জীবের দ্বিপদ নামকরণ (Binomial Nomenclature)

 

জীবের দ্বিপদ নামকরণ (Binomial Nomenclature)

ICBN বা ICZNএর নীতিমালা অনুযায়ী গণ নামের শেষে প্রজাতিক নাম যুক্ত করে দুইটি পদ বা শব্দ দ্বারা একটি নির্দিষ্ট প্রজাতির একটি নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক নাম প্রদান করাকে দ্বিপদ নামকরণ বলে। ১৭৫৩ সালে সুইডিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস জীবের দ্বিপদ নামকরণের প্রক্রিয়া প্রবর্তন করেন।

 

দ্বিপদ নামকরণের নিয়মাবলী

১। একপদ জীবের প্রজাতির উপরের ছয়টি স্তরের নাম হবে একপদী। যেমনDivission

২। দ্বিপদ নামঃ  জীবের প্রজাতি নাম হবে দ্বিপদী। প্রথমটি গণ নাম এবং দ্বিতীয়টি গণের প্রজাতিক নাম। যেমন

Mangifera  indica

৩। বহুপদী নাম জীবের প্রজাতির নিচের স্তরের নামটি হবে বহুপদী। যেমনBrassica  oleracea  var.  botrytis

৪। নামের ভাষা  জীবের বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন অথবা রুপান্তরিত ল্যাটিন (latinized) ভাষায় হতে হবে।

৫। আদ্যক্ষর  জীবের গণ নামের প্রথম অক্ষর বড় হরফে এবং প্রজাতিক নামের প্রথম অক্ষরসহ সকল অক্ষর ছোট হরফে লেখতে হবে। যেমনOryza  sativa

৬। ছাপানো অবস্থা জীবের বৈজ্ঞানিক নাম ছাপালে অবশ্যই ইটালিক বা রোমান বা মোটা অক্ষরে ছাপাতে হবে।

৭। হাতে লেখা জীবের বৈজ্ঞানিক নাম হাতে লিখলে অবশ্যই ইংরেজি অক্ষর ব্যবহার করতে হবে এবং গণ প্রজাতিক অংশের নিচে আলাদা আলাদা ভাবে দাগ টানতে হবে। যেমন

Mangifera  indica

শ্রেণীবিন্যাসের একক || Unit Classification

 

শ্রেণীবিন্যাসের একক উদ্ভিদকে যে সব ধাপ বা স্তরে স্থাপন করা হয় তাকে শ্রেণীবিন্যাসের একক বলে। উদ্ভিদের শ্রেণীবিন্যাসের প্রতিটি ধাপ বা একককে ট্যাক্সন বলে। International Code of Botanical  Nomenclature (ICBN) স্বীকৃত উদ্ভিদের ৭টি একক বা ট্যাক্সা ব্যবহার করা হয়। শ্রেণীবিন্যাসের সময় ট্যাক্সা গুলোকে একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোতে সাজানো হয়। একে শ্রেণীবিভাগ নিয়ামক বা ট্যাক্সোনমিক হায়ার্কি বলে।

১। প্রজাতি (Species) প্রজাতি হলো শ্রেণীবিন্যাসের সবচেয়ে ছোট একক। একে মৌলিক একক বলা হয়। দৈহিক দিক থেকে সর্বাধিক মিল সম্পন্ন এক দল জীবগোষ্ঠী, যারা নিজেদের মধ্যে যৌন মিলনের মাধ্যমে উর্বর সন্তান উৎপাদনে সক্ষম কিন্তু অন্য গোষ্ঠীর সাথে যৌন মিলনের মাধ্যমে উর্বর সন্তান উৎপাদনে অক্ষম তাদেরকে প্রজাতি বলে। শ্রেণিতত্ত্ববিদ E. Mayer (১৯৬৯) এর মতে, প্রজাতি হলো আন্তঃপ্রজননশীল এমন একটি জীবগোষ্ঠি যারা নিকটতম অনুরূপ জীবগোষ্টির প্রজননিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচ্ছিন্ন। ১৬৮৬ সালে John Ray সর্বপ্রথম Species শব্দটি ব্যবহার করেন। প্রজাতির আচরণগত বাস্তুসংস্থানিক বৈশিষ্ট্যকে নীশ বলা হয়।

২। গণ (Genus) গণ হলো শ্রেণীবিন্যাসের দ্বিতীয় একক বা ট্যাক্সন। পরস্পর নিকট সম্পর্কযুক্ত একাধিক প্রজাতি নিয়ে গঠিত হয় গণ। Artocarpus heterophyllus (কাঁঠাল), Artocarpus chaplasha (চাপালিশ), Artocarpus lacucha (ক্রওয়া) ইত্যাদি নিকট সম্পর্কযুক্ত প্রজাতি দ্বারা Artocarpus গণ গঠিত হয়েছে।

৩। গোত্র (Family) গোত্র হলো শ্রেণীবিন্যাসের তৃতীয় একক বা ট্যাক্সন। পরস্পর নিকট সম্পর্কযুক্ত একাধিক গণ নিয়ে গঠিত হয় গোত্র। উদ্ভিদের গোত্রের নামের শেষে aceae যুক্ত করা হয়। Artocarpu, Ficus, Morus ইত্যাদি নিকট সম্পর্কযুক্ত গণ দ্বারা Moraceae গোত্র গঠিত হয়েছে।

৪। বর্গ (Order) বর্গ হলো শ্রেণীবিন্যাসের চতুর্থ একক বা ট্যাক্সন। পরস্পর নিকট সম্পর্কযুক্ত একাধিক গোত্র নিয়ে গঠিত হয় বর্গ। উদ্ভিদের বর্গের নামের শেষে ales যুক্ত করা হয়। Sapindales, Morales, Malvales ইত্যাদি হলো বর্গ।

৫। শ্রেণী (Class) শ্রেণী হলো শ্রেণীবিন্যাসের একটি উচ্চতর একক বা ট্যাক্সন। পরস্পর নিকট সম্পর্কযুক্ত একাধিক বর্গ নিয়ে গঠিত হয় শ্রেণী। উদ্ভিদের শ্রেণীর নামের শেষে opsida যুক্ত করা হয়। Magnoliopsida, Liliopsida ইত্যাদি হলো শ্রেণী।

৬। বিভাগ (Division) বিভাগ হলো শ্রেণীবিন্যাসের একটি উচ্চতর একক বা ট্যাক্সন। পরস্পর নিকট সম্পর্কযুক্ত একাধিক শ্রেণী নিয়ে গঠিত হয় বিভাগ বা পর্ব। উদ্ভিদের বিভাগের শেষে phytaযুক্ত করা হয়।

ট্যাক্সোনমি (Taxonomy) শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যার প্রধান নীতিমালা

ট্যাক্সোনমি (Taxonomy)

গ্রিক শব্দ Taxos অর্থ arrangement বা সাজানো এবং nomos অর্থ law বা নিয়ম থেকে Taxonomy শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে। উদ্ভিদবিজ্ঞানের যে শাখায় উদ্ভিদের শ্রেণীবিন্যাসের ভিত্তি, উদ্দেশ্য নিয়মনীতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যা বা Taxonomy বলে। বিজ্ঞানী E. Mayer (১৯৬৯) এর মতে, Tazonomy is the theory and practice of classification, অর্থাৎ শ্রেণীবিন্যাস তত্ত¡ চর্চাই হলো ট্যাক্সোনমি। ফ্রান্সের উদ্ভিদবিজ্ঞানী A. P. de Candolle সর্বপ্রথম Taxonomy শব্দটি ব্যবহার করেন।

উদ্ভিদের শ্রেণীবিন্যাসে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখেন সুইডিস বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস। এজন্য তাকে শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যার জনক বলা হয় (Father of taxonomy)

 

শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যার প্রধান নীতিমালা

১। শ্রেণীবদ্ধগত বৈশিষ্ট্য (Taxonomic character)ঃ  যে সব বৈশিষ্ট্য দ্বারা একটি ট্যাক্সনকে অন্য ট্যাক্সন হতে আলাদা করা হয় তাকে ট্যাক্সোনমিক বৈশিষ্ট্য বলে। শ্রেণীবিন্যাস তৈরীর জন্য প্রতিটি উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য সঠিক ভাবে পর্যবেক্ষণ ও লিপিবদ্ধ করা হয়। উদ্ভিদের ট্যাক্সোনমিক বৈশিষ্ট্য হলো- জননগত বৈশিষ্ট্য, জিনগত বৈশিষ্ট্য, রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য, অঙ্গসংস্থানিক বৈশিষ্ট্য, শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য, আচরণগত বৈশিষ্ট্য, বাস্তুসংস্থানিক বৈশিষ্ট্য প্রভৃতি। শ্রেণীবিন্যাসের সময় এসব বৈশিষ্ট্য গুলো যথাযথ ভাবে উল্লেখ করা হয়।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

২। সনাক্তকরণ (Identification)ঃ শ্রেণীবিন্যাসের উদ্দেশ্যে প্রতিটি উদ্ভিদকে নির্ভুল ভাবে শনাক্ত করা হয়। শ্রেণীবদ্ধগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে এদের মধ্যে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করা হয়। শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে এটি হতে পারে- জিনগত ভারসাম্যহীন নমুনা, প্রতিকূল অবস্থায় বৃদ্ধি প্রাপ্ত সদস্য, সংকর জাত, স¤প্রতি প্রকাশিত কোন নিবন্ধ, নতুন প্রজাতি প্রভৃতি। এরপর সংগ্রহীত নমুনা গুলোকে অন্যান্য উদ্ভিদের বর্ণনার সাথে তুলনা করা হয়। সঠিকভাবে শনাক্তকরণের জন্য উপপ্রজাতি, প্রজাতি, সিনোপসিস, রিভিউ, ক্যাটালগ, রিভিশন, মনোগ্রাফ, শ্রেণীকরণ, জাতিজনি, ফিল্ড গাইড ও চেকলিস্ট সম্পর্কে ব্যাপক ধারণা থাকতে হবে।

৩। ক্যাটাগরিকরণ (Categorization)ঃ বিবর্তনের ধারা অনুযায়ী একই বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন উদ্ভিদকে একটি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে স্থাপন করা হয়। শ্রেণীবিন্যাসের মোট ৭টি ক্যাটাগরি বা র‌্যাঙ্ক আছে। এগুলো হলো- Kingdom, Phylum, Class, Order, Family, Genus ও Species। এদের মধ্যে Kingdom হলো সবচেয়ে বড় এবং Species হলো সবচেয়ে ছোট।

৪। নামকরণ (Nomenclature)ঃ কোন উদ্ভিদ বা প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম দেওয়া সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরী, ব্যাখ্যা ও প্রয়োগকে নামকরণ বলে।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(i) দ্বিপদ নামকরণঃ ICBN বা ICZN-এর নীতিমালা অনুযায়ী গণ নামের শেষে প্রজাতিক নাম যুক্ত করে দুইটি পদ বা শব্দ দ্বারা একটি নির্দিষ্ট প্রজাতির একটি নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক নাম প্রদান করাকে দ্বিপদ নামকরণ বলে। ১৭৫৩ সালে সুইডিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস জীবের দ্বিপদ নামকরণের প্রক্রিয়া প্রবর্তন করেন।

(ii) ত্রিপদ নামকরণঃ জীবের নামকরণের আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুযায়ী গণ, প্রজাতি ও উপপ্রজাতি তিনটি পদ বা শব্দ দ্বারা জীবের যে নাম প্রদান করা হয় তাকে ত্রিপদ নামকরণ বলে। জার্মান বিজ্ঞানী Hermann Schlegel (১৮৮৪) ত্রিপদ নামকরণ প্রবর্তন করেন। যেমন- Naja naja naja.

৫। সংরক্ষণ (Conservation)ঃ বিভিন্ন উপায়ে সংগৃহীত উদ্ভিদের নমুনা গুলো যথাযথ ভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। নমুনা হিসেবে উদ্ভিদের পাতা, ফুল, ফল, বীজ, কান্ড, মূল প্রভৃতি সংগ্রহ করা হয়। এ সব নমুনা শুকনো অথবা তরল মাধ্যমে সংরক্ষণ করা যায়। ফরমালিন ও অ্যালকোহল হলো সংরক্ষণের সবচেয়ে ভাল তরল মাধ্যম। দেশের বিভিন্ন  জাদুঘর, সংরক্ষণশালা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারী ও বেসরকারী ভাবে উদ্ভিদের নমুনা সংরক্ষণ করা হয়।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

শ্রেণীবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা (Necessity of Taxonomy)

 

 

শ্রেণীবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা (Necessity of Taxonomy)

১। উদ্ভিদ শনাক্তকরণ  – শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে উদ্ভিদ শনাক্ত করা যায়।

২। উদ্ভিদজগত সম্পর্কে জানাপৃথিবীতে পাঁচ লক্ষ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে অল্প সময়ে এবং কম পরিশ্রমে উদ্ভিদজগত সম্পর্কে জানা যায়।

৩। উদ্ভিদ জ্ঞানকে সংক্ষেপে প্রকাশ – শ্রেণীবিন্যাস উদ্ভিদ সম্পর্কিত জ্ঞানকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে

৪। উদ্ভিদের আদিউন্নত নির্ধারণ – আধুনিক শ্রেণীবিন্যাস উদ্ভিদের আদিউন্নত প্রকৃতি নির্ধারণে সাহায্য করে এবং বিবর্তনের ধারা নির্দেশ করে।

৫। জাতিজনি সম্পর্ক নির্ণয়শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে উদ্ভিদ জাতিজনি সম্পর্ক নির্ণয় করা যায়।

৬। নতুন প্রজাতি শনাক্তকরণ – নতুন প্রজাতি শনাক্তকরণ এবং বিভিন্ন ধাপে স্থাপনের জন্য শ্রেণীবিন্যাসের জ্ঞান অপরিহার্য।

৭। ভেষজ উদ্ভিদ শনাক্তকরণভেষজ উদ্ভিদ শনাক্তকরণে শ্রেণীবিন্যাসের জ্ঞান প্রয়োজন।

৮। উন্নত জাত উদ্ভাবনকৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে উন্নত রোগ প্রতিরোধী জাতের ফসল উদ্ভিদ উদ্ভাবন করা হয়। এক্ষেত্রে শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কিত জ্ঞান থাকা অপরিহার্য।

৯। অর্থনৈতিক উদ্ভিদ বাছাইশ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে কৃষিজ, বনজ, ফলজ ভেষজসহ অর্থনৈতিক উদ্ভিদ বাছাই করা যায়।

১০। সার্বজনীন পরিচয়উদ্ভিদের আন্তর্জাতিক সার্বজনীন পরিচিতি প্রদানে শ্রেণীবিন্যাসের জ্ঞান অপরিহার্য।

উদ্ভিদজগতের শ্রেণীবিন্যাস

উদ্ভিদজগতের শ্রেণীবিন্যাস
বিচিত্র ধরণের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের ভিত্তিতে পৃথিবীর সব উদ্ভিদকে জগত, বিভাগ, শ্রেণী, বর্গ, গোত্র, গণ, প্রজাতি প্রভৃতি দল-উপদলে বিন্যাস করার পদ্ধতিকে শ্রেণীবিন্যাস বা Classification বলে।
বিখ্যাত শ্রেণীবিন্যাসতাত্ত্বিক Simpson (১৯৬১) এর মতে, Classification is the ordering of plants into groups or sets on the basis of their relationships. অর্থাৎ সম্পর্কের ভিত্তিতে উদ্ভিদসমুহকে বিভিন্ন দল বা গ্রুপে বিন্যস্ত করাই হলো উদ্ভিদের শ্রেণীবিন্যাস।

উদ্ভিদবিজ্ঞান

 

উদ্ভিদবিজ্ঞান (Botany)
গ্রীক শব্দ botanae বা phytos অর্থ plant বা উদ্ভিদ এবং logos অর্থ knowledge বা জ্ঞান নিয়ে Phytology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় উদ্ভিদের গঠন, শারীরবৃত্ত, প্রজনন, জীবনচক্র, উৎপত্তি, বিবর্তন, বংশগতি, অভিযোজন, শ্রেণীবিভাগ, বিস্তার, অর্থনৈতিক গুরুত্ব ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা ও গবেষণা করা হয় তাকে Phytology বা Botany বা উদ্ভিদবিজ্ঞান বলে।
উদ্ভিদবিজ্ঞানের জনক (Father of Botany) হলো থিয়োফ্রাস্টাস।

Biology First Lecture Sheet Chapter-1

  1. Plants definition ( উদ্ভিদের সংজ্ঞা )
  2. Type of Plants  ( উদ্ভিদের প্রকারভেদ )
  3. উদ্ভিদ বিজ্ঞানের সংজ্ঞা ( Botany  )
  4. উদ্ভিদবিজ্ঞানের শাখাসমুহ (Branches of Botany)
  5. উদ্ভিদজগতের শ্রেণীবিন্যাস
  6.  শ্রেণীবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা (Necessity of Taxonomy)
  7. শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যার প্রধান নীতিমালা
  8.  শ্রেণীবিন্যাসের একক সমুহ
  9. দ্বিপদ নামকরণ (Binomial Nomenclature)
  10. শ্রেণীবিন্যাসের প্রকারভেদ (Type of Classification)
  11. থিয়োফ্রাস্টাস-এর কৃত্রিম শ্রেণীবিন্যাস (Classification of Theophrastus)
  12. লিনিয়াস-এর কৃত্রিম শ্রেণীবিন্যাস
  13. কোষের সংজ্ঞা-প্রথম কোষের উৎপত্তি
  14. কোষ আবিষ্কার- কোষের বৈশিষ্ট্য
  15. কোষবিদ্যার সংজ্ঞা-কোষের আকৃতি-কোষের আয়তন-কোষের সংখ্যা-পরিমাপের একক
  16. কোষতত্ত্ব-কোষের প্রকারভেদ-উদ্ভিদ কোষ-প্রাণী কোষ
  17. কোষ প্রাচীর-কোষ প্রাচীরের ভৌত ও সুক্ষ্ম গঠন
  18. কোষ প্রাচীরের রাসায়নিক উপাদান-কোষ প্রাচীরের গুরুত্ব / প্রয়োজনীয়তা
  19. প্রোটোপ্লাস্ট-প্রোটোপ্লাজমের বৈশিষ্ট্য রাসায়নিক উপাদান গঠন চলন কাজ গুরুত্ব
  20. কোষ ঝিল্লি বা প্লাজমা মেমব্রেন-স্যান্ডউইচ মডেল-একক পর্দা হাইপোথিসিস
  21. প্লাজমা মেমকব্রণ-প্লাজমা মেমব্রেনের ফ্লুইড-মোজাইক মডেল- রাসায়নিক গঠন
  22. কোষ ঝিল্লির রুপান্তর- প্লাজমা মেমব্রেণের গুরুত্ব প্রয়োজনীয়তা
  23. কোষ ঝিল্লির রুপান্তর
  24. কোষঝিল্লির গুরুত্ব প্রয়োজনীয়তা
  25. সাইটোপ্লাজমের ভৌত ও রাসানিক গঠন
  26. সাইটোপ্লাজমের গুরুত্ব/বিপাকীয় ভূমিকা
  27. মাইটোকন্ড্রিয়া কাকে বলে
  28. মাইটোকন্ড্রিয়ার ভৌত ও রাসায়নিক গঠন
  29. মাইটোকন্ড্রিয়ার গুরুত্ব / প্রয়োজনীয়তা
  30. প্লাস্টিড কী ? প্লাস্টিডের প্রকরেভেদ ও উৎপত্তি
  31. ফুলের পাপড়ির রং নানা রকম হওয়ার কারণ
  32. প্লাস্টিডের গুরুত্ব/ভূমিকা
  33. ক্লোরোপ্লাস্টের ভৌত ও রাসায়নিক গঠন
  34. রাইবোজোম কাকে বলে ? এর প্রকারভেদ
  35. রাইজোমের ভৌত ও রাসায়নিক গঠন
  36. ভেদবার্গ একক (Svedberg unit)
  37. রাইবোজোমকে সর্বজনীন অঙ্গাণু বলা হয় কেন
  38. রাইবোজোমের গুরুত্ব
  39. গলজিবডি কী ? গলজিবডির ভৌত ও রাসায়নিক গঠন
  40. গলজিবডিকে কোষের ট্রাফিক পুলিশ বলা হয় কেন
  41. গলজিবডির গুরুত্ব
  42. লাইসোজোম কী ? লাইসোজোমের বিস্তৃতি ও উৎপত্তি
  43. লাইসোজোমের ভৌত ও রাসায়নিক গঠন
  44. লাইসোজোমের কাজ/গুরুত্ব
  45. লাইসোজোমকে ‘আত্মঘাতি থলী’ (suicidal bag) বলা হয়
  46. এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম কী ? এর প্রকারভেদ
  47. এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের ভৌত ও রাসায়নিক গঠন
  48. এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের গুরুত্ব
  49. সেন্ট্রিওলের গঠন ও কাজ
  50. কোষ গহ্বরের সংজ্ঞা ও কাজ/গুরুত্ব
  51. কোষীয় কঙ্কাল কাকে বলে ? এর প্রকারভেদ
  52. মাইক্রোটিউবিউলের সংজ্ঞা গঠন ও কাজ/গুরুত্ব
  53. মাইক্রোফিলামেন্টের সংজ্ঞা গঠন ও কাজ/গুরুত্ব
  54. ইন্টারমিডিয়েট ফিলমেরন্টর সংজ্ঞা গঠন ও কাজ/গুরুত্ব
  55. পারঅক্সিজোম কী ? এর কাজ/গুরুত্ব
  56. গ্লাইঅক্সিজোম (Glyoxisome)
  57. নিউক্লিয়াস কী ? এর সংখ্যা ও অবস্থান
  58. নিউক্লিয়াসের গঠন
  59. নিউক্লিয়াসের কাজ/গুরুত্ব
  60. কোষস্থ নির্জীব বস্তু (Ergastic substance)
  61. কোষের সঞ্চিত পদার্থ (Reserve materials)
  62. কোষের বর্জ্য পদার্থ (Excretory or waste products)
  63. ক্রোমোজোম কী ? ক্রোমোজোমের সংখ্যা ও আবিষ্কার
  64. ক্রোমোজোমের প্রকারভেদ
  65. সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান ভিত্তি ক্রোমোজোমের প্রকারভেদ
  66. সেন্ট্রোমিয়ারের সংখ্যা ভিত্তিক ক্রোমোজোমের প্রকারভেদ
  67. রঞ্জক ভিত্তিক ক্রোমোজোমের প্রকারভেদ
  68. ক্রোমোজোমের ভৌত গঠন
  69. ক্রোমোজোমের রাসায়নিক গঠন
  70. জায়ান্ট বা দৈত্যাকার ক্রোমোজোম (Giant chromosome)
  71. নিউক্লিক এসিড কী ? নিউক্লিক এসিডের গঠন
  72. নিউক্লিওসাইড-নিউক্লিওটাইড-ডাইনিউক্লিওসাইড-পলিনিউক্লিওসাইড

 

Continue reading “Biology First Lecture Sheet Chapter-1”

 উদ্ভিদের প্রকারভেদ

উদ্ভিদের প্রকারভেদ
১। বীরুৎঃ ক্ষুদ্র ও নরম কান্ড বিশিষ্ট একবর্ষজীবী উদ্ভিদকে বীরুৎ বলে। যেমন- ধান, গম, ভুট্রা ইত্যাদি

২। উপগুল্ম ঃ গুল্মের চেয়ে ছোট আকৃতির উদ্ভিদকে উপগুল্ম বলা হয়। যেমন- দাঁতমর্দন, কালকাসুন্দা ইত্যাদি।
৩। গুল্মঃ গুড়িবিহীন শক্ত, কাষ্ঠল ও বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদকে গুল্ম বলে। যেমন- গোলাপ, জবা, ধুতুরা ইত্যাদি।
৪। বৃক্ষ ঃ গুড়িবিশিষ্ট শক্ত, কাষ্ঠল ও বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদকে বৃক্ষ বলে। যেমন- আম, জাম, কাঁঠাল ইত্যাদি।
৫। পরাশ্রয়ীঃ এরা অন্য উদ্ভিদকে আশ্রয় করে জন্মে।