Definition of Lever। Skeletal functions and rods and lever system

The interaction between bone and muscle during arm or leg movement is called lever. The force used to move the bone is called the fulcrum. Muscles exert tension or force during skeletal movement. The point of the lever where the force is applied is called the effort arm and the point where the force is attenuated is called the resistance arm.

মচকানোর প্রাথমিক চিকিৎসা

মচকানো রোগীকে অবশ্যই RICE করতে হবে।

RICE = Rest + Ice (বরফ) + Compression (ক্ষত পরিষ্কার) + Elevation (উচ্চতায় রাখা)

১। মচকানো অঙ্গ উঁচু করে রাখতে হবে। 

২। ক্রেপ ব্যান্ডেজ দিয়ে সপ্তাহ পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে। 

৩। মচকানো অঙ্গটি নড়াচড়া করানো যাবে না।

৪। কোন প্রকার মালিশ ব্যবহার করা যাবে না। 

৫। প্রথম দুই দিন ৩০ মিনিট পর পর মচকানো স্থান বরফ চাপা দেওয়া, যাতে ব্যথা কম হয়।

৬। দুই দিন পর পর গরম কাপড়ের সেক দেওয়া, যাতে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়।

৭। অস্থায়ী প্লাস্টার করা যেতে পারে।

৮। প্রথম সপ্তাহ লাঠি বা ক্রাচে ভর দিয়ে হাঁটতে হবে।

৯। হাঁটার সময় পায়ে একটি অতিরিক্ত ইলাস্টিক ব্যান্ডেজ পড়লে ভাল হয়।

১০। ব্যথা কমানোর জন্য রোগীকে ভরা পেটে Aspirin বা Diclofenac    ট্যাবলেট খাওয়াতে হবে।

মচকানোর লক্ষণ কী কী

১। অস্বাভাবিক ফোলা।

২। প্রচন্ড ব্যথা। 

৩। অঙ্গ চলাচলে ব্যথা বৃদ্ধি পায়।

৪। আঘাত প্রাপ্ত স্থানের তন্তু ক্ষতি গ্রস্থ হয়।

৫। আঘাত প্রাপ্ত স্থান কালো হয়ে যায়।

৬। লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেলে রক্তপাত হয়।

৭। পেশি আক্ষেপের সৃষ্টি হয়।

৮। হাঁটা চলা সমস্যা হয়।

অস্থিসন্ধির মচকানো কী । Joint sprain কী

আঘাতের কারণে অস্থি সন্ধির চার পাশের তন্তু বা রগ ক্ষতি গ্রস্থ হলে যে অবস্থার সৃষ্টি হয় তাকে মচকানো বা sprain বলে।

 

মচকানোর কারণঃ অস্থিসন্ধিতে অস্বাভাবিক বল প্রয়োগ করলে লিগামেন্ট অতি প্রসারিত হয়ে অস্থি মচকিয়ে যায়।

অস্থিসন্ধির স্থানচ্যুতি । অস্থিসন্ধির স্থানচ্যুতির সংজ্ঞা, প্রকারভেদ ও লক্ষণ । Joint dislocation

আঘাত বা অন্য কোন কারণে অস্থি সন্ধি গঠনকারী হাড় সরে গেলে তাকে অস্থিসন্ধির স্থানচ্যুতি বা লাক্সেশন (luxation) বলে। সড়ক দুর্ঘটনা, পড়ে যাওয়া, খেলাধুলা, আঘাত প্রভৃতি কারণে অস্থি স্থানচ্যুতি ঘটে। X-ray এর মাধ্যমে অস্থির স্থানচ্যুতি নির্ণয় করা হয়।

 

 অস্থিচ্যুতির প্রকারভেদ

অস্থিচ্যুতি চার ধরনের।

১। জন্মগত চ্যুতিঃ জন্মের সময় অনেক শিশু অস্থিচ্যুতি নিয়ে ভূমিষ্ট হয়।

২। রোগজনিত চ্যুতিঃ বিভিন্ন রোগের কারণে অস্থিচ্যুতি হতে পারে।

৩। বাতব্যধিজনিত চ্যুতিঃ বাতব্যথার কারণে পেশির ভারসাম্য হারালে অস্থিচ্যুতি হতে পারে।

৪। আঘাতজনিত চ্যুতিঃ দুর্ঘটনা বা অন্য কোন কারণে অস্থিচ্যুতি ঘটে।

 

অস্থি স্থানচ্যুতির লক্ষণ

১। অস্থিচ্যুতির স্থান ব্যথা হয় এবং ফুলে যায়।

২। দেহের অঙ্গ  কাজে অক্ষম হয়।

৩। বিচ্যুত অস্থি বের হয়ে আসতে পারে।

৪। কাঁধ নিতম্বের অস্থিচ্যুতি হলে হাত পা নাড়ানো যায় না।

৫। আঙ্গুলের অস্থিচ্যুতি হলে হাত কাজ করতে পারে না।

অস্থি স্থানচ্যুতির লক্ষণ

১। অস্থিচ্যুতির স্থান ব্যথা হয় এবং ফুলে যায়।

২। দেহের অঙ্গ  কাজে অক্ষম হয়।

৩। বিচ্যুত অস্থি বের হয়ে আসতে পারে।

৪। কাঁধ নিতম্বের অস্থিচ্যুতি হলে হাত পা নাড়ানো যায় না।

৫। আঙ্গুলের অস্থিচ্যুতি হলে হাত কাজ করতে পারে না।

অস্থিচ্যুতির প্রকারভেদ

অস্থিচ্যুতি চার ধরনের।

১। জন্মগত চ্যুতিঃ জন্মের সময় অনেক শিশু অস্থিচ্যুতি নিয়ে ভূমিষ্ট হয়।

২। রোগজনিত চ্যুতিঃ বিভিন্ন রোগের কারণে অস্থিচ্যুতি হতে পারে।

৩। বাতব্যধিজনিত চ্যুতিঃ বাতব্যথার কারণে পেশির ভারসাম্য হারালে অস্থিচ্যুতি হতে পারে।

৪। আঘাতজনিত চ্যুতিঃ দুর্ঘটনা বা অন্য কোন কারণে অস্থিচ্যুতি ঘটে।

অস্থিসন্ধির স্থানচ্যুতি কী । Joint dislocation কী

আঘাত বা অন্য কোন কারণে অস্থি সন্ধি গঠনকারী হাড় সরে গেলে তাকে অস্থিসন্ধির স্থানচ্যুতি বা লাক্সেশন (luxation) বলে। সড়ক দুর্ঘটনা, পড়ে যাওয়া, খেলাধুলা, আঘাত প্রভৃতি কারণে অস্থি স্থানচ্যুতি ঘটে। X-ray এর মাধ্যমে অস্থির স্থানচ্যুতি নির্ণয় করা হয়।

অস্থিভঙ্গের জটিলতা কী

১। রোগী জ্ঞান হারাতে পারে, নড়াচড়া বা শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

২। ব্যথাসহ ফুলে যেতে পারে বা রক্তক্ষরণ হতে পারে।

৩। হাত, পা বা অস্থিসন্ধি বিকৃত হতে পারে।

৪। শিশুর দৈহিক বৃদ্ধি রহিত হতে পারে।

৫। মাংস ত্বক ছিড়ে অস্থি বের হয়ে আসতে পারে।

৬। আঘাত প্রাপ্ত স্থান অসাড় বা নীলাভ বর্ণের হয়ে যেতে পারে।

৭। মস্তিষ্ক, ফুসফুস, যকৃত, হৃৎপিন্ড প্রভৃতি আঘাত পেতে পারে।

ভাঙ্গা অস্থি চেনার উপায় কী

১। আঘাত প্রাপ্ত অঙ্গ নড়াচড়া করলে খুব ব্যাথা লাগে।

২। রোগী আঘাত প্রাপ্ত অঙ্গ একেবারেই নড়াচড়া করতে পারে না। 

৩। আঘাত প্রাপ্ত অংশে মৃদু চাপ দিলেই খুব ব্যাথা অনুভব হয়। 

৪। যে স্থানে বেশি ব্যথা হয় সেই অঙ্গের আকারের পরিবর্তন দেখা দেয়। 

৫। আঘাত প্রাপ্ত স্থানে ফোলা ফোলা লাগে।