লাইকেনের মাটি গঠনে ভূমিকা

১। পর্বতগাত্রে ফাটল সৃষ্টিঃ মরু পর্বতগাত্রের পাথরে ক্রাস্টোজ লাইকেন জন্মে। ক্রাস্টোজ লাইকেন পর্বতগাত্রে সুক্ষ্ম ফাটল সৃষ্টি করে। এতে বড় বড় পাথরগুলো ভেঙ্গে ছোট ছোট পাথরে পরিনত হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

২। শিলাত্বকে ক্ষত সৃষ্টিঃ লাইকেন থেকে নিঃসৃত অক্সালিক এসিড কার্বনিক এসিড পর্বতের শিলাত্বকে ক্ষত সৃষ্টি করে। এতে পাথরের স্থায়িত্ব কমে যায় এবং ভঙ্গুর প্রকৃতির হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

৩। পাথরকে বিচূর্ণকরণঃ লাইকেনের শ্বসনে সৃষ্ট কার্বন ডাই অক্সাইড বৃষ্টির পানির সাথে মিশে কার্বনিক এসিড গঠন করে। কার্বনিক এসিড পাথরকে বিচুর্ণ করে। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাথরে পরিনত হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

৪। মৃত্তিকা গঠনঃ লাইকেনের মৃতদেহ জমা হয়ে হিউমাস গঠন করে। হিউমাস পাথরের গুণগত মান নষ্ট করে দেয় এবং পাথরের সাথে মিশে মৃত্তিকা গঠন করে। মৃত্তিকা গঠনের পদ্ধতিকে পেডোজেনেসিস বলে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

৫। উর্বর মাটি সৃষ্টিঃ ফলিয়োজ লাইকেন, ফ্রুটিকোজ লাইকেন, মস, ফার্ন প্রভৃতির মৃতদেহ মৃত্তিকার সাথে মিশে উর্বর মাটি সৃষ্টি করে। উর্বর মাটিতে বিভিন্ন ধরনের ফসলী এবং বনজ উদ্ভিদ জন্মে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

লাইকেনের পেডোজেনেসিস একটি দীর্ঘস্থায়ী ধীরগতির প্রক্রিয়া। এটি একটি প্রাকৃতিক পদ্ধতি এবং বহু বছরের ফলাফল। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

লাইকেনের পরিবেশীয় গুরুত্ব । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। পাথর থেকে মাটি তৈরীঃ লাইকেন থেকে নির্গত CO2 বৃষ্টির পানির সাথে মিশে কার্বনিক এসিড উৎপন্ন করে। কার্বনিক এসিড পাথরকে ক্ষয় করে ছোট ছোট কণায় পরিনত করে। কণা গুলো লাইকেনের মৃত দেহের সাথে মিশে মাটি গঠন করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

২। মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধিঃ লাইকেনের মৃত দেহ মাটিতে হিউমাস গঠন করে। হিউমাস মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং উর্বরতা বাড়ায়।

৩। পরিবেশ বিশুদ্ধকরণঃ লাইকেন সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় CO2 গ্রহণ করে এবং O2 নির্গত করে। ফলে বায়ুমন্ডল বিশুদ্ধ থাকে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

৪। দূষক পদার্থ শোষণঃ লাইকেনের বৃদ্ধির জন্য দূষণ মুক্ত নির্মল বায়ু প্রয়োজন হয়। এরা বায়ু দূষণ সহ্য করতে পারে না। তাই লাইকেন বায়ু থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড, ভারি ধাতু এবং অন্যান্য দূষক শোষণ করে।

৫। নাইট্রোজেন সংবন্ধনঃ লাইকেন গঠনকারী সায়ানোব্যাকটেরিয়া (Nostoc, Anabaena) বায়ুর মুক্ত নাইট্রোজেন গ্রহণ করে NH3, NO3 প্রভৃতিতে পরিনত করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

৬। পরিবেশীয় নির্দেশকঃ লাইকেন পরিবেশের দুষণ নির্দেশক (Indicator) হিসেবে কাজ করে। কোন দুষিত এলাকায় লাইকেন জন্মালে বুঝা যাবে এলাকায় বায়ু দুষণ হ্রাস পাচ্ছে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

৭। পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধিঃ উন্মুক্ত পাহাড় এবং গাছের বাকলে লাইকেন জন্মে তাদেরকে দৃষ্টিনন্দন করে। ফলে পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।

৮। প্রাথমিক ক্রমাগমকঃ মরুজ কিংবা পাথুরে স্থানে বনভূমি সৃষ্টিতে লাইকেন প্রাথমিক ক্রমাগমক হিসেবে প্রধান ভূমিকা পালন করছে। এরা বনভূমি সৃষ্টির সূচনা করে উদ্ভিদ ক্রমাগমনের প্রথম ধাপ গঠন করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

৯। অক্সিজেন নির্গমণঃ লাইকেন সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পরিবেশে অক্সিজেন নির্গত করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

১০। ইকোসিস্টেমের গতিশীলতাঃ লাইকেন ইকোসিস্টেমের উপাদান। লাইকেনের উপর প্রাণীরা নির্ভরশীল। তাই লাইকেন ইকোসিস্টেমের গতিশীলতায় সহায়তা করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

১১। বিনাশী কার্যঃ কাঠ, গাছের গুড়ি, দেয়াল, ছাদ ইত্যাদিতে লাইকেন জন্মে ক্ষয় সাধন করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

লাইকেনের অপকারী ভুমিকা । লাইকেনের ক্ষতিকর দিক । Harmful Role of Lichen । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। বিষাক্ত লাইকেন (Parmelia molliuscula) ভক্ষণ করলে মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর মৃত্যু হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
২। ইহা প্রাচীর ও দালানে জন্মে ক্ষয় সাধন করে।
৩। এরা মার্বেল পাথরের তৈরী দালান ও সৌধের ক্ষতি করে।
৪। Usnea ও Evernia নামক লাইকেন মানুষের চর্মরোগ, এলার্জি, হাঁপানী প্রভৃতি রোগ সৃষ্টি করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৫। জানালা-দরজা এবং কাঠের স্থায়ীত্ব ও সৌন্দর্য নষ্ট করে।
৬। Cladonia, Amphiloma, Usnea প্রভৃতি আশ্রয়দাতা উদ্ভিদের ক্ষতি করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৭। Usnea লাইকেন এক গাছ থেকে অন্য গাছে দাবানলের আগুন ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৮। Letharia vulpina লাইকেনে বিষাক্ত পদার্থ থাকে এবং ইহা নেকড়ে নিধনে ব্যবহার করা হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

লাইকেনের উপকারী ভুমিকা ।। Beneficial of Lichen ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। মানুষের খাদ্যঃ লাইকেনে ‘লাইকেনিন’ নামক শর্করা থাকায় মানুষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। নরওয়ে, সুইডেন ও আইসল্যান্ডে Cetraria islandica, মিশরে Evernia prunastri, ভারতে Parmelia sulcata এবং চীন ও জাপানে Endocarpon miniatum (স্টোন মাশরুম) মানুষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
২। পশু খাদ্যঃ তুন্দ্রা অঞ্চলে রেইনডিয়ার মস (Cladonia rangiferina) নামক লাইকেন বলগা হরিণ ও গবাদিপশুর প্রিয় খাদ্য। Labaria pulmonaria, Ramalina fraxinea, Evernea prunastri, Cetraria islandica প্রভৃতি লাইকেন গবাদি পশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। ক্যারিবু, চমরি গরু ও বিভিন্ন বন্যপ্রাণী লাইকেনের উপর বহুলাংশে নির্ভরশীল। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৩। ওষুধ উৎপাদনঃ ওষুধ উৎপাদনে লাইকেনের ব্যবহার হলো-
(i) Rocella montagnei লাইকেন থেকে ইরিথ্রিন (Erythrin) উৎপন্ন হয়। ইরিথ্রিন অ্যানজাইনা বা হৃৎরোগের চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
(ii) লাইকেন থেকে উৎপন্ন উসনো (Usno) ও ইভোসিন (Evosin) ক্রিম (এন্টিসেপ্টিক) টিউমার ও ভাইরাস প্রতিরোধে এবং ব্যথা নিরাময়ে ব্যবহার হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
(iii) লাইকেন থেকে উৎপন্ন লিচেনিন (Lichenin) ও আইসোলিচেনিন (Isolichenin) টিউমার প্রতিরোধ করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
(iv) Peltigera canina জলাতঙ্ক রোগে এবং Cladonia cristatella হুপিং কাশি রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
(v) জন্ডিস, ডায়রিয়া, জ্বর ও চর্মরোগের ওষুধ লাইকেন থেকে তৈরী করা হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
(vi) Cetraria islandica যক্ষ্মা রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
(vii) লাইকেন থেকে উৎপন্ন উসনিক এসিড গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়ার উপর অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
(viii) লাইকেন থেকে উৎপন্ন প্রোটোলিচেস্টেরিনিক এসিড ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহার হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
(ix) Lobaria pulmonaria লাইকেন ফুসফুসের রোগ নিরাময়ে ব্যবহার হয়।
(x) Xanthoria জন্ডিস রোগ নিরাময়ে ব্যবহার হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৪। উদ্ভিদ রোগ নিরাময়ঃ লাইকেন থেকে উৎপন্ন সোডিয়াম উসনেট টমেটোর ক্যাঙ্কার রোগে এবং লিকানোরিক এসিড তামাকের মোজাইক রোগে ব্যবহার হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৫। মাটি গঠনঃ মরু ও পর্বতগাত্রের পাথরে লাইকেন সু² ফাটল সৃষ্টি করে। লাইকেনের শ্বসনে সৃষ্ট কার্বন ডাই অক্সাইড বৃষ্টির পানির সাথে মিশে কার্বোনিক এসিড গঠন করে। কার্বোনিক এসিড পাথরকে বিচুর্ণ করে। বিচুর্ণ পাথরের সাথে লাইকেনের মৃতদেহ মিশে হিউমাস সৃষ্টি করে। হিউমাস গঠনের মাধ্যমেই মাটি গঠিত হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৬। কীট পতঙ্গের খাদ্যঃ Caloplaca saxicola, Circinaria calcaea, Begonia lichenora, Aspicilia cinerea প্রভৃতি পিপীলিকা, শুয়োপোকা ও শামুকের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৭। রং তৈরীঃ লাইকেন থেকে আর্চিল ও ক্যাডবেয়ার নামক মুল্যবান নীল তৈরী করা হয়। Rocella tinctoria থেকে তৈরীকৃত আর্চিল ও অর্সেইন আণুবীক্ষণিক বস্তু রং করার জন্য ব্যবহার হয়। Ochrolechia androgyna ও Ochrolechia tartaria থেকে লাল ও বেগুনী রং তৈরী করা হয়। উলেন ও সিল্ক জাতীয় কাপড় রং করতে ইহা ব্যবহার হয়।
৮। লিটমাস কাগজ তৈরীঃ Rocella montaignei ও Lasallia papulosa নামক লাইকেন থেকে লিটমাস কাগজ তৈরী করা হয়।
৯। টেনিন উৎপাদনঃ Cetraria islandica ও Lobaria pulmonaria থেকে ট্যানিন পাওয়া যায় যা চামড়া ট্যানিংয়ের কাজে ব্যবহার হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১০। রাসায়নিক উপাদানঃ লাইকেনে ৫৫০ এর বেশি প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে। লাইকেনিন, জেওরিন, ক্যালিসিন, ফাইসিয়ন, জ্যানথমস্, টারপিনয়েডস্, বেনজাইল স্টার্চ, উসনিক এসিড, রাইজোকার্পিক এসিড, স্যালাজেনিক এসিড (Ramalina fraxinea), লেকানরিক এসিড (Parmelia saxatilis), স্কোয়ামেটিক এসিড (Cladonia rangiferina), আর্সেনিক এসিড, জিওরিন প্রভৃতি লাইকেন থেকে পাওয়া যায়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১১। উত্তেজক পদার্থ তৈরীঃ Usnea filipendula ও Ramalia dumeticola থেকে অ্যালকোহল, বিয়ার প্রভৃতি তৈরী করা হয়।
১২। সুগন্ধি প্রসাধনীঃ Evernia prunastri ও Pseudevernia furfuracea থেকে ন্যাপথালিন, কর্পুর, জেরানিয়ল ও বর্নেল উৎপন্ন হয়। এসব উপাদান দিয়ে সাবান, সুগন্ধি ও অন্যান্য প্রসাধনী তৈরী করা হয়।
১৩। দুষণ নির্দেশকঃ লাইকেন পরিবেশের দুষণ নির্দেশক হিসেবে কাজ করে। কোন দুষিত এলাকায় লাইকেন জন্মালে বুঝা যাবে ঐ এলাকায় বায়ু দুষণ হ্রাস পাচ্ছে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১৪। শিল্পক্ষেত্রেঃ চামড়া শিল্পে চামড়া পাকানোর কাজে লাইকেন ব্যবহৃত হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১৫। মরুজ ক্রমাগমনঃ মরুভুমিতে প্রথম উদ্ভিদ হিসেবে লাইকেন জন্মে এবং জেরোসেরি সূচনা করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

লাইকেন থেকে সুগন্ধি প্রসাধনী তৈরী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

Evernia prunastri ও Pseudevernia furfuracea থেকে ন্যাপথালিন, কর্পুর, জেরানিয়ল ও বর্নেল উৎপন্ন হয়। এসব উপাদান দিয়ে সাবান, সুগন্ধি ও অন্যান্য প্রসাধনী তৈরী করা হয়।

লাইকেন থেকে উত্তেজক পদার্থ তৈরী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

Usnea filipendula ও Ramalia dumeticola থেকে অ্যালকোহল, বিয়ার প্রভৃতি তৈরী করা হয়।

লাইকেনের রাসায়নিক উপাদান । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

লাইকেনে ৫৫০ এর বেশি প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে। লাইকেনিন, জেওরিন, ক্যালিসিন, ফাইসিয়ন, জ্যানথমস্, টারপিনয়েডস্, বেনজাইল স্টার্চ, উসনিক এসিড, রাইজোকার্পিক এসিড, স্যালাজেনিক এসিড (Ramalina fraxinea), লেকানরিক এসিড (Parmelia saxatilis), স্কোয়ামেটিক এসিড (Cladonia rangiferina), আর্সেনিক এসিড, জিওরিন প্রভৃতি লাইকেন থেকে পাওয়া যায়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

লাইকেন থেকে টেনিন উৎপাদন । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

Cetraria islandica ও Lobaria pulmonaria থেকে ট্যানিন পাওয়া যায় যা চামড়া ট্যানিংয়ের কাজে ব্যবহার হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

লাইকেন থেকে লিটমাস কাগজ তৈরী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

Rocella montaignei ও Lasallia papulosa নামক লাইকেন থেকে লিটমাস কাগজ তৈরী করা হয়।

লাইকেন থেকে রং তৈরী । ড. সিদ্দক পাবলিকেশন্স

লাইকেন থেকে আর্চিল ও ক্যাডবেয়ার নামক মুল্যবান নীল তৈরী করা হয়। Rocella tinctoria থেকে তৈরীকৃত আর্চিল ও অর্সেইন আণুবীক্ষণিক বস্তু রং করার জন্য ব্যবহার হয়। Ochrolechia androgyna ও Ochrolechia tartaria থেকে লাল ও বেগুনী রং তৈরী করা হয়। উলেন ও সিল্ক জাতীয় কাপড় রং করতে ইহা ব্যবহার হয়।