- Decomposable organic compounds, heavy metals, cyanide, sulphur, lead, mercury, copper, zinc, chromium, cadmium, phenol, arsenic, nickel, ammonia, chlorine compounds, phosphates, nitrates etc. are emitted from industrial plants. All these decaying substances cause bad smell. Contaminates soil, water and air. Sometimes it causes acid rain. These substances are converted into pollution free substances with the help of microorganisms through biotechnology.
- Insoluble chemicals such as H2S, SO2, NO2, DDT, carbon tetrachloride etc. are emitted from industrial plants. All these non-degradable substances are neutralized by biological technology.
- Chlorine is used to bleach raw materials in the paper industry. Paper and pulp industries emit lignin, cellulose and chlorine. Lignin and chlorine are detoxified with the help of enzymes.
- A yeast called Torula grows in wastes from paper and paper pulp. Such waste contains a large amount of protein. Amino acids are made from these wastes.
- Single cell proteins are extracted from yeast and some bacteria. This protein keeps the environment free of pollutants.
- A large amount of cellulose waste is released from jute industry, textile industry, cotton industry and silk industry. Cellulose is converted into simpler substances by Cellulomonas and Alcaligenes bacteria. Organic acids, proteins, amino acids, vitamins, ethanol, acetone, glycerin, gutanol etc. are produced from such waste.
- Lactic acid is produced from milk factory waste. As a result, the environment is free from pollution.
- Water can be dechlorinated by using species such as Tremetes versicolor, Pholiota mutabilis, Phlebia subserialis etc. mixed with chlorine waste water.
Category: Biology Second Paper
জীবপ্রযুক্তি ।। কারখানা ও খনি থেকে নির্গত বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জীবপ্রযুক্তি
১। শিল্প কারখানা থেকে পচনশীল জৈব যৌগ, ভারী ধাতু, সায়ানাইড, সালফার, লেড, মারকারী, কপার, জিঙ্ক, ক্রোমিয়াম, ক্যাডমিয়াম, ফেনল, আর্সেনিক, নিকেল, অ্যামোনিয়া, ক্লোরিন যৌগ, ফসফেট, নাইট্রেট প্রভৃতি নির্গত হয়। এ সব পচনশীল বস্তু দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। মাটি, পানি ও বায়ু দুষিত করে। অনেক সময় এসিড বৃষ্টি ঘটায়। জৈব প্রযুক্তির মাধ্যমে অণুজীবের সাহায্যে এসব পদার্থকে দুষণ মুক্ত পদার্থে পরিনত করা হয়।
২। শিল্প কারখানা থেকে অপচনশীল রাসায়নিক পদার্থ H2S, SO2, NO2, DDT, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড প্রভৃতি নির্গত হয়। এ সব অপচনশীল পদার্থকে জৈব প্রযুক্তির মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা হয়।
৩। কাগজ শিল্পে কাঁচামালকে বিøচ করতে ক্লোরিন ব্যবহৃত হয়। কাগজ ও মন্ড শিল্প হতে লিগনিন, সেলুলোজ ও ক্লোরিন নির্গত হয়। এনজাইমের সাহায্যে লিগনিন ও ক্লোরিনকে দুষণ মুক্ত করা হয়।
৪। কাগজ ও কাগজের মন্ড থেকে নির্গত বর্জ্যে Torula নামক ঈস্ট জন্মে। এরুপ বর্জ্যে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। এ সব বর্জ্য থেকে অ্যামাইনো এসিড তৈরী করা হয়।
৫। ঈস্ট ও কিছু ব্যাকটেরিয়া থেকে Single cell প্রোটিন আহরণ করা হয়। এই প্রোটিন পরিবেশকে দুষণ মুক্ত রাখে।
৬। পাটশিল্প, বস্ত্রশিল্প, তুলাশিল্প ও ইক্ষু শিল্প হতে বিপুল পরিমাণ সেলুলোজ জাতীয় বর্জ্য নির্গত হয়। Cellulomonas ও Alcaligenes ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সেলুলোজকে সরল পদার্থে রুপান্তরিত করা হয়। এরুপ বর্জ্য থেকে জৈব এসিড, প্রোটিন, অ্যামাইনো এসিড, ভিটামিন, ইথানল, অ্যাসিটোন, গিøসারিন, গøুটানল প্রভৃতি তৈরী করা হয়।
৭। দুধের কারখানার বর্জ্য থেকে ল্যাক্টিক এসিড তৈরী করা হয়। ফলে পরিবেশ দূষণ মুক্ত থাকে।
৮। ক্লোরিন বর্জ্য মিশ্রিত পানিতে Tremetes versicolor, Pholiota mutabilis, Phlebia subserialis প্রভৃতি প্রজাতি ব্যবহার করে পানিকে ক্লোরিন মুক্ত করা যায়।
৯। জার্মানিতে অ্যালুমিনিয়াম কারখানার বর্জ্য থেকে ফেরিফ্লক তৈরী করা হয়। ফেরিফ্লক দ্বারা দূষিত পানি শোধন করা হয়।
বায়োটেকনোলজি ।। শিল্পক্ষেত্রে জীবপ্রযুক্তি
১। খাদ্য ও জৈবশক্তি উৎপাদন।
২। ইথানল, ল্যাকটিক এসিড, অ্যাসিটোন, গিøসারিন, সাইট্রিক এসিড, গ্লুকোনিক এসিড প্রভৃতি উৎপাদন।
৩। ডিটারজেন্ট, চামড়া, টেক্সটাইল ও দুগ্ধশিল্পে ব্যবহার হয়।
৪। বায়োগ্যাস উৎপাদন।
৫। এনজাইম ও হরমোন উৎপাদন।
৬। ইনসুলিন ও ইন্টারফেরন উৎপাদন।
জীবপ্রযুক্তি । অবক্ষয়িত ভূমি পুনরুদ্ধারে জৈবপ্রযুক্তি
১। ভূমি পুনঃনবায়নের জন্য মাইক্রোপ্রোপাগেশন ও মাইকোরাইজা ব্যবহার করতে হবে।
২। মাটির উর্বরতা ফিরিয়ে আনতে লিগিউম ফসল এবং অন্যান্য উদ্ভিদের সাথে নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করতে হবে।
৩। যে সব উদ্ভিদ অবক্ষয়িত জমিতে জন্মে তা সৃষ্টি করতে হবে। পীড়ন সহনশীল উদ্ভিদ অবক্ষয়িত জমিতে জন্মাতে পারে।
৪। ভূমি থেকে বিষাক্ত পদার্থ অপসারণের জন্য Ganoderma lucidum, Thiobacillus ferroxidan প্রভৃতি অণুজীব ব্যবহার করতে হবে।
জীবপ্রযুক্তি ।। বায়োটেকনোলজি ।। প্রোটিন বা এনজাইম প্রযুক্তি
১। উন্নত এনজাইম তৈরী করা হয়।
২। প্রাকৃতিক প্রোটিনের চেয়ে উন্নত কৃত্রিম পেপটাইড তৈরী করা।
৩। ইনসুলিন ও ইন্টারফেরন উৎপাদন।
বায়োটেকনোলজি ।। জীবপ্রযুক্তি ।। জিন প্রযুক্তিতে জীবপ্রযুক্তি ।। Gene biotechnology
১। উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহে ভাইরাস জীবাণু শনাক্ত করা হয়।
২। DNA প্রোবের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের জিনগত রোগ শনাক্তকরণ এবং নিরাময় করা।
৩। বিভিন্ন টিউমার কোষ ধ্বংস করতে নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি উৎপাদন করা।
৪। বিভিন্ন জীবাণুকে ব্যবহার করে জীবাণু অস্ত্র তৈরী করা হয়।
জীবপ্রযুক্তি।। বাংলাদেশের পেক্ষাপটে জীবপ্রযুক্তি
১। ১৯৭০ দশকে ঢাকা বিশ্বববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে প্রথম পাটের টিস্যু কালচার করা হয়। এরপর বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয় এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান টিস্যু কালচার শুরু করে।
২। ঢাকা বিশ্বববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীগণ মলিকিউলার মার্কার ব্যবহার করে লবণ সহিঞ্চু ধান, ঠান্ডা সহিঞ্চু পাট এবং পতঙ্গ প্রতিরোধী ডালের জাত উদ্ভাবন করেছেন।
৩। ICDDR, B জীবপ্রযুক্তির মাধ্যমে সিগেলা ভ্যাক্সিন উৎপাদন করেছে।
৪। বাংলাদেশ প্রাণীসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট ছাগলের প্লেগ ও বসন্ত রোগ এবং গরু ও হাঁস-মুরগীর কয়েকটি ভ্যাক্সিন উদ্ভাবন করেছে।
৫। মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয় গরুর ফুট এন্ড মাউথ রোগ ও অ্যানথ্রাক্স, মুরগীর কলেরা এবং সালমোনেলা নিউক্যাসল রোগের ভ্যাক্সিন উৎপাদন করেছে।
৬। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট বিপন্ন প্রজাতির মাছের রেণু উৎপাদন, কার্প, ক্যাটফিস, তেলাপিয়া, মাগুর, পুঁটি ও GIFT মাছের জাত উদ্ভাবন করেছে।
৭। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্বববিদ্যালয়, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি এবং বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট ফিঙ্গার প্রিন্ট ও মাইক্রোস্যাটেলাইট জিনোটাইপিং পদ্ধতির উপর গবেষণা করছে। এতে দেশী জাতের ছাগল, ভেড়া, গরু ও মহিষের বংশ পরিচয় যাচাই করা হয়।
৮। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন নিম্ন মাত্রার গামা রেডিয়েশন ব্যবহার করে রেশম উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ফলের মাছি ও এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের কৌশল উদ্ভাবন করেছে। হরমোন ও ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করে IPM ব্যবস্থার উন্নতি সাধন করেছে।
৯। ঢাকা বিশ্বববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি বিভাগ মথ জাতীয় বালাই নিয়ন্ত্রণের কৌশল উদ্ভাবন করেছে।
১০। বাংলাদেশ জাতীয় বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ আধুনিক আণবিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন ফসলী, ফলজ, বনজ ওষুধী উদ্ভিদের রোগ শনাক্তকরণের কৌশল উদ্ভাবন করেছে।
১১। ২০১০ সালে ড. মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে বাংলাদেশী বিজ্ঞানীগণ পাটের জিনোমিক সিকুয়েন্স আবিষ্কার করেছেন। এর ফলে মিহি আঁশের পাট, তুলার মতো শক্ত আঁশের পাট, শীতকালীন পাট, ঔষধী পাট, সহজে পচনযোগ্য পাট, কীট-পতঙ্গ প্রতিরোধক পাট প্রভৃতি উদ্ভাবন করা সম্ভব হবে।
১২। ২০১৮ সালে আমেরিকা প্রবাসী বাংলাদেশী বিজ্ঞানীগণ ইলিশ মাছের জিনোমিক সিকুয়েন্স আবিষ্কার করেছেন।
জীবপ্রযুক্তি ।। জীবপ্রযুক্তির সম্ভাবনা
১। জিনোম স্ক্যানিংঃ জিনোম স্ক্যানিং দ্বারা স্বল্প সময়ে খুব দ্রুত যে কোন জীবের সম্পূর্ণ জিনোম জানা যাবে। ক্রোমোজোমে বিদ্যমান নিষ্ক্রিয় জিনের (৯৭%) তথ্য উদঘাটন করা যাবে।
২। স্টেম সেলঃ স্টেম সেল দেহের যে কোন অঙ্গের কোষ তৈরী করতে সক্ষম হবে। তাই নতুন আবিষ্কৃত ওষুধ অন্য প্রাণীর দেহে পরীক্ষা করার প্রয়োজন হবে না। এছাড়া বিভিন্ন দুর্ঘটনায় হারানো অঙ্গ প্রতিস্থাপন সহজ হবে।
৩। জিন থেরাপি এবং RNAiঃ জিন থেরাপির মাধ্যমে রোগ সৃষ্টিকারী জিনকে সুস্থ জিন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়। বংশগত রোগ, ক্যান্সার এবং কিছু সংক্রামক জটিল রোগের চিকিৎসায় জিন থেরাপি প্রয়োগ করা হয়। এসব জিনের বাহক হিসেবে ভাইরাস, RNAi, অ্যান্টিসেন্স বা জিঙ্ক ফিঙ্গার প্রোটিন ব্যবহার করা হয়।
৪। মাইক্রো RNAঃ মাইক্রো RNA রোগ সৃষ্টিকারী জিনের কাজকে প্রতিরোধ করতে পারে। মাইক্রো RNA দ্বারা ক্যান্সার, ভাইরাস সংক্রমণ, বিপাক সমস্যা এবং প্রদাহজনিত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা করা হয়।
৫। জিন ক্লোনিংঃ জিন ক্লোনিং বা DNA রিকম্বিনেন্ট দ্বারা মানুষের জন্য মঙ্গলজনক ও কল্যাণকর বস্তু তৈরী করা হয়।
৬। GM অণুজীবঃ GM অণুজীব ব্যবহার করে পরিবেশ দূষণ কমানো হচ্ছে। এ সব অণুজীব পরিবেশ বান্ধব।
৭। ন্যানোটেকনোলজিঃ ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহার করে পদার্থের আণবিক পরিবর্তন ঘটিয়ে মানুষের প্রয়োজনীয় উপাদান তৈরী করা হয়। এই প্রযুক্তি স্বাস্থ্যপদ এবং নিরাপদ।
৮। কৃষকের অর্থনৈতিক সাশ্রয়ঃ জীবপ্রযুক্তি কৃষকের জমি চাষ, বীজ বপন, চারা রোপন, বালাইনাশকের ব্যবহার , ফসল সংগ্রহ ও সংরক্ষণে ব্যাপক সহায়ক।
জিন থেরাপির কাজ
(i) ভাইরাসের মাধ্যমে কাক্সিক্ষত কোষে ড্রাগ প্রবেশ করানো যায়।
(ii) কাক্সিক্ষত জিন রোগীর দেহে প্রবেশ করানো হয়।
(iii) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ব্যাপক ভাবে প্রয়োগ করা যায়।
জিন থেরাপি কী ।। Gene therapy কী
কোনো নির্দিষ্ট রোগ উৎপাদনের জন্য দায়ী ক্রটিপূর্ণ জিনকে সঠিক করার (to corrected) পদ্ধতি হলো জিন থেরাপি। ক্রটিপূর্ণ জিনকে রেস্ট্রিকশন এনজাইম দ্বারা কেটে সেখানে সঠিক জিন প্রবেশ করানো হয়। জিন থেরাপি দুইটি উপায়ে করা যায়।
১। গবেষণাগারে সঠিক জিনযুক্ত কোষ সৃষ্টি করা হয়। এরপর রোগীর দেহে ইনজেক্ট করা হয়।
২। ভাইরাসকে পরিবর্তন করে বাহকে পরিনত করা হয়। এরপর মানুষের টার্গেট কোষে প্রবেশ করা হয়। টার্গেট কোষে সঠিক জিন সংযুক্ত করা হয়। ফলে রোগমুক্ত হয়।