জটিল অস্থিভঙ্গ । জটিল বা চাপা অস্থিভঙ্গের সংজ্ঞা, লক্ষণ ও চিকিৎসা । Complex fracture

অস্থি ভেঙ্গে যদি কয়েক টুকরায় পরিনত হয় তবে তাকে জটিল অস্থিভঙ্গ বলে। অস্টিওপোরোসিসের কারণে এরুপ হতে পারে। এক্ষেত্রে ভাঙ্গা অংশ ব্যান্ডেজ করে দিতে হয়। এরপর অপারেশন করা হয়। প্রধান দুইটি হাড় ভাঙ্গা হলো

১। কয়েক টুকরাবিশিষ্টঃ ভাঙা টুকরার সংখ্যা কম এবং টুকরা গুলো সামান্য বড় হয়।

১। বহু টুকরাবিশিষ্টঃ ভাঙা টুকরার সংখ্যা অনেক এবং টুকরা গুলো ছোট হয়।

 

জটিল অস্থিভঙ্গের প্রাথমিক চিকিৎসা

১। রোগীর শ্বাসপ্রশ্বাস সহজ করতে হবে। 

২। রক্তক্ষরণ কমানোর জন্য আঘাত অঙ্গ উঁচু করে রাখতে হবে।

৩। রোগীর নাড়ী স্পন্দন দেখতে হবে। 

৪। রোগীর রক্তচাপ নির্ণয় করতে হবে। 

৫। ব্যথা কমানোর জন্য রোগীকে ভরা পেটে Aspirin বা Diclofenac  ট্যাবলেট খাওয়াতে হবে।

৬। রোগীকে দ্রæ হাসপাতালে নিতে হবে।

জটিল অস্থিভঙ্গের প্রাথমিক চিকিৎসা

১। রোগীর শ্বাসপ্রশ্বাস সহজ করতে হবে। 

২। রক্তক্ষরণ কমানোর জন্য আঘাত অঙ্গ উঁচু করে রাখতে হবে।

৩। রোগীর নাড়ী স্পন্দন দেখতে হবে। 

৪। রোগীর রক্তচাপ নির্ণয় করতে হবে। 

৫। ব্যথা কমানোর জন্য রোগীকে ভরা পেটে Aspirin বা Diclofenac  ট্যাবলেট খাওয়াতে হবে।

৬। রোগীকে দ্রæ হাসপাতালে নিতে হবে।

জটিল বা চাপা অস্থিভঙ্গ কী । Complex fracture কী

অস্থি ভেঙ্গে যদি কয়েক টুকরায় পরিনত হয় তবে তাকে জটিল অস্থিভঙ্গ বলে। অস্টিওপোরোসিসের কারণে এরুপ হতে পারে। এক্ষেত্রে ভাঙ্গা অংশ ব্যান্ডেজ করে দিতে হয়। এরপর অপারেশন করা হয়। প্রধান দুইটি হাড় ভাঙ্গা হলো

১। কয়েক টুকরাবিশিষ্টঃ ভাঙা টুকরার সংখ্যা কম এবং টুকরা গুলো সামান্য বড় হয়।

১। বহু টুকরাবিশিষ্ট ভাঙা টুকরার সংখ্যা অনেক এবং টুকরা গুলো ছোট হয়।

যৌগিক অস্থিভঙ্গ । যৌগিক বা মুক্ত অস্থিভঙ্গের সংজ্ঞা, লক্ষণ ও চিকিৎসা । Compound fracture

অস্থি ভেঙ্গে যদি মাংসের বাইরে বের হয়ে আসে তবে তাকে যৌগিক অস্থিভঙ্গ বলে। অস্থিও আড়াআড়ি ভাঙ্গা (transverse) বা তির্যক (oblique) ভাঙ্গা হতে পারে। এক্ষেত্রে ভাঙ্গা অংশ ব্যান্ডেজ করে দিতে হয়। এরপর অপারেশন করা হয় এক্ষেত্রে জীবাণুর সংক্রমণ হতে পারে।

 

যৌগিক অস্থিভঙ্গের লক্ষণ

১। হাড় ভেঙ্গে বের হয়ে আসে।

২। ভাঙ্গা স্থান ফুলে যায়।

৩। প্রচন্ড ব্যথা হয়।

৪। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।

৫। ভাঙ্গা স্থান নড়াচড়া করা যায় না।

৬। রোগী অজ্ঞান হতে পারে।

 

যৌগিক অস্থিভঙ্গের প্রাথমিক চিকিৎসা

১। ভাঙ্গা অঙ্গটি খুব সাবধানে সোজা করে রাখতে হবে।

২। রোগী অজ্ঞান হয়ে গেলে মুখ পরিষ্কার করতে হবে।

৩। রোগীর নাড়ী স্পন্দন দেখতে হবে।

৪। রোগীর রক্তচাপ নির্ণয় করতে হবে।

৫। ব্যথা কমানোর জন্য রোগীকে ভরা পেটে Aspirin বা Diclofenac ট্যাবলেট খাওয়াতে হবে।

৬। চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

যৌগিক অস্থিভঙ্গের প্রাথমিক চিকিৎসা

১। ভাঙ্গা অঙ্গটি খুব সাবধানে সোজা করে রাখতে হবে।

২। রোগী অজ্ঞান হয়ে গেলে মুখ পরিষ্কার করতে হবে।

৩। রোগীর নাড়ী স্পন্দন দেখতে হবে।

৪। রোগীর রক্তচাপ নির্ণয় করতে হবে।

৫। ব্যথা কমানোর জন্য রোগীকে ভরা পেটে Aspirin বা Diclofenac ট্যাবলেট খাওয়াতে হবে।

৬। চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

যৌগিক অস্থিভঙ্গের লক্ষণ কী কী

১। হাড় ভেঙ্গে বের হয়ে আসে।

২। ভাঙ্গা স্থান ফুলে যায়।

৩। প্রচন্ড ব্যথা হয়।

৪। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।

৫। ভাঙ্গা স্থান নড়াচড়া করা যায় না।

৬। রোগী অজ্ঞান হতে পারে।

যৌগিক বা মুক্ত অস্থিভঙ্গ কী । Compound fracture

অস্থি ভেঙ্গে যদি মাংসের বাইরে বের হয়ে আসে তবে তাকে যৌগিক অস্থিভঙ্গ বলে। অস্থিও আড়াআড়ি ভাঙ্গা (transverse) বা তির্যক (oblique) ভাঙ্গা হতে পারে। এক্ষেত্রে ভাঙ্গা অংশ ব্যান্ডেজ করে দিতে হয়। এরপর অপারেশন করা হয় এক্ষেত্রে জীবাণুর সংক্রমণ হতে পারে।

সাধারণ বা বদ্ধ অস্থিভঙ্গ । সাধারণ বা বদ্ধ অস্থিভঙ্গের সংজ্ঞা, লক্ষণ ও চিকৎসা । Simple fracture

অস্থি ভেঙ্গে যদি মাংসের ভিতরেই থেকে যায় এবং বাইরে বের হয়ে আসে না তাকে সাধারণ অস্থিভঙ্গ বলে। অস্থি বেঁকে গেলে তাকে গ্রিনস্টিক অস্থিভঙ্গ (greenstick fracture) বলে। এক্ষেত্রে ভাঙ্গা অংশ ব্যান্ডেজ করে দিতে হয়। তবে অপারেশনের প্রয়োজন হয় না। ইহা সপ্তাহের মধ্যে নিরাময় হয়।

 

সাধারণ অস্থিভঙ্গের লক্ষণ

১। আঘাত প্রাপ্ত স্থান ফুলে যায়।

২। আঘাত প্রাপ্ত অঙ্গ নড়াচড়া করলে ব্যথা লাগে।

৩। আহত স্থানে সূঁচ ফুটানোর মতো ব্যথা অনুভূত হয়।

৪। প্রচন্ড ব্যথা হয়।

৫। সামান্য ভারী জিনিস তুলতে পারে না।

৬। হাত পা অসাড় হয়ে আসে।

৭। হাত বা পায়ের সন্ধির আকার পরিবর্তন হয়।

৮। রোগী অজ্ঞান হতে পারে।

 

সাধারণ অস্থিভঙ্গের প্রাথমিক চিকিৎসা

১। অস্থিভঙ্গের সঠিক স্থান মাত্রা চিহ্নিত করতে হবে।

২। ভাঙ্গা অঙ্গটি খুব সাবধানে সোজা করে রাখতে হবে।

৩। ভাঙ্গা অংশ টানাটানি করা যাবে না।

৪। দেহের উপরের অংশে ভাঙ্গলে রোগীকে শোয়াতে হবে এবং নিচের অংশ ভাঙ্গলে রোগীকে বসিয়ে দিতে হবে।

৫। ক্ষত স্থান পরিষ্কার রাখা।

৬। বরফ চাপা দেওয়া যেতে পারে।

৭। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ঢোলাঢেলা কাপড় পড়া।

৮। ভাঙ্গা অংশ স্পিন্ট বা বন্ধফলক দিয়ে বেঁধে দিতে হবে। 

৯। রক্ত প্রবাহ পরীক্ষা করতে হবে।

১০। ভাঙ্গা অঙ্গটি ১০ ইঞ্চি উঁচুতে রাখতে হবে।

১১। রোগীকে ব্যথানাশক ওষুধ খেতে হবে। 

১২। চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সাধারণ অস্থিভঙ্গের প্রাথমিক চিকিৎসা

১। অস্থিভঙ্গের সঠিক স্থান মাত্রা চিহ্নিত করতে হবে।

২। ভাঙ্গা অঙ্গটি খুব সাবধানে সোজা করে রাখতে হবে।

৩। ভাঙ্গা অংশ টানাটানি করা যাবে না।

৪। দেহের উপরের অংশে ভাঙ্গলে রোগীকে শোয়াতে হবে এবং নিচের অংশ ভাঙ্গলে রোগীকে বসিয়ে দিতে হবে।

৫। ক্ষত স্থান পরিষ্কার রাখা।

৬। বরফ চাপা দেওয়া যেতে পারে।

৭। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ঢোলাঢেলা কাপড় পড়া।

৮। ভাঙ্গা অংশ স্পিøন্ট বা বন্ধফলক দিয়ে বেঁধে দিতে হবে। 

৯। রক্ত প্রবাহ পরীক্ষা করতে হবে।

১০। ভাঙ্গা অঙ্গটি ১০ ইঞ্চি উঁচুতে রাখতে হবে।

১১। রোগীকে ব্যথানাশক ওষুধ খেতে হবে। 

১২। চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

 

সাধারণ অস্থিভঙ্গের লক্ষণ কী কী

১। আঘাত প্রাপ্ত স্থান ফুলে যায়।

২। আঘাত প্রাপ্ত অঙ্গ নড়াচড়া করলে ব্যথা লাগে।

৩। আহত স্থানে সূঁচ ফুটানোর মতো ব্যথা অনুভূত হয়।

৪। প্রচন্ড ব্যথা হয়।

৫। সামান্য ভারী জিনিস তুলতে পারে না।

৬। হাত পা অসাড় হয়ে আসে।

৭। হাত বা পায়ের সন্ধির আকার পরিবর্তন হয়।

৮। রোগী অজ্ঞান হতে পারে।