ফ্লোয়েম ।। ফ্লোয়েম কী ।। ফ্লোয়েম টিস্যুর কাজ কী কী । Phloem । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

গ্রীক শব্দ Phloos অর্থ bark বা বাকল। ইহা উদ্ভিদের পাতা থেকে দেহের বিভিন্ন অংশে খাদ্য পরিবহন করে। ইহা চারটি উপাদান দ্বারা গঠিত। সিভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা ও ফ্লোয়েম ফাইবার। পরিনত সিভনল বা সিভকোষে নিউক্লিয়াস থাকে না। সেকেন্ডারী ফ্লোয়েমে যে ফাইবার থাকে তাকে বাস্ট ফাইবার বলে। পাটের আঁশ হলো বাস্ট ফাইবার।

ফ্লোয়েম টিস্যুর কাজ (Functions of Phloem)

(i) ফ্লোয়েম উদ্ভিদ দেহে খাদ্য পরিবহন করে।

(ii) উদ্ভিদ দেহে খাদ্য সঞ্চয় করে।

(iii) উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণে সহযোগীতা করে।

(iv) ইহা উদ্ভিদকে দৃঢ়তা দান করে।

(v) উদ্ভিদকে যান্ত্রিক শক্তি প্রদান করে।

(vi) ইহা উদ্ভিদদেহে আঁশ গঠন করে।

ফ্লোয়েম ।। ফ্লোয়েম টিস্যুর কাজ কী ।। Functions of Phloem ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(i) ফ্লোয়েম উদ্ভিদ দেহে খাদ্য পরিবহন করে।

(ii) উদ্ভিদ দেহে খাদ্য সঞ্চয় করে।

(iii) উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণে সহযোগীতা করে।

(iv) ইহা উদ্ভিদকে দৃঢ়তা দান করে।

(v) উদ্ভিদকে যান্ত্রিক শক্তি প্রদান করে।

(vi) ইহা উদ্ভিদদেহে আঁশ গঠন করে।

ফ্লোয়েম ।। ফ্লোয়েম কী ।। Phloem কী ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

গ্রীক শব্দ Phloos অর্থ bark বা বাকল। ইহা উদ্ভিদের পাতা থেকে দেহের বিভিন্ন অংশে খাদ্য পরিবহন করে। ইহা চারটি উপাদান দ্বারা গঠিত। সিভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা ও ফ্লোয়েম ফাইবার। পরিনত সিভনল বা সিভকোষে নিউক্লিয়াস থাকে না। সেকেন্ডারী ফ্লোয়েমে যে ফাইবার থাকে তাকে বাস্ট ফাইবার বলে। পাটের আঁশ হলো বাস্ট ফাইবার।

জাইলেম ।। জাইলেম কী ।। জটিল টিস্যুর প্রকারভেদ ও কাজ ।। Zylem ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

গ্রীক শব্দ Xylon অর্থ wood বা কাঠ। যে টিস্যু উদ্ভিদের মূল থেকে পানি ও খনিজ লবণ দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবহন করে তাকে জাইলেম বলে। ইহা চারটি উপাদান দ্বারা গঠিত। ট্রাকিড, ট্রাকিয়া বা ভেসেল, জাইলেম ফাইবার এবং জাইলেম প্যারেনকাইমা। এদের মধ্যে জাইলেম প্যারেনকাইমা একমাত্র জীবিত উপাদান। জাইলেম ফাইবারকে উড ফাইবার বলা হয়। নারিকেল তন্তু বা কয়ের হলো এক ধরনের উড ফাইবার। ফার্ন ও নগ্নবীজী উদ্ভিদে ভেসেল থাকে না। এছাড়া Winteraceae, Tetracentraceae, Trochodendraceae প্রভৃতি গোত্রের উদ্ভিদে ভেসেল থাকে না। বিভিন্ন ধরনের জাইলেম হলো-
(i) প্রোটোজাইলেমঃ সরু গর্তযুক্ত ভেসেল কোষকে প্রোটোজাইলেম বলে।
(ii) মেটাজাইলেমঃ বড় গর্তযুক্ত ভেসেল কোষকে মেটাজাইলেম বলে।
(iii) এক্সার্ক (Exarc)ঃ প্রোটোজাইলেম পরিধির দিকে এবং মেটাজাইলেম কেন্দ্রের দিকে থাকলে তাকে এক্সার্ক বলে। মূলের জাইলেম এক্সার্ক প্রকৃতির।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
(iv) এন্ডার্ক (Endarc)ঃ প্রোটোজাইলেম কেন্দ্রের দিকে এবং মেটাজাইলেম পরিধির দিকে থাকলে তাকে এন্ডার্ক বলে। কান্ডের জাইলেম এন্ডার্ক প্রকৃতির।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
(v) মেসার্ক (Mesarc)ঃ প্রোটোজাইলেম এবং মেটাজাইলেম উভয় দিকে বিন্যস্ত থাকলে তাকে মেসার্ক বলে। ফার্ন ও সাইকাস উদ্ভিদের পাতায় মেসার্ক জাইলেম পাওয়া যায়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
(vi) সেন্ট্রার্ক (Centrach)ঃ প্রোটোজাইলেম কেন্দ্রে এবং মেটাজাইলেম তাকে ঘিরে অবস্থান করলে তাকে সেন্ট্রার্ক বলে। ফার্ন উদ্ভিদে সেন্ট্রার্ক জাইলেম পাওয়া যায়।
জাইলেমের কাজ (Functions of Xylem)
(i) উদ্ভিদ দেহে পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন করে।
(ii) উদ্ভিদ দেহে পানি ও খনিজ লবণ সঞ্চয় করে।
(iii) ইহা উদ্ভিদকে দৃঢ়তা দান করে।
(iv) উদ্ভিদকে যান্ত্রিক শক্তি প্রদান করে।
(v) উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণে সহযোগীতা করে।
(vi) উদ্ভিদকে প্রস্বেদনে সাহায্য করে।
(vii) উদ্ভিদদেহে ব্যাপন ও অভিস্রবণে সহায়তা করে।
(viii) ইহা উদ্ভিদদেহে কাঠ গঠন করে।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
(ix) ইহা উদ্ভিদদেহের মূল কাঠামো গঠনে অংশ গ্রহণ করে।

জাইলেম ।। জাইলেমের কাজ ।। Functions of Xylem।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(i) উদ্ভিদ দেহে পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন করে।

(ii) উদ্ভিদ দেহে পানি ও খনিজ লবণ সঞ্চয় করে।

(iii) ইহা উদ্ভিদকে দৃঢ়তা দান করে।

(iv) উদ্ভিদকে যান্ত্রিক শক্তি প্রদান করে।

(v) উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণে সহযোগীতা করে।

(vi) উদ্ভিদকে প্রস্বেদনে সাহায্য করে।

(vii) উদ্ভিদদেহে ব্যাপন ও অভিস্রবণে সহায়তা করে।

(viii) ইহা উদ্ভিদদেহে কাঠ গঠন করে।

(ix) ইহা উদ্ভিদদেহের মূল কাঠামো গঠনে অংশ গ্রহণ করে।

জাইলেম ।। জাইলেমের প্রকারভেদ ।। Zylem ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(i) প্রোটোজাইলেমঃ সরু গর্তযুক্ত ভেসেল কোষকে প্রোটোজাইলেম বলে।
(ii) মেটাজাইলেমঃ বড় গর্তযুক্ত ভেসেল কোষকে মেটাজাইলেম বলে।
(iii) এক্সার্ক (Exarc)ঃ প্রোটোজাইলেম পরিধির দিকে এবং মেটাজাইলেম কেন্দ্রের দিকে থাকলে তাকে এক্সার্ক বলে। মূলের জাইলেম এক্সার্ক প্রকৃতির।
(iv) এন্ডার্ক (Endarc)ঃ প্রোটোজাইলেম কেন্দ্রের দিকে এবং মেটাজাইলেম পরিধির দিকে থাকলে তাকে এন্ডার্ক বলে। কান্ডের জাইলেম এন্ডার্ক প্রকৃতির।
(v) মেসার্ক (Mesarc)ঃ প্রোটোজাইলেম এবং মেটাজাইলেম উভয় দিকে বিন্যস্ত থাকলে তাকে মেসার্ক বলে। ফার্ন ও সাইকাস উদ্ভিদের পাতায় মেসার্ক জাইলেম পাওয়া যায়।
(vi) সেন্ট্রার্ক (Centrach)ঃ প্রোটোজাইলেম কেন্দ্রে এবং মেটাজাইলেম তাকে ঘিরে অবস্থান করলে তাকে সেন্ট্রার্ক বলে। ফার্ন উদ্ভিদে সেন্ট্রার্ক জাইলেম পাওয়া যায়।

জাইলেম ।। জাইলেম কী ।। Zylem কী ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

গ্রীক শব্দ Xylon অর্থ wood বা কাঠ। যে টিস্যু উদ্ভিদের মূল থেকে পানি ও খনিজ লবণ দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবহন করে তাকে জাইলেম বলে। ইহা চারটি উপাদান দ্বারা গঠিত। ট্রাকিড, ট্রাকিয়া বা ভেসেল, জাইলেম ফাইবার এবং জাইলেম প্যারেনকাইমা। এদের মধ্যে জাইলেম প্যারেনকাইমা একমাত্র জীবিত উপাদান। জাইলেম ফাইবারকে উড ফাইবার বলা হয়। নারিকেল তন্তু বা কয়ের হলো এক ধরনের উড ফাইবার। ফার্ন ও নগ্নবীজী উদ্ভিদে ভেসেল থাকে না। এছাড়া Winteraceae, Tetracentraceae, Trochodendraceae প্রভৃতি গোত্রের উদ্ভিদে ভেসেল থাকে না।

সরল টিস্যু কী ।। সরল টিস্যুর প্রকারভেদ ও কাজ ।। Simple tissue ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

যে স্থায়ী টিস্যুর কোষ গুলোর আকার, আকৃতি গঠন বৈশিষ্ট্য একই ধরনের তাকে সরল টিস্যু বলে। সরল টিস্যুকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো

১। প্যারেনকাইমা (Parenchyma) যে সব টিস্যুর কোষগুলোর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ গভীরতা প্রায় একই রকম তাকে প্যারেনকাইমা বলে। কোষগুলো সমব্যাসীয় এবং গোলাকার, ডিম্বাকার, বহুভজাকার বা লম্বাকার। আন্তঃকোষীয় ফাঁক বিদ্যমান। কান্ড মূলের ত্বক, কর্টেক্স, মজ্জা, মজ্জারশ্মি, পরিচক্র, পাতার মেসোফিল, ফলের শাঁস, সস্য ভ্রুণ প্রভৃতি প্যারেনকাইমা টিস্যু দ্বারা গঠিত।

প্যারেনকাইমা টিস্যুর কাজ

(i) ক্লোরোফিলযুক্ত প্যারেনকাইমা (ক্লোরেনকাইমা) সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরী করে।

(ii) জলজ উদ্ভিদের প্যারেনকাইমা বায়ু জমা (অ্যারেনকাইমা) রাখে এবং উদ্ভিদকে ভাসতে সাহায্য করে।

(iii) নিম্নস্থ কান্ড, মূল, ফল বীজে শর্করা, প্রোটিন ওস্নেহজাতীয় খাদ্য জমা থাকে।

(iv) উদ্ভিদের ক্ষত নিরাময় এবং পুনরুৎপাদনে সাহায্য করে।

(v) পাতা কান্ডের দৃঢ়তা প্রদান করে।

(vi) রসস্ফীতিজনিত চাপের মাধ্যমে বীরুৎ উদ্ভিদকে সোজা করে রাখে।

(vii) অস্থানিক মূল মুকুল বংশবিস্তার করে।

(viii) জাইলেম ফ্লোয়েমযুক্ত টিস্যু পানি খনিজ লবণ পরিবহন করে।

২। কোলেনকাইমা (Collenchyma) লিগনিনবিহীন, স্থুলপ্রাচীর বিশিষ্ট সজীব কোষ নিয়ে কোলেনকাইমা গঠিত। কোষগুলো বহুভজাকার বা লম্বাকার। আন্তঃকোষীয় ফাঁক থাকে না। কোষগুলো প্রসারণক্ষম।

কোলেনকাইমা টিস্যুর কাজ

(i) ক্লোরোপ্লাস্টযুক্ত (ক্লোরেনকাইমা) কোলেনকাইমা খাদ্য তৈরী করে।

(ii) উদ্ভিদের বর্ধনশীল নরম অঙ্গগুলোকে যান্ত্রিক দৃঢ়তা প্রদান করে।

(iii) স্থিতিস্থাপক প্রসারণ গুণ থাকায় উদ্ভিদকে বেঁকে যেতে সাহায্য করে।

(iv) ইহা স্থিতিস্থাপক হওয়ায় উদ্ভিদ অঙ্গ সহজে ভাঙ্গে না।

৩। স্কে¬রেনকাইমা (Sclerenchyma) লিগনিনযুক্ত, স্থুলপ্রাচীর বিশিষ্ট কোষ নিয়ে স্কে¬রেনকাইমা গঠিত। পরিনত কোষগুলো মৃত এবং প্রোটোপ্লাজম থাকে না। আন্তঃকোষীয় ফাঁক থাকে না। কোষগুলো কঠিন এবং স্থিতিস্থাপক। কোষগুলো প্রস্থের তুলনায় অধিক দীর্ঘ।

স্কে¬রেনকাইমা টিস্যুর কাজ

স্কে¬রেনকাইমা কী।। স্কে¬রেনকাইমা টিস্যুর কাজ ।। Sclerenchyma ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

লিগনিনযুক্ত, স্থুলপ্রাচীর বিশিষ্ট কোষ নিয়ে স্কে¬রেনকাইমা গঠিত। পরিনত কোষগুলো মৃত এবং প্রোটোপ্লাজম থাকে না। আন্তঃকোষীয় ফাঁক থাকে না। কোষগুলো কঠিন এবং স্থিতিস্থাপক। কোষগুলো প্রস্থের তুলনায় অধিক দীর্ঘ।

স্কে¬রেনকাইমা টিস্যুর কাজ

(i) উদ্ভিদকে যান্ত্রিক সুবিধা প্রদান করে।

(ii) পরিবেশের বিভিন্ন পীড়ন এবং চাপ থেকে উদ্ভিদকে রক্ষা করে। 

(iii) মৃত অবস্থায় বর্জ্য পদার্থ ধারণ করে।

(iv) ফল বীজের নরম অংশকে রক্ষা করে।

(v) সামান্য পানি পরিবহন করে।

কোলেনকাইমা কী । কোলেনকাইমা টিস্যুর কাজ কী কী । Collenchyma ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

লিগনিনবিহীন, স্থুলপ্রাচীর বিশিষ্ট সজীব কোষ নিয়ে কোলেনকাইমা গঠিত। কোষগুলো বহুভ‚জাকার বা লম্বাকার। আন্তঃকোষীয় ফাঁক থাকে না। কোষগুলো প্রসারণক্ষম।
কোলেনকাইমা টিস্যুর কাজ
(i) ক্লোরোপ্লাস্টযুক্ত (ক্লোরেনকাইমা) কোলেনকাইমা খাদ্য তৈরী করে।
(ii) উদ্ভিদের বর্ধনশীল ও নরম অঙ্গগুলোকে যান্ত্রিক দৃঢ়তা প্রদান করে।
(iii) স্থিতিস্থাপক ও প্রসারণ গুণ থাকায় উদ্ভিদকে বেঁকে যেতে সাহায্য করে।
(iv) ইহা স্থিতিস্থাপক হওয়ায় উদ্ভিদ অঙ্গ সহজে ভাঙ্গে না।