞানী দ্য দু’বে এর নামকরণ করেন লাইসোজোম।

বিস্তৃতিঃ  প্রায় সব প্রাণিকোষে লাইসোজোম থাকে। শ্বেত রক্তকণিকা, যকৃতকোষ, স্নায়ুকোষ, বৃক্ককোষ প্রভৃতিতে লাইসোজোম সবচেয়ে বেশি থাকে। লোহিত রক্তকণিকায় (RBC), ঈস্ট এবং অধিকাংশ উদ্ভিদ কোষে লাইসোজোম থাকে না। সম্প্রতি উদ্ভিদ কোষে লাইসোজোম আবিষ্কৃত হয়েছে। উদ্ভিদ কোষের লাইসোজোমকে Spherosome বা Oleosome বলা হয়। পিঁয়াজের বীজ, ভূট্রা এবং তামাকের কোষে লাইসোসোম পাওয়া যায়।

উৎপত্তিঃ  লাইসোজোম এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম হতে উৎপত্তি লাভ করে।

গলজিবডির গুরুত্ব

গলজিবডির গুরুত্ব
১। গলজিবডি কোষ প্রাচীর গঠন করে।
২। কোষ ঝিল্লি গঠনে সাহায্য করে।
৩। কোষ বিভাজনের সময় কোষ প্লেট তৈরী করে।
৪। প্রোটিনকে শর্করার সাথে যুক্ত করে গ্লাইকল (glycol) উৎপন্ন করে। যে প্রক্রিয়ায় গ্লাইকল উৎপন্ন হয় তাকে গ্লাইকোস্যালেশন বলে।
৫। ইহা শুক্রাণুর অ্যাক্রোজোম সৃষ্টি করে।
৬। লাইসোজোম গঠনে সাহায্য করে।
৭। ইহা প্রোটিন এবং ভিটামিন-সি সঞ্চয় করে।
৮। খাদ্য দ্রব্য জমা রাখে।
৯। এনজাইম ও হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করে।
১০। স্তন্যপায়ীর ক্যান্সার ও টিউমার কোষের গলজিবডি থেকে মেলানিন উৎপন্ন হয়।
১১। কোষের বিপাকীয় দ্রব্য ক্ষরণ করে।
১২। কোষকে ATP উৎপাদনে সাহায্য করে।
১৩। শর্করা থেকে গ্যালাকটোজ, সাইলিক এসিড, পেকটিন প্রভৃতি উৎপন্ন হয়।

উদ্ভিদ কোষে গলজি বডির গ্লাইকোপ্রোটিনের অলিগোস্যাকারাইডে পার্শ্ব শিকল যুক্ত করে। তাই উদ্ভিদ কোষে গলজিবডিকে কার্বোহাইড্রেট ফ্যাক্টরী বলা হয়।